দুলাল দে: গুরুতর অসুস্থ আটের দশকের ময়দান কাঁপানো ফুটবলার মজিদ বাসকর (Majid Bishkar)। বৃহস্পতিবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। তাঁকে খুররামশায়ারের স্থানীয় এক হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। পরিবার সূত্রের খবর, বুকে ব্যাথা থাকলেও করোনা আক্রান্ত নন মজিদ। প্রাথমিক চিকিৎসার পর আগের তুলনায় এখন অনেকটাই স্থিতিশীল তিনি।
গতবছরই ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) শতবর্ষ উপলক্ষ্যে কলকাতায় এসেছিলেন মজিদ। তাঁর প্রাণের শহরে কাটিয়ে গিয়েছেন বেশ কয়েকটা দিন। বছর ঘোরার আগেই অসুস্থতা। করোনা তাঁকে স্পর্শ করতে না পারলেও বয়সের কারণে নানা সমস্যায় ভুগছেন ‘আশির বাদশা’। মজিদের ভাইপো ফরিদ বাসকর জানাচ্ছেন, বৃহস্পতিবার সকালে হঠাত বুকে ব্যাথা অনুভব করেন প্রাক্তন ফুটবলার। ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন মজিদ। তবে এখন তিনি স্থিতিশীল। আজই তাঁর অ্যাঞ্জিওগ্রাফি হওয়ার কথা। মজিদের ভাইপো ফোনে বলছিলেন, ‘ গতকাল হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল মজিদের। তবে, এখন অনেকটাই ভাল আছেন তিনি। চিকিৎসকরা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছে।”

[আরও পড়ুন: বুধবারও ইস্টবেঙ্গলের সহকারি কোচ হিসেবে সরকারিভাবে ঘোষিত হল না রেনেডির নাম]
ইস্টবেঙ্গলের জার্সি গায়ে খেলেছেন মোট ২৪ মাস। তাও সেই তিন দশক আগে। তবু, আজও লাল-হলুদ সমর্থকদের প্রাণভোমরা মজিদ বাসকর। ময়দানে যেন মিথ হয়ে গিয়েছেন ইরানি ফুটবলার। অথচ মাঠের বাইরের বিভিন্ন কারণে ভারতে তাঁর কেরিয়ার লম্বা হয়নি। সবার অলক্ষ্যে ফিরে গিয়েছেন দেশে। কলকাতা থেকে খুররামশায়ারে গিয়ে সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছেন। গতবছর ক্লাবের শতবর্ষের অনুষ্ঠানে শহরে এসেছিলেন। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা ক্লাবের একসময়ের হিরোকে চাক্ষুস করার সুযোগও পেয়েছিলেন। আসলে মাত্র দু’বছর লাল-হলুদ জার্সিতে খেললেও সমর্থকদের মনে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নিয়েছেন মজিদ। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর অসুস্থতার খবরে উদ্বেগে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা।
সর্বশেষ খবর
-
মন্দারমণির উত্তাল সমুদ্রে বড় অঘটন, স্নানে নেমে মৃত ১, খোঁজ নেই আরও এক পর্যটকের
-
বিমানবন্দরের ধাঁচে গড়ে উঠবে হাওড়া স্টেশন, থাকবে আধুনিক সুবিধা! পরিদর্শনে মন্ত্রী
-
আরাবুলের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা! কপাল জোরে প্রাণরক্ষা ভাঙড়ের ‘তাজা’ নেতার
-
ওড়িশা উপকূলে ডুবল পানামার পতাকাধারী জাহাজ! ২৪ নাবিকের খোঁজে তল্লাশি
-
রাজস্থানের ৬১১ সরকারি স্কুলের নিজস্ব ভবনই নেই! ‘আরশোলা’দের কর্মসূচির মাঝেই প্রকাশ্যে রিপোর্ট