Advertisement
Advertisement
Neymar FIFA World Cup 2026

‘চেষ্টা করেছি…’, ব্রাজিল ছিটকে যেতেই চোখের জলে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় নেইমারের

১৬ বছর আগে আমেরিকার মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই ব্রাজিলের জার্সিতে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয়েছিল নেইমারের। রবিবার রাতে সেই মাঠেই শেষ হল তাঁর দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক কেরিয়ার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ১৪:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ১৪:৩৬

options
link
‘চেষ্টা করেছি…’, ব্রাজিল ছিটকে যেতেই চোখের জলে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় নেইমারের zoom
শেষ হয়েছে তাঁর ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক কেরিয়ার।
Advertisement

১৬ বছর আগে আমেরিকার মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই ব্রাজিলের জার্সিতে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয়েছিল নেইমারের (Neymar)। রবিবার রাতে সেই মাঠেই শেষ হল তাঁর ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক কেরিয়ার। বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) প্রিকোয়ার্টারে নরওয়ের কাছে হারের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারের।

শেষ বাঁশি বাজার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি নেইমার। মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। সতীর্থরা তাঁকে সান্ত্বনা দেন। পরে মিক্সড জোনে সাংবাদিকদের বলেন, “আমি অনেক চেষ্টা করেছি। নিজের সেরাটা উজাড় করে দিয়েছি। কিন্তু এবার সব শেষ। এখানেই আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল, এখানেই শেষ করলাম।” চোট, ফর্মের ওঠানামা এবং মাঠের বাইরের নানা বিতর্ক পেরিয়েও বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন ৩৪ বছর বয়সি এই তারকা। কোচ কার্লো আন্সেলোত্তি তাঁকে সেই সুযোগও দিয়েছিলেন। যদিও শেষটা হল ট্র্যাজেডির। ষষ্ঠবারের চেষ্টাতেও হেক্সার স্বপ্নপূরণ হল না ব্রাজিলের। ইউরোপীয় অভিশাপ কাটিয়ে উঠতে পারল না নেইমারের ব্রাজিল।

Advertisement
FIFA World Cup 2026: Neymar broke down in tears after Brazil’s loss to Norway
নরওয়ের কাছে হারে কান্নায় ভেঙে পড়লেন নেইমার। ছবি সংগৃহীত।

চোট নিয়েই বিশ্বকাপে আসা নেইমার গ্রুপ পর্বের প্রথম দু’টি ম্যাচ খেলতে পারেননি। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বদলি হিসাবে মাঠে নামেন। জাপানের বিপক্ষে খেলেননি। নরওয়ের বিপক্ষেও নেইমারকে বদলি হিসাবেই মাঠে নামান কোচ। খেলেন মাত্র ৩৭ মিনিট। ম্যাচের শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে একটি গোল করে ব্যবধান কমালেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি নেইমার। মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন ব্রাজিলের এই তারকা ফুটবলার।

২০১০ সালে ব্রাজিলের হয়ে অভিষেকের পর জাতীয় দলের জার্সিতে ১৩০ ম্যাচে ৮০ গোল করেছেন নেইমার। রয়েছে চারটি হ্যাটট্রিকও। ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসাবে তিনি কেরিয়ার শেষ করলেন। নেইমার খেলেছেন চারটি বিশ্বকাপ। জাতীয় দলের হয়ে তিনি জিতেছেন ২০১২ অলিম্পিকে রুপো, ২০১৬ অলিম্পিকে সোনার পদক এবং ২০১৩ কনফেডারেশনস কাপের শিরোপা। তবে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন আর পূরণ হল না। ব্রাজিল ফুটবলের ইতিহাসে ট্র্যাজিক নায়ক হিসাবে থেকে যাবেন তিনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.