×

৪ ফাল্গুন  ১৪২৫  রবিবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

মোহনবাগান: ২ (ডি’সিলভা, ডিকা)
গোকুলাম এফসি: ২ (লালচনকিমা, জোসেফ)

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সময়টা একেবারেই ভাল যাচ্ছে না মোহনবাগানের।আই লিগ জয়ের স্বপ্ন ইতিমধ্যেই ভঙ্গ হয়েছে। এখন শুধুই লিগ তালিকায় প্রথম চারে থেকে মানরক্ষার লড়াই চলছে। কিন্তু সেখানেও ব্যর্থতা। নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়ুল মেরে একপ্রকার জেতা ম্যাচ ড্র করলেন খালিদ জামিলের ছেলেরা।

[জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে চূড়ান্ত অব্যবস্থা, মাটিতে ঘুমাতে হল সাইক্লিস্টদের]

ইস্টবেঙ্গলের কাছে যেভাবে ডার্বিতে পর্যুদস্ত হতে হয়েছে মোহনবাগানকে, তারপর তুলনামূলক দুর্বল দলও তাদের হালকাভাবে নিতে শুরু করেছে। বুধবার মাঠে বল গড়ানোর আগের দিনই বিষয়টা স্পষ্ট হয় গোকুলামের নবাগত স্ট্রাইকার মার্কোস জোসেফের বক্তব্যে। আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি বলেছিলেন, মোহনবাগান ডিফেন্ডারদের খেলা তিনি দেখেছেন। কিন্তু তাঁকে  প্রতিপক্ষ দেখেননি। বুঝিয়ে দেবেন তিনি কে। আর সেটাই হবে গোকুলামের ট্রাম্প কার্ড। বাস্তবে হলও তাই। পিছিয়ে পড়েও তাঁর গোলেই এগিয়ে যায় আই লিগ তালিকার নিচের দিকে থাকা দলটি। কিন্তু তার আগেই যা কাণ্ড ঘটানোর ঘটিয়ে ফেলেছিলেন লালচনকিমা। দলের দুর্দিনে আত্মঘাতী গোল করে রীতিমতো খলনায়ক হয়ে গেলেন তিনি।

খেলার শুরুতেই গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়ে মোহনবাগানকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর অক্সিজেন জোগাচ্ছিলেন শিল্টন ডি’সিলভা। কিন্তু তাঁর সমস্ত খাটনিতে জল ঢেলে দিলেন লালচনকিমা। মোহনবাগান এগিয়ে যাওয়ার মিনিট দুয়েক পরই তাঁর আত্মঘাতী গোলেই সমতায় ফেরে গোকুলাম। সেই আত্মবিশ্বাসে ভর করেই সবুজ-মেরুন ডিফেন্ডারদের জোসেফ সত্যিই বুঝিয়ে দেন, তিনি কে। শেষমেশ একটি গোল শোধ করে ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট নিশ্চিত করেন ডিকা। কিন্তু এদিন তিনি গোলের যেসব সুযোগ হাতছাড়া করেছেন, তার জন্য হয়তো রাতে তাঁর ঘুম হবে না। সোনি নর্ডির মাপা ক্রস থেকেও বল জালে জড়াতে পারেননি তিনি। গোলের একাধিক সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি মোহনবাগান। ডার্বিতে হার যে কীভাবে গঙ্গাপারের ক্লাবের শিরদাঁড়া মচকে দিয়েছে, তা খালিদ জামিলের বডি ল্যাঙ্গুয়েজেও স্পষ্ট। তাই তো দল সমতায় ফিরতেই মাটিতে মাথা ঠেকালেন তিনি। যেন সম্মানটা বেঁচে গেল। কিন্তু সত্যিই কি বাঁচল? কারণ মোহনবাগানের এই ম্যাচ বয়কট করেছিলেন  সমর্থকরা। স্পনসরের অভাব থেকে ডার্বি হার, সব মিলিয়ে তিতিবিরক্ত সবুজ-মেরুন ভক্তরা। আর সেখানে ঘরের মাঠেও গোকুলামকে হারানো গেল না। ১৫ ম্যাচে বাগানের সংগ্রহ ২২ পয়েন্ট। সুতরাং খালিদের কোচিং নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন যে উঠেই গেল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

 

Dicka’s goal in the second half allows @Mohun_Bagan to share spoils with @GokulamKeralaFC at the end of the match.#MBGKFC #HeroILeague #ILeagueIConquer pic.twitter.com/3H37Bks1R9

— Hero I-League (@ILeagueOfficial) January 30, 2019

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং