স্টাফ রিপোর্টার: তিন মাস আগেই জাতীয় কোচের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন মানোলো মার্কেজ। স্পেনের এক বিখ্যাত সংবাদপত্রে সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানিয়েছেন ভারতের এই সদ্য প্রাক্তন কোচ। মনোলো এপ্রিলেই ইস্তফা দিলেও ফেডারেশনের তরফ থেকে দ্বিপাক্ষিকভাবে চুক্তি ছিন্ন হওয়ার কথা ঘোষণা করা হয় জুলাই মাসে। ফেডারেশন কর্তারা বারবার হংকং ম্যাচের পরও বলে আসছিলেন কার্যকরী কমিটির বৈঠকে মানোলোকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। এখন প্রাক্তন জাতীয় কোচের এই বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে কার্যত মুখ পুড়তে চলেছে ফেডারেশন কর্তাদের।
গত বছর জুন মাসে ইগর স্টিমাচ সরে যাওয়ার পর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল মানোলোকে। কিন্তু তাঁর আমলেও সন্দেশ জিঙ্ঘানরা সাফল্যের মুখ দেখেনি। প্রাক্তন জাতীয় কোচ জানিয়েছেন শুধুমাত্র খারাপ ফলাফলের জন্যই তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দেননি। এমনকী যদি ফলাফল ভালোও হত তাহলেও তিনি এই সিদ্ধান্তই নিতেন। মানোলো বলেন, “আমি এপ্রিলেই ইস্তফা দিয়েছিলাম। কিন্তু ওঁরা আমাকে জুনের ট্রান্সফার উইন্ডো পর্যন্ত আমাকে থাকতে বলেছিল। তবে শুধু খারাপ ফলাফলের জন্যই ছাড়তে চাইনি।” তিনি আরও যোগ করেন, “ভারতের জাতীয় দলের কোচিং করানো আমার জীবনের স্বপ্ন ছিল। কিন্তু যখন আপনি দেখবেন এখানে সব দল একই নিয়ম মানে না তখন আপনি বুঝে যাবেন এই জায়গা আপনার জন্য নয়।”
এখানেই থেমে থাকেননি। আরও বলেন, “আমি মানছি কিছু ক্ষেত্রে আমার ভুল ছিল। কিন্তু যদি দলের ভালো ফল হত তাহলেও আমি এই একই অবস্থানে থাকতাম।” গত মরশুমে এফসি গোয়াকে কোচ হিসাবে সুপার কাপ জিতিয়েছেন মানোলো। হংকং ম্যাচের তিন দিন আগেই সুনীল ছেত্রীরা জানতেন তাঁদের কোচের এটাই শেষ ম্যাচ হতে চলেছে। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি যোগ করেন, “হংকং ম্যাচের তিন দিন আগেই সব ফুটবলাররাই জানতেন ওই ম্যাচটাই জাতীয় দলের হয়ে আমার শেষ ম্যাচ হবে। তিন সপ্তাহ ধরে একসঙ্গে থাকার পর এই খবরটা যখন কোনও ফুটবলার শোনে তাদের কোচ চলে যাচ্ছে তখন বিষয়টা তাদের কাছে সহজ হয় না।”
সর্বশেষ খবর
-
চাপের মুখে ভারতের সাহায্য নিতে রাজি নেপাল, আটকে পড়া ভারতীয়দের হাল-হকিকত জানাল দিল্লি
-
‘মমতার অধঃপতন হয়েছে’, দল ছেড়ে প্রথম কর্মসূচিতেই তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা কাকলির
-
‘ককরোচ’-সহ পড়ুয়াদের আন্দোলনই ‘টার্নিং পয়েন্ট’, সিপিএমের প্লেনামে নতুন পথের হদিশ
-
চালকের অশ্লীল স্পর্শ! চলন্ত অটো থেকে লাফিয়ে সম্ভ্রম বাঁচালেন তরুণী
-
‘কেন এরকম করল?’ বিশ্বকাপ জিতিয়েও বাদ, বোর্ডের সিদ্ধান্তে অবসরের কথাও ভাবেন হতাশ সূর্য