Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২০ জুলাই ২০২৬

ধোনির ঝাড়খণ্ডকে হারিয়ে বিজয় হাজারের ফাইনালে বাংলা

দুর্দান্ত ৭০ রান করেও দলকে জেতাতে পারলেন না মহেন্দ্র সিং ধোনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০১৭, ১৫:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০১৭, ১৫:২৮

options
link
ধোনির ঝাড়খণ্ডকে হারিয়ে বিজয় হাজারের ফাইনালে বাংলা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পারলেন না মহেন্দ্র সিং ধোনি। বিফলে গেল তাঁর লড়াকু ৭০ রানের ইনিংস। শনিবার দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলাতে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ঝাড়খণ্ডকে ৪১ রানে হারিয়ে দিল বাংলা। এই জয়ের সঙ্গেই ফাইনালের টিকিটও পেয়ে গেলেন মনোজ তিওয়ারি-অশোক দিন্দারা।

[পূজারার শতরান, ড্র’য়ের দিকেই এগোচ্ছে রাঁচি টেস্ট]

এদিন টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। কিন্তু ধোনির সিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণ করেন বাংলার দুই ওপেনার শ্রীবৎস গোস্বামী এবং অভিমন্যু ঈশ্বরন। ঝাড়খণ্ডের কোনও বোলারকে সুযোগ না দিয়ে দু’জনেই দু্র্দান্ত ব্যাটিং করেন। প্রথম উইকেটের জুটিতে যোগ করেন ১৯৮ রান। শেষ পর্যন্ত ৩৪.২ ওভারে ১০১ রান করে মনু কুমারের বলে আউট হন শ্রীবৎস গোস্বামী। তাঁর ৯৯ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১১টি চার ও ১টি ছ’য়ে। উল্টোদিকে, ঈশ্বরনও শতরান করেন। তবে দলের ২২৯ রানের মাথায় রান আউট হয়ে ফিরে যেতে হয় তাঁকে। ১২১ বলে ১০১ রান করতে গিয়ে অভিমন্যু মেরেছেন সাতটি চার ও একটি ছয়। তিন নম্বরে নেমে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন বাংলা অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি। অগ্নিভ পান (১৭ বলে ১৯) ও সুদীপ চট্টোপাধ্যায় (১২ বলে ১৯)-কে সঙ্গে নিয়ে দলের রান ৩০০-র গণ্ডি পার করে দেন। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৪৯ বলে ৭৫ রানে অপরাজিত থাকেন মনোজ। তাঁর ঝোড়ো ইনিংসটি সাজানো ছিল সাতটি চার ও দু’টি ছয়ে। মনোজের সঙ্গে ক্রিজে ছিলেন অনুষ্টুপ মজুমদার (১)। শ্রীবৎস, অভিমন্যু, মনোজদের এই বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে ৫০ ওভারের শেষে বাংলার রান দাঁড়ায় চার উইকেটে ৩২৯। ধোনির দলের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল বরুণ অ্যারন। তিনি দু’টি এবং মনু কুমার একটি উইকেট পেয়েছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ছত্তিশগড়ে ভয়াবহ গুলির লড়াই, খতম ৬ মাওবাদী]

৩৩০ রানের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে ঝাড়খণ্ড। মিডল অর্ডারে কুমার দেওব্রাত (৫৩ বলে ৩৭), সৌরভ তিওয়ারি (৫৭ বলে ৪৮), ইশাঙ্ক জাগ্গি (৪৩ বলে ৫৯) মিলে মাহিকে সাহায্য করলেও, সেটা দলের জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। অধিনায়ক ধোনির দু’টি চার ও চারটি ছ’য়ের সৌজন্যে মাত্র ৬২ বলে ৭০ রানের ইনিংস ঝাড়খণ্ডকে ফাইনালের টিকিট এনে দিতে পারেনি। ৪২.৬ ওভারে প্রজ্ঞান ওঝার বলে ধোনি ফিরে যেতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ঝাড়খণ্ডের ব্যাটিং লাইন আপ। ধোনি আউট হন দলের ২৫০ রানের মাথায়। এরপর ৩৮ রানের মধ্যে বাকি পাঁচ উইকেট পড়ে যায় তাঁদের।

[স্কুলগুলিকে জাতীয় পতাকার সম্মানরক্ষার দিকে নজর দিতে বলল সিবিএসসি]

বাংলার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল প্রজ্ঞান ওঝা। তিনি ১০ ওভারে ৭১ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট পেয়েছেন। এর মধ্যে ধোনির মূল্যবান উইকেটও রয়েছে। এছাড়া দু’টি করে উইকেট পেয়েছেন কনিষ্ক শেঠ ও সায়ন ঘোষ। একটি উইকেট পেলেও দুর্দান্ত বোলিং করেছেন অশোক দিন্দাও। ‘নৈছনপুর এক্সপ্রেস’ ১০ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ৪৪ রান। ফাইনালে সোমবার তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে খেলতে নামবে বাংলা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.