Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Mohun Bagan

মোহনবাগানই পারে, কেন পিছিয়ে ইস্টবেঙ্গল-মহামেডান? বিশ্লেষণে প্রাক্তন ফুটবলাররা

মোহনবাগানকে দেখে শেখা উচিত অন্য দুই প্রধানের ম্যানেজমেন্টের, মত প্রাক্তনীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৫, ১৯:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৫, ১৯:৫৮

options
link
মোহনবাগানই পারে, কেন পিছিয়ে ইস্টবেঙ্গল-মহামেডান? বিশ্লেষণে প্রাক্তন ফুটবলাররা zoom

প্রসূন বিশ্বাস ও অর্পণ দাস: টানা দ্বিতীয়বার ভারতসেরা মোহনবাগান। তাও সেটা ২ ম্যাচ বাকি থাকতেই। আইএসএলের কোনও দলই পর পর দুবার শিল্ড পায়নি। ক্লিনশিট থেকে ঘরের মাঠে জয়। সব ক্ষেত্রেই প্রতিপক্ষের থেকে অনেকটাই এগিয়ে মোলিনার দল। আর সেখানে ইস্টবেঙ্গল দাঁড়িয়ে আছে নবম স্থানে। প্লে অফে ওঠার অঙ্কে অসংখ্য জটিলতা। মহামেডানের অবস্থা আরও খারাপ। লিগ টেবিলে সবার নীচে সাদা-কালো বাহিনী। ময়দানের বাকি দুই প্রধানকে কোথায় টেক্কা দিল মোহনবাগান? সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালে চুলচেরা বিশ্লেষণে সঞ্জয় সেন, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যশিলটন পাল

সঞ্জয় সেনের সাফ বক্তব্য, সাফল্যের রাস্তায় হাঁটতে হলে সবুজ-মেরুনের মতো ধারাবাহিক ও ধৈর্য্যশীল হতে হবে দুই প্রধানকে। সন্তোষ জয়ী কোচের বক্তব্য, “মোলিনা অবশ্যই ভাগ্যবান যে এরকম শক্তিশালী দল পেয়েছে। যার কৃতিত্ব সঞ্জীব গোয়েঙ্কাকেও দিতে হয়। ভারতের সেরা ফুটবলাররা মোহনবাগানে। বিদেশিদের ক্ষেত্রেও একই কথা বলতে হয়। রিজার্ভ বেঞ্চ প্রচণ্ড শক্তিশালী। কিন্তু তাঁদের কীভাবে, কোন সময়ে ব্যবহার করা হবে, তার কৃতিত্ব সম্পূর্ণভাবে মোলিনার। ইস্টবেঙ্গল-মহামেডানও সেটা পারতে পারে। এই ধারাবাহিকতার জন্য আর্থিক স্থিরতা দরকার। কিন্তু আজ একজন আছে, কাল নেই। এখানেই তারা পিছিয়ে গিয়েছে। বরং বাকিদের উচিত মোহনবাগানের সাফল্য দেখে উব্ধুদ্ধ হওয়া।”

Advertisement

ম্যানেজমেন্টের যে তফাৎ রয়েছে, সেটা বলছেন প্রাক্তন ফুটবলার মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যও। দুই প্রধানের হয়ে খেলা প্রাক্তন ডিফেন্ডার বলছেন, “মোহনবাগান প্রথম থেকেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো ফুটবল খেলেছে। তাদের রিজার্ভ বেঞ্চ অন্যান্য অনেক দলের থেকে ভালো। ফলে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা অনেক বেড়ে যায়। সেটা পারফরম্যান্স ভালো করতে বাধ্য। দলগঠনের পার্থক্য একটা বড় বিষয়। তাই অল্পবিস্তর চোট-আঘাতের সমস্যা হলেও কখনও মনে হয়নি এই দলটায় খামতি রয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের ক্ষেত্রে সেটা সম্ভব হয়নি। অস্কার যখন খেলাটা ধরেছেন, তখন একাধিক চোট-আঘাতের সমস্যা হয়েছে। হাতে সেভাবে বিকল্পও ছিল না। তবে এটা ঠিক যে, মোহনবাগান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দাবিদার।”

একই বক্তব্য মোহনবাগানের প্রাক্তন গোলকিপার শিলটন পালেরও। তিনি জানান, “খুব পরিকল্পনা করে দলগঠন করেছে মোহনবাগান। যে বাজেটে দল তৈরি করছে এবং যে মানের ফুটবলার আনা হচ্ছে, তাতে চ্যাম্পিয়ন হওয়াটাই স্বাভাবিক। প্রতিটা জায়গায় সেরা প্লেয়ার রয়েছে। যদি বিশাল না খেলতে পারে, তাহলে বিকল্প হিসেবে ধীরাজ সিং আছে। ইস্টবেঙ্গলেও বিকল্প আছে, তবে দলের মধ্যে সুস্থ পরিবেশ না থাকলে সমস্যা হবেই। শেষ কয়েক বছরে নানা বিষয়ে গোলযোগ হয়েছে। আভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধান না করতে পারলে, এরকম চলবে। মহামেডান প্রথম বছর এসেছে ঠিকই, তাদেরও একই পরিস্থিতি। সেটা না কাটাতে পারলে সাফল্য আসা মুশকিল।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.