Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
মোহনবাগান

ডুরান্ডের প্রতিশোধ, গোকুলামকে হারিয়ে ডার্বির আগে ছন্দে মোহনবাগান

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চলল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯, ১৯:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯, ১৯:১৮

options
link
ডুরান্ডের প্রতিশোধ, গোকুলামকে হারিয়ে ডার্বির আগে ছন্দে মোহনবাগান zoom
Advertisement

মোহনবাগান: ২ (ফ্রান গঞ্জালেজ-একটি পেনাল্টি থেকে)
গোকুলাম: ১ (মার্কাস)

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডুরান্ডের ফাইনালে এই গোকুলামের কাছে পরাস্ত হয়েই ট্রফি হাতছাড়া হয়েছিল। তাই সোমবার কল্যাণীতে মোহনবাগানের কাছে লড়াইটা ছিল বদলার। ফ্রান গঞ্জালেজের সৌজন্যে পূরণ হল সেই লক্ষ্য। স্প্যানিশ তারকার জোড়া গোলের সৌজন্যে ডার্বির আগে জয়ের ছন্দ ধরে রাখল মোহনবাগান।

Advertisement

ডুরান্ডে বিপক্ষের ত্রাস হয়ে উঠেছিলেন গোকুলামের মার্কাস। তাই এদিনও মোহনবাগানের ম্যাচটা ছিল ত্রিনিদাদ টোবাগো স্ট্রাইকারের বিরুদ্ধে। তাঁকে আটকে রাখতে পারলেই যে জয়ের পথ সহজ হবে, তা জানতেন কোচ কিবু ভিকুনা। তবে তাঁর দোসরও কম নন। বাগানের প্রাক্তনী হেনরি কিসেকা। দুটো ম্যাচ খেলে দুটোই জিতেছিল গোকুলাম। সেই দুই ম্যাচে গোলও করেছিলেন হেনরি। সবমিলিয়ে ডুরান্ডের পর আই লিগের লড়াইটাও ছিল বেশ কঠিন। কিন্তু ঘরের মাঠে বিপক্ষকে হারানোর সবরকম প্রস্তুতিই নিয়ে রেখেছিলেন গঞ্জালেজরা। সুহের ও গঞ্জালেজকে সামনে রেখে বেইতিয়াকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে ছকও কষে ফেলেছিলেন ভিকুনা। কার্যক্ষেত্রে সবই কাজে দিয়েছে।

[আরও পড়ুন: আইপিএল নিলাম: এই পাঁচ ক্রিকেটারকে দলে নিতে পারে চেন্নাই সুপার কিংস]

প্রথমার্ধে বক্সের ভিতর আশুতোষকে ফাউল করে বসেন উবেইদ। তাঁর খারাপ ট্যাকেলের সৌজন্যে পেনাল্টি উপহার পেয়ে যায় গঙ্গাপারের ক্লাব। সেখান থেকে গোল করতে ভুল করেননি স্প্যানিস তারকা। তবে ব্যবধান বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেননি তাঁরা। প্রথমার্ধের শেষ লগ্নে পেনাল্টি থেকে গোল শোধ করে দেন মার্কাস। বিরতির পরই অবশ্য বেইতিয়ার মাপা পাস থেকে দুর্দান্ত হেডারে বল জালে জড়ান গঞ্জালেজ। তারপর একাধিকবার বাগান ডিফেন্সে হানা দেন মার্কাস-হেনরিরা। কিন্তু গোলমুখ খুলতে ব্যর্থ হন। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইম পর্যন্ত চলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। একবার বল মোহনবাগানের বারে লেগেও ফিরে আসে। তবে মার্কাসকে মার্কিং করে রেখেই জয় নিশ্চিত করে ভিকুনা অ্যান্ড কোং।

ডার্বির আগে জয়ের ছন্দে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল। এমন পরিস্থিতি পরপর দুই ম্যাচে জয় আত্মবিশ্বাসে রাখছে মোহনবাগানকেও। অর্থাৎ যুবভারতীর লড়াই যে সেয়ানে-সেয়ানে হবে, এদিন গোকুলামকে হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিয়ে সে বার্তাই দিয়ে রাখল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।

[আরও পড়ুন: জাদেজার ‘অদ্ভুত’ রান আউটে ক্ষুব্ধ বিরাট, পালটা কি বললেন পোলার্ড?]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.