Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৭ জুন ২০২৬
ISL

মিটতেই চাইছে না সমস্যা! আইএসএলে অবনমন ইস্যুতে এখনই আদালতে যাচ্ছে না AIFF

এবারের আইএসএলে খেলবে ওড়িশা এফসি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৮:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৮:১৫

options
link
মিটতেই চাইছে না সমস্যা! আইএসএলে অবনমন ইস্যুতে এখনই আদালতে যাচ্ছে না AIFF zoom
প্রতীকী ছবি।

দুলাল দে: গত মঙ্গলবারই কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আইএসএল শুরু হবে। সেদিনই সব ক্লাব মৌখিকভাবে জানিয়ে দিয়েছিল তারা খেলবে। কিন্তু ওড়িশা এফসির থেকে লিখিত চাওয়া হয়েছিল। এই মরশুমে আইএসএল খেলার বিষয়ে লিখিত সম্মতি দেওয়ার সেই সময়সীমা ছিল শুক্রবার। কিন্তু শুক্রবারও ফেডারেশন দপ্তরে ওড়িশার সেই লিখিত সম্মতি পৌঁছায়নি। বরং জানা গিয়েছে, ওড়িশার তরফে সোমবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত লিখিত সম্মতি দেওয়ার জন্য সময়সীমা চাওয়া হয়েছে।

তবে এমন পরিস্থিতিতে কিছু বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই ভাবতে শুরু করে দিয়েছে বেশ কয়েকটি ক্লাব। যদিও তারা সবাই আইএসএল খেলার বিষয়ে ক্রীড়ামন্ত্রীর সামনে মৌখিক সম্মতি দিয়ে এসেছিল। এখন বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অবনমন নিয়ে। যেহেতু, নতুন সংবিধান মেনে নিয়েছেন ফেডারেশন কর্তারা, সেই সংবিধান অনুযায়ী শীর্ষলিগে অবনমন রাখতেই হবে। স্বাভাবিকভাবে লিগে অবনমন থাকছে। অবনমন হলে আগামী মরশুমে আই লিগে খেলতে হবে অবনমন হওয়া দলকে। ক্লাবগুলো ভেবেছিল এমন পরিস্থিতিতে হয়তো ফেডারেশন আদালতে গিয়ে এবারের আইএসএলে অবনমন বন্ধ রাখার জন্য আবেদন করবে। এখনও পর্যন্ত এআইএফএফের অবনমন নিয়ে আদালতে যাওয়ার কোনও পরিকল্পনা নেই। বরং ফেডারেশন চাইছে, ক্লাবেরা আদালতের কাছে আবেদন করুক এবার অবনমন বন্ধ রাখার জন্য। ক্লাবগুলো এই বিষয়টি ভালোভাবে নিচ্ছে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অন্যদিকে, কমার্শিয়াল পার্টনারের জন্য যে টেন্ডার ডাকার প্রক্রিয়াটি রয়েছে সেই কাজেও খুব একটা অগ্রগতি হয়নি। আরও একটা বিষয় নিয়ে ক্লাবগুলোর মধ্যে প্রশ্ন উঠছে। ঠিক হয়েছে, ক্লাবগুলো এক কোটি টাকা করে দেবে ফেডারেশনকে। সেই মতো চোদ্দটি ক্লাব এক কোটি করে টাকা দিলে ফেডারেশন পাবে ১৪ কোটি টাকা। সেখান থেকে আইএসএলের সম্প্রচারের প্রোডাকশনের জন্য ফেডারেশন দেবে সাড়ে ৯ কোটি টাকা। ক্লাবগুলোর প্রশ্ন, এমন পরিস্থিতিতে কেন সাড়ে চার কোটি টাকা ফেডারেশনকে বেশি দেবে তারা। এর উপর ক্লাবগুলো আরও একটি ভাবনা ভাবছে, সেটি হল ফুটবলারদের বেতন কমানোর। সেই বিষয় নিয়েও ফুটবলাররা ভালোভাবে নিচ্ছে না।

ইতিমধ্যেই একাধিক বিদেশি ফুটবলার আইএসএল ছেড়ে অন্য লিগে চলে গিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আরও বিদেশি ফুটবলার হয়তো অন্য দেশে চলেও যাবেন। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর ঘোষণার পর হয়তো ভাবা হয়েছিল, সমস্যার মেঘ কেটে গিয়ে আকাশ পরিষ্কার। কিন্তু ঘোষণার পর কয়েক দিন কেটে গেলেও মনে হচ্ছে, সমস্যা যেন পুরো মেটেনি। সোমবার বিকেলের পরই পরিষ্কার হবে ওড়িশা এফসি এবারের আইএসএলে খেলবে কি খেলবে না, সেই বিষয়টি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.