Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২০ জুন ২০২৬
Mohun Bagan

দল ঠিকই গোল পাবে, ভরসা ছিল মোলিনার, দশ মিনিটেই ম্যাচের সেরা হয়ে বিস্মিত স্টুয়ার্ট

মরশুম শেষে সমর্থকদের সঙ্গে সাফল্য উদযাপন করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবেন স্টুয়ার্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০২৪, ০৯:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০২৪, ০৯:২৭

options
link
দল ঠিকই গোল পাবে, ভরসা ছিল মোলিনার, দশ মিনিটেই ম্যাচের সেরা হয়ে বিস্মিত স্টুয়ার্ট zoom
ছবি: মোহনবাগান সোশাল মিডিয়া।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চেন্নাই বধ করে ফের আইএসএলের শীর্ষে মোহনবাগান। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে ৮৬ মিনিট পর্যন্ত। শেষ পর্যন্ত মোহনবাগানকে জয় এনে দেন ‘সুপার সাব’ জেসন কামিংস। আরেক বদলি গ্রেগ স্টুয়ার্ট একমাস পর মাঠে নেমেই ম্যাচের সেরা। কিন্তু পরিস্থিতি যাই থাকুক না কেন, দল যে গোল পাবেই, সে বিষয়ে পূর্ণ আস্থা ছিল কোচ মোলিনার।

ম্যাচের পর তিনি জানান, “আমি কখনও ভাবিনি যে ম্যাচ হাত থেকে বেরিয়ে গেছে। দলের ওপর আমার আস্থা আছে। জানতাম যে কোনও সময় গোল হবে। সেই ভেবেই পরিবর্তনগুলো করি, যাতে ওরা আমাদের জেতাতে পারে। মাঠে দল নামালে আমি কখনও হাল ছেড়ে দিই না। যদি এক গোলে পিছিয়েও থাকতাম, তাহলেও মনে হত, আমরা ড্র করতে পারি। ইতিবাচক থাকলে ভাগ্য ঠিকই সঙ্গ দেয়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অন্যদিকে চোট সারিয়ে মাঠে নেমেই চমকে দিয়েছেন স্টুয়ার্ট। তাঁর শট বারে লেগে ফেরে। ফিরতি বল থেকেই জালে বল জড়িয়ে দেন কামিংস। দিমি-ম্যাকলারেনরা যে কাজটা করতে পারছিলেন না, মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গেই সেটা করে দিয়েছেন স্টুয়ার্টরা। মাত্র ১০ মিনিট খেলেই ম্যাচের সেরা তিনি। বলে গেলেন, “মাত্র পাঁচ-দশ মিনিট খেলে ম্যাচের সেরার খেতাব পাওয়াটা আমার কাছে বড় চমক। কোচ যখন বললেন, আমি পুরস্কারটা পেয়েছি, তখন হেসে ফেলি। তবে ম্যাচের সেরা হওয়ার চেয়ে দলের জয়টা আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি যে পুরো ফিট নন, সেটাও জানালেন।

সেই সঙ্গে স্টুয়ার্ট ধন্যবাদ দিচ্ছেন ভক্তদেরও। তিনি বললেন, “গত ম্যাচে যে বিশাল টিফোটা ওরা এনেছিল, তা দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গিয়েছি। এরকম টিফো আগে কোথাও দেখিনি। কলকাতায় আসার পর থেকেই প্রচুর মানুষের ভালবাসা পেয়েছি। বিমানবন্দরে নামার সময়েও এমন জয়ধ্বনি শুনেছিলাম। যে কোনও বিদেশি খেলোয়াড়েরই ব্যাপারটা হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। এখানে সবাই খুব ভালো মানুষ। সমর্থকরা সব ম্যাচে আমাদের সঙ্গে থাকে। আশা করি, মরশুমের শেষে আমরা সবাই মিলে সাফল্য উদযাপন করতে পারব। জানি, কাজটা সোজা নয়। তবে সমর্থকদের ভালোবাসা সঙ্গে থাকলে সব সম্ভব।”

স্টুয়ার্টের প্রত্যাবর্তন যদি মোলিনাকে আশ্বস্ত করে, তবে চাপ বাড়বে আলবার্তো ও শুভাশিসকে নিয়ে। কার্ড সমস্যায় পরের ম্যাচে নেই ডিফেন্সের দুই তারকা। সেটা নিয়ে যে দুশ্চিন্তায় আছেন, সেটা অস্বীকার করছেন না মোলিনা। তিনি জানালেন, “আমাদের জন্য এটা কঠিন পরিস্থিতি। কারণ, আমাদের হাতে বেশি ডিফেন্ডার নেই। তবে এই সমস্যার সমাধান পাওয়ার ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। এটা নিয়ে আমাকে আরও ভাবতে হবে। আমাদের দলের একাধিক খেলোয়াড় বিভিন্ন পজিশনে খেলতে পারে। আগামী সপ্তাহে অনুশীলনে অনেককে দেখতে হবে। দেখা যাক, কী উপায় খুঁজে পাওয়া যায়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.