Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

কোচিং করাবেন কে? লাল-হলুদ শিবিরে তুলকালাম সুভাষ-খালিদের

দুই কোচের দ্বন্দ্বে ঘোর সমস্যায় ফুটবলার থেকে কর্তারা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০১৯, ১৮:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০১৯, ১৮:৩৬

options
link
কোচিং করাবেন কে? লাল-হলুদ শিবিরে তুলকালাম সুভাষ-খালিদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্কছ: কোচ কে? ফুটবলারদের প্রশিক্ষণ দেবে কে? এই নিয়েই তুলকালাম বেধে গেল সুভাষ ভৌমিক আর খালিদ জামিলের। বৃহস্পতিবার অনুশীলনের সময় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে ছাইচাপা আগুন আর চাপা থাকল না। বরং দাউদাউ করে জ্বলে উঠল।

[  এই প্রথম নয়, ঘরোয়া ক্রিকেটেও বল বিকৃতির চেষ্টা করেছিলেন স্মিথ-ওয়ার্নার! ]

Advertisement

আগুন যে চাপা ছিল তা ইস্টবেঙ্গলের অতিবড় সমর্থকও জানেন। বড় সাধ করে আইলিগ জয়ী কোচকে গত মরশুমে দলের দায়িত্বে এনেছিলে কর্তারা। কিন্তু লিগ পাওয়া তো দূরের কথা, তুকতাকের অভিযোগ নিয়েই কোচ সারাক্ষণ শিরোনামে রইলেন। এই পরিস্থিতিতে দলের হাল ফেরাতে টিডির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অতীতের বিশ্বাসযোগ্য সেনাপতি সুভাষ ভৌমিককে। তারপর থেকেই মাথাচাড়া দিয়েছিল প্রশ্ন। সুভাষের অধীনে কাজ করতে পারবেন তো খালিদ? অনুশীলন দিনকয়েক গড়ানোর পরই আসল ছবিটা সামনে চলে এল।

 বল বিকৃতি কাণ্ডের জের, অস্ট্রেলিয়ার কোচের পদ ছাড়লেন লেহম্যান ]

বৃহস্পতিবার অনুশীলনে কার্যত দুজনের মধ্যেই যুদ্ধই বেধে যায়। খালিদের ইচ্ছা, তিনি কোচিং করান। অন্যদিকে সুভাষের বক্তব্য, তিনি দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর। সুতরাং দলে কখন কী হবে, তিনিই ঠিক করবেন। কোচিং তিনিই করাবেন। এরপর খালিদের যুক্তি, দল দু’জনকেই কোচিংয়ের দায়িত্ব দিয়েছে। সুভাষ যখন কয়েকদিন কোচিং করিয়েছেন, তখন একটা দিন তাঁকেও ‘এ টু জেড’ কোচিং করানোর ছাড়পত্র দেওয়া হোক। কিন্তু তা মানতে নারাজ সুভাষ। দৃশ্যত উত্তেজিত দেখায় তাঁকে। খালিদকে তিনি বলেন, দলে খালিদের কিছু ফুটবলার আছে। তাঁরা সংখ্যায় খুব কম। বাকি সব তাঁরই পক্ষে। এ কথা শুনে যারপরনাই অপমানিত হন খালিদ। কর্তাদের এ ব্যাপারে তিনি নালিশও করেছেন বলে জানা যাচ্ছে।

[  কপিল দেব, শচীনের পাশে এবার মাদাম তুসোয় ঠাঁই পেলেন বিরাটও ]

এদিকে এই দ্বন্দ্বে ঘোর বিপদে পড়েছেন ফুটবলাররা। খালিদ তাঁদের একরকমভাবে ম্যাচের ভিডিও ক্লিপিংস দেখতে শিখিয়েছেন। সুভাষ এসেই সে সব বদলে দিয়েছেন। খালিদের কোনও নিয়মই খাটছে না। চাপানউতোর বেশ ভালই টের পাচ্ছেন কর্তারা। কিন্তু সমাধান কোথায়? যা পরিস্থিতি তাতে সুপার কাপে দুই কোচ একসঙ্গে বাসে চেপে ভুবনেশ্বর গেলে হয়!

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.