এ যেন সমস্যা মিটেও মিটতে চাইছে না। সমস্যা বলতে আইএসএল শুরু হওয়ার কথা বলছি। সব মিটে গিয়ে যখন মনে হচ্ছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ধুমধাম করে শুরু হবে, ঠিক তখনই ফের সমস্যা। দ্রুততার সঙ্গে যদি এই সমস্যার জট না খোলে, তাহলে কিন্তু আইএসএল শুরু করা নিয়ে ফের সমস্যা হতে পারে।
ফেডারেশন যখন শর্ট টার্মের আইএসএল শুরুর জন্য একেবারে শেষ পর্বে এসে গিয়েছে, ঠিক তখনই আবার ১৪ দলের আইএসএলে নতুন করে চার্চিল ব্রাদার্সকে ঢোকানোর দাবি উঠেছে। তালে গোলে এবারের আইএসএলে ঢুকে পড়ার জন্য চার্চিলও যতরকম ভাবে যোগাযোগ লাগানো যায়, তার চেষ্টা করছে। তারই ফলস্বরূপ এদিন সোমবার ফেডারেশনের যে কার্যকরী কমিটির মিটিং ছিল, তা কোরামের জন্য বাতিল না হলে এদিনই চার্চিলকে এবারের আইএসএলে নিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব পাশ হয়ে যেত। এদিনের বাতিল মিটিংয়েও তিনজন কার্যকরী কমিটির সদস্য লিখিত চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেয়, তাঁরা চার্চিলকে এবারের আইএসএলে নেওয়ার পক্ষে। কোরাম না হওয়ায় এদিনের মিটিং বাতিল হয়। এদিকে, ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে আইএসএল। ইন্টারকাশী এখনও নিশ্চিত করে বলতে পারেনি, তাদের হোম গ্রাউন্ডের ম্যাচ কোথায় খেলবে। নাহলে ক্রীড়াসূচি মোটামুটিভাবে তৈরি। এরমধ্যে যদি দ্রুততার সঙ্গে মিটিং ডেকে চার্চিলকে নেওয়ার প্রস্তাব পাশ করিয়ে ফেডারেশন জানিয়ে দেয়, চার্চিলকেও নিতে হবে, তাহলে তো আবার নতুন করে সব প্রস্তুতি নিতে হবে। তাহলে কি ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আইএসএল শুরু করা সম্ভব হবে?
আরও পড়ুন:
যদি দ্রুততার সঙ্গে মিটিং ডেকে চার্চিলকে নেওয়ার প্রস্তাব পাশ করিয়ে ফেডারেশন জানিয়ে দেয়, চার্চিলকেও নিতে হবে, তাহলে তো আবার নতুন করে সব প্রস্তুতি নিতে হবে। তাহলে কি ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আইএসএল শুরু করা সম্ভব হবে?
প্রথমে ভাবা হয়েছিল, অর্থের অভাবে ওড়িশা বোধহয় এবারের আইএসএল খেলবে না। সেই জায়গাতেই চার্চিল ব্রাদার্সকে ঢোকানোর ভাবনা হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন আগেই দলের ফুটবলারদের ওড়িশা জানিয়েছে, খেলতে হলে মাত্র তিন মাসের জন্য বেতন পাবেন ফুটবলাররা। এই শর্তে যাঁরা খেলবেন, যোগ দিতে পারেন। সেইমতো ফুটবলাররা যোগ দিয়েছে ওড়িশার প্র্যাকটিসে। ওড়িশা খেলবে জানার পর এখন লিগের ১৫ নম্বর দল হিসেবে চার্চিলকে ঢোকানোর প্রয়াস চলছে।
এটা তো গেল শেষ মুহূর্তে চার্চিলকে আইএসএলে ঢোকানোর প্রয়াস। তার উপরেও রয়েছে মারাত্মক সমস্যা। ক্লাবদের নিয়ে যে গভর্নিং কাউন্সিল করার প্রস্তাব হয়েছে, সেই প্রস্তাবিত চ্যাটারে এখনও পর্যন্ত সই করেনি কোনও ক্লাব। যে চ্যাটারে উল্লেখ রয়েছে, প্রতিটি ক্লাবকে দিতে হবে ১ কোটি করে টাকা। এদিকে, খেলা শুরু হয়ে যাবে আর চারদিন পর। কিন্তু এখনও প্রস্তাবিত চ্যাটারে ক্লাবরা সই না করলে, খেলা শুরু হওয়ার পর এমন কোনও গ্যারান্টি থাকবে না যে, ক্লাবগুলি টাকা দেবে। আবার ক্লাবরা টাকা না দিলে আইএসএল করাও সমস্যার হবে। ক্লাবগুলি এখন মান্দার, রবি পুস্কর আর ধ্রুবসকে নিয়ে তিন সদস্যর কমিটি করে ক্রীড়াসূচি থেকে যাবতীয় কাজ চালাচ্ছে। কোনও গভর্নিং কাউন্সিল এখনও পর্যন্ত গঠিত হয়নি। ফলে ফেডারেশন বুঝতে পারছে না, ক্লাবগুলি আদৌ ১ কোটি করে টাকা ফেডারেশনকে দেবে কি না।

ক্লাবরা যেহেতু এখনও চ্যাটারে সই করেনি, ফেডারেশন তাই প্রতিটি ক্লাবের থেকে ১ কোটি টাকা পাওয়ার জন্য নতুন একটি পরিকল্পনা করতে চলেছে। ঠিক হয়েছে, প্রতিটি ক্লাবকে চিঠি পাঠিয়ে আইএসএলে অংশগ্রহণ ফি বাবদ ১ কোটি টাকা চাওয়া হবে। ক্লাবরা যদি ফেডারেশনের পাঠানো চিঠিতে সই করে দেয়, তাহলে ফেডারেশন নিশ্চিত হয়ে যাবে, টাকা পাওয়া যাবে। কিন্তু ভারতীয় ফুটবল অন্দরের যা খবর, তাতে চার্চিল ব্রাদার্সকে যদি নতুন করে এবারের আইএসএলের ঢোকানোর জন্য ফেডারেশন কোনও ফতোয়া জারি করে, ক্লাবগুলি কিছুতেই তা মেনে নেবে না। সেরকম ফেডারেশনের চ্যাটারেও এই মুহূর্তে ক্লাবরা সই করবে না বলেই ঠিক করেছে। তবে আইএসএলের ম্যাচ খেলার জন্য ক্লাবরা সবরকম প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে। যেরকম, ১৪ ফেব্রুয়ারি আইএসএসলের প্রথম ম্যাচ খেলার জন্য বুধবার থেকে ম্যাচ টিকিটের উপর স্টাম্পিং শুরু করবে মোহনবাগান।
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা
-
সাতসকালে শওকত মোল্লার বাড়িতে এনআইএ হানা, তল্লাশির আগেই ‘পলাতক’ তৃণমূল নেতা
-
৪ জুন ২০২৬: মীন রাশির আজকের দিন