সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবারের আইএসএলের প্রথম ডার্বি (Mohun Bagan vs East Bengal) বলে কথা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই শিবিরের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। আর মাত্র কয়েক ঘন্টা পরেই মর্যাদার বড় ম্যাচের কিক অফ। এর আগে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হল। কারণ শেষ মুহূর্তে মেগা ডার্বির টিকিট বিক্রি নিয়ে চরম বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। স্বভাবতই এমন ঘটনার জন্য ব্যাপক ক্ষুব্ধ দুই প্রধানের সমর্থকরা।
মোহনবাগানের হোম ম্যাচ হলেও, এদিন ডার্বি শুরু হওয়ার আগে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘ম্যাচ আয়োজনের দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষ থেকে এইমাত্র জানালো হল, পুলিশ পারমিশন না দেওয়ার জন্য আজকের খেলার অনলাইন টিকিট-এর রিডিম এবং অফলাইন টিকিট বিক্রি সল্টলেক স্টেডিয়াম থেকে করা যাবে না, তার পরিবর্তে বিকেল ৫:৩০ মিনিট পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁবুতে ‘বুক মাই শো’ এর কাউন্টার থেকে করতে হবে।” স্বভাবতই এমন ঘটনার জন্য বেজায় চটেছে দুই প্রধানের অগণিত সমর্থক।
[আরও পড়ুন: বড় ম্যাচ ঘিরে শচীন-মান্নার মিঠে খুনসুটি! নস্ট্যালজিয়ায় ভাসছেন ইস্ট-মোহন সমর্থকরা]
— East Bengal FC (@eastbengal_fc) February 3, 2024
গত কয়েক বছরের মতো বুক মাই শো অ্য়াপ ও ওয়েবসাইটে বিক্রি হয়েছে ডার্বির টিকিট। এই টিকিট অনলাইনে কাটার পর সমর্থকদের বলা হয়েছিল যুবভারতীয় বক্স অফিস থেকে তা রিডিম করতে। অর্থাৎ, অনলাইনের টিকিটটা অফলাইনে নিতে। তবে ম্যাচ শুরু হওয়ার কয়েক ঘন্টা আগে জানানো হল টিকিট রিডিম করা যাবে না যুবভারতী থেকে। অর্থাৎ, ইস্টবেঙ্গল ক্লাব থেকে টিকিট নিয়ে সমর্থকদের স্টেডিয়ামে যেতে হবে।
শেষ মুহূর্তে এমন সিদ্ধান্তের জন্য সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়বেন দূর থেকে আসা সমর্থকরা। কারণ যাদের দূরে বাড়ি তাঁদের মধ্যে অধিকাংশ অনলাইনে টিকিট কেটে ম্য়াচের আগে যুবভারতী থেকে সংগ্রহ করেন।
[আরও পড়ুন: শীত শেষের শহরে আজ ফুটবল বসন্ত, এই ডার্বি ২ কোচের মগজের লড়াই, বলছেন সঞ্জয় সেন]
সর্বশেষ খবর
-
যারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাংলায় বসবাস করছে তারা সবাই ‘বাঙালি’
-
‘নেতানিয়াহুকে জাহান্নামে পাঠাব’, নিষেধাজ্ঞায় আমেরিকার উপর হামলার হুমকি ইরানের
-
জলরোষে ২০ বছর আগে মৃত্যু ৫ যুবকের, বিধ্বস্ত নেপাল ফেরাল পুরুলিয়ার ডাউরি খালের স্মৃতি
-
পুজোয় টইটইয়ের প্ল্যান? কলকাতার কাছেপিঠেই রয়েছে অপরূপ বিস্ময়, রইল ৫ গন্তব্যের খোঁজ
-
একাধিক তথ্যে অসঙ্গতি! সরল প্রকাশক, ভারতে প্রকাশিত হবে না সোনিয়ার ‘স্মৃতিকথা’?