Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Messi World Cup

‘বিশ্বকাপ ফাইনালে ভুল করেছিলাম’, মেসির গোল বাতিলের দাবির মাঝেই স্বীকারোক্তি রেফারির

ফরাসি সমর্থকদের খোঁচা দিয়ে পিটিশন বানালেন আর্জেন্টিনার ফুটবলপ্রেমীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০২২, ১২:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০২২, ১২:২৭

options
link
‘বিশ্বকাপ ফাইনালে ভুল করেছিলাম’, মেসির গোল বাতিলের দাবির মাঝেই স্বীকারোক্তি রেফারির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফাইনালে (World Cup Final) লিওনেল মেসির গোলের সময়ে নিয়মভঙ্গ করেছিল আর্জেন্টিনা শিবির। এই অভিযোগ তুলে মেসির গোল বাতিলের দাবিতে সরব ফ্রান্সের ফুটবল মহল। এহেন পরিস্থিতিতে মুখ খুললেন ফাইনালের রেফারি সিমোন মারসিনিয়াক। সাফ জানিয়ে দিলেন, আর্জেন্টিনা বনাম ফ্রান্সের ম্যাচে তিনি একটি ভুল করেছিলেন। তাঁর এই স্বীকারোক্তির পরে উত্তাল ফুটবল দুনিয়া। অন্যদিকে, ফরসি সমর্থকদের উদ্দেশ্যে একটি পিটিশন সই করছেন আর্জেন্টিনার ফুটবলভক্তরা। প্রায় সাড়ে ছয় লক্ষ মানুষের সই করা এই পিটিশনের দাবি, কান্না থামাও ফ্রান্স।

ফাইনালের পরেই একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়। সেখানে দাবি করা হয়, অতিরিক্ত সময়ে মেসি (Lionel Messi) যে গোলটি করেছেন তা বাতিল করা হোক। তার কারণ, ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মেসি যখন গোল লক্ষ্য করে শট মারছেন সেই সময়ে মাঠের মধ্যে ঢুকে পড়েছেন আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা। রিজার্ভ বেঞ্চে থাকা ফুটবলাররা যদি মাঠে উপস্থিত থাকেন, আর সেই সময়ে সেই দল গোল করে দেয়, তাহলে গোলটিকে বাতিল করার কথা লেখা রয়েছে ফিফার নিয়মে। সেই যুক্তিতেই সরব হয়েছেন ফুটবলপ্রেমীরা। কী করে এই বিষয়টি রেফারির নজর এড়িয়ে গেল, সেই অভিযোগও আনা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সাও পাওলোর হাসপাতালেই ক্রিসমাস উদযাপন, পেলের পাশে গোটা পরিবার]

এই প্রসঙ্গে প্রথমবার মুখ খুললেন ফাইনালের পোলিশ রেফারি সিমোন। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্বীকার করেছেন, ফাইনাল খেলাতে গিয়ে তাঁর একটি ভুল হয়েছিল। সেই সঙ্গে এমবাপের গোলের একটি ছবি দেখিয়েছেন তিনি। রেফারির বক্তব্য, “এই ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, এমবাপের গোলের সময়ও মাঠে ঢুকে পড়েছেন একাধিক ফরাসি ফুটবলার। তাহলে সেটা নিয়ে কেউ মুখ খুলছেন না কেন?” তবে সিমোন মেনে নিয়েছেন, একটা সময়ে ফ্রান্সের আক্রমণ থামিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। “সেই সময় বিশ্রী ফাউল করেছিল আর্জেন্টিনার মার্কোস আকুনা। তখন ফ্রান্স পুরোদমে আক্রমণ করছিল, কিন্তু আমার মনে হয়েছিল ওই সময়ে খেলা থামিয়ে কার্ড দেখানো উচিৎ। সেটা হয়তো না করলেও হত। এছাড়া আর কোনও ভুল হয়নি ফাইনালে”, স্পষ্ট মত সিমোনের।

বিশ্বকাপ ফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর দলের হার এখনও হজম করতে পারেননি ফরাসি সমর্থকরা। কার্যত তাঁদের কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিয়ে একটি পিটিশন শুরু করলেন আর্জেন্টিনার ফুটবলপ্রেমীরা। ওই পিটিশন প্রকাশিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সাড়ে ছয় লক্ষ মানুষ সই করে দিয়েছেন। ভ্যালেন্টিন গোমেজ নামে এক আর্জেন্টিনা ভক্তের বানানো ওই পিটিশনের দাবি, কান্না থামাক ফরাসি সমর্থকরা। ভ্যালেন্টিনের দাবি, ফরাসিরা কান্না থামিয়ে বুঝে নিক যে মেসিই শ্রেষ্ঠ, আর এমবাপে তাঁর ছেলের সমান। বিশ্বকাপ শেষ হয়ে ক্লাব ফুটবলের মরসুম আবার শুরু হতে চলেছে। তা সত্বেও মেগা টুর্নামেন্ট নিয়ে বিতর্কের ঝড় থামছে না।

[আরও পড়ুন: তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত আমেরিকায় মৃত বেড়ে ৩১, বিদ্যুৎহীন ২ লক্ষ মানুষ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.