স্টাফ রিপোর্টার: “দেখুন ড্র হলেও আমরা যেমন আই লিগ থেকে ছিটকে যাব না। আবার জিতলে চ্যাম্পিয়ন হব তারও কোনও গ্যারান্টি নেই। আর পাঁচটা ম্যাচের মতোই এই ম্যাচকে দেখছি। প্রতিশোধ শব্দটা মিডিয়ার জন্য। আমাদের কাছে নয়।” প্রতিশোধের ম্যাচ কিনা প্রশ্ন করতে গোয়া থেকে দলের এক সিনিয়র ফুটবলার গড়গড় করে একথা বলে গেলেন। ফুটবলাররা মুখে যাই বলুন, ঘটনা হচ্ছে এই মরশুমে মোহনবাগান একটাই ম্যাচ হেরেছে। আর সেটা চার্চিলে বিরুদ্ধে। তাও ঘরের মাঠে। সেই হারের জ্বালাটা সবুজ-মেরুন আজই জুড়িয়ে নিতে চাইবে, তাতে সংশয় নেই।
মোহনবাগান(Mohun Bagan)-চার্চিল ব্রাদার্স(Churchill Brothers) আজ গোয়ার ফাতোরদা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে। এই ম্যাচের আবহ সত্যি চরমে। আইএসএল-এ যেমন এফসি গোয়া এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার ছাড়পত্র পেয়ে যাওয়ার পর লিগ নিয়ে আগ্রহ হারিয়েছে। কে বলতে পারে, আজ ম্যাচের পর এ মরশুমে আই লিগের ভবিষ্যতের পথ মোটামুটি চূড়ান্ত রূপ নেবে না? হ্যাঁ, যদি মোহনবাগান জিতে যায়, তাহলে ইপিএলে লিভারপুল মতোই রূপ নেবে সবুজ-মেরুন শিবির। ড্র হলে? খুব একটা অস্বস্তির জায়গায় থাকবে তাও নয়। তাই মোহনবাগান অনেকটা খোলামনে খেলতে পারবে। প্রকৃত চাপ বলতে গেলে চার্চিলের উপর। যদি তাদের চ্যাম্পিয়নশিপে লড়তে হয় তাহলে জেতাটা জরুরী। ড্র হলে পিছিয়ে পড়বে।

[আরও পড়ুন: ফুটবলারদের বকেয়া না মেটানোর জের, বড়সড় জরিমানার মুখে মোহনবাগান]
প্রশ্ন হল, মোহনবাগান কি পারবে জিততে? লিগের খেলায় একটাই ম্যাচ হেরেছে ভিকুনাবাহিনী। সেই ম্যাচে চার্চিল জিতেছিল ৪-২ গোলে। তারপর গঙ্গার উপর দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। একদিকে মোহনবাগানের খেলায় যেমন উন্নতি ঘটেছে। দলে পরিবর্তনও ঘটেছে ব্যাপক। অন্যদিকে চার্চিল ক্রমশ পিছিয়েছে। শেষ দু’টো ম্যাচ জিতে আবার ফিরে এসেছে পুরোনো জায়গায়। সবুজ-মেরুন শিবিরের এক সিনিয়র ফুটবলার বলছিলেন, “সকলের মধ্যে চনমনে ভাব। জেতার জন্য মরিয়া মনোভাব স্পষ্ট। মানছি এই ম্যাচটা কঠিন। তার মানে এই নয় যে, আমরা খুব চিন্তায় রয়েছি।” ড্যানিয়েলের খেলার সম্ভাবনা প্রবল। গত তিনটে ম্যাচে খেলেননি। তবু মোহনবাগান জিতেছিল। উইনিং কম্বিনেশন ভাঙার কারণ কি? এবার টিম ম্যানেজমেন্টের এক সদস্য বললেন, “মনে রাখবেন যে ম্যাচগুলো ও খেলেনি সেগুলো ছিল হোম ম্যাচ। এটা কিন্তু অ্যাওয়ে। তারউপর প্লাজা খেলবে। তাই ড্যানিয়েলকে দাঁড় করানো হচ্ছে।”
[আরও পড়ুন:ঘরের মাঠে চেন্নাইয়িনের কাছে হার, শীর্ষস্থানের আশা প্রায় শেষ এটিকের]
মোহনবাগানের যেমন বাবা, বেইতিয়া, ফ্রান গঞ্জালেজ যখন তখন ম্যাচের রং বদলে দিতে পারেন। ঠিক তেমনি চার্চিলে রয়েছেন প্লাজার সঙ্গে সেসে, মাপুইয়ারা। “জানি গোয়ার মাটিতে চার্চিলকে হারানো সহজ নয়। প্লাজাকে আটকাতে গেলে মাপুইয়া গোল করে চলে যাবে। বাঁ পা সেসের অসম্ভব ভাল। সব মিলিয়ে ম্যাচ বের করা কঠিন।” বলছিলেন মোহনবাগান টিম ম্যানেজমেন্টের সদস্যটি।
সর্বশেষ খবর
-
অসহিষ্ণু বিশ্বে এভাবেও ছিন্নমূল প্রেমের গল্প বলা যায়, ‘ম্যায় ওয়াপস আউঙ্গা’য় দেখালেন ইমতিয়াজ
-
ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎকে পরপর চড়, জয়পুরে বিক্ষোভে চরম হেনস্তা! তুঙ্গে উত্তেজনা
-
বিশ্বকাপে ইবোলার থাবা? রোনাল্ডোদের বিরুদ্ধে খেলবে ‘আক্রান্ত’ কঙ্গো, কী করবে ট্রাম্প প্রশাসন?
-
যোগদিবসের আগে যোগাভ্যাসে ব্যস্ত অঙ্কুশ, ‘ময়ূরাসন’ বলে টিপ্পনি সায়ন্তিকার, রসিকতা মিমিরও
-
এবার মিলবে পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধান! মঙ্গলেই জোড়া কর্মসূচিতে কার্শিয়াংয়ে শুভেন্দু