Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

গুগল সার্চে ট্রেন্ডিং হিমা, সোনার মেয়ের জাত খুঁজছেন নেটিজেনরা

এটাও ভারতবর্ষ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৮, ১৬:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৮, ১৬:৩৬

options
link
গুগল সার্চে ট্রেন্ডিং হিমা, সোনার মেয়ের জাত খুঁজছেন নেটিজেনরা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোনা জিতে ইতিহাস তৈরি করেছেন দৌড়বিদ হিমা দাস। তারপর থেকেই গুগলে বেড়ে গিয়েছে হিমাকে নিয়ে সার্চ। কিন্তু তাঁর কথা মানুষ জানতে চাইছে প্রথম ভারতীয় হিসেবে আন্তর্জাতিক দৌঁড় প্রতিযোগিতায় সোনা জেতার জন্য নয়। মানুষের নজর তাঁর জাতের উপর।

বিশ্বকাপ জিতেছে পুদুচেরি! লেফটেন্যান্ট গর্ভনর কিরণ বেদির টুইটে বিতর্ক তুঙ্গে ]

Advertisement

গত সপ্তাহে ফিনল্যান্ডের ট্যাম্পারে অনুর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে ৪০০ মিটার দৌঁড়ে সোনা জেতেন অসমের মেয়ে। মাত্র ৫১.৪৬ সেকেন্ডে ৪০০ মিটার প্রতিযোগিতা শেষ করেন হিমা। তারপর থেকেই পরিচিতি পেতে শুরু করেন তিনি। তারপর থেকেই গুগল সার্চ ইঞ্জিনেও ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অসমকন্যা হিমার নাম। কিন্তু আশ্চর্যের কথা গুগলে সবচেয়ে বেশি সার্চ হচ্ছে, ‘হিমা দাস কাস্ট’। আর এনিয়ে সরব হয়েছে টুইটার ব্যবহারকারীরা।

কেউ টুইটারে দেশের মানুষের এমন মানসিকতার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে, কেউ আবার একবিংশ শতকে এমন মানসিকতার জন্য লজ্জা পাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন।

হিমার জন্য প্রতিযোগিতা খুব একটা সহজ ছিল না। বাবা সামান্য ধানচাষি। ছোটবেলায় চাষের কাজে বাবাকে সাহায্যও করতেন অসমের নগাঁও জেলার অখ্যাত ঢিঙা গ্রামের হিমা। ছোটবেলায় খেলাধুলো শুরু করেন ফুটবল দিয়ে। স্থানীয় ছেলেদের সঙ্গেই ফুটবল খেলতেন তিনি। ফুটবল খেলতে খেলতেই স্থানীয় এক অ্যাথলেটিক কোচের নজরে পড়েন হিমা। জেলাস্তরের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার সময় জেলা ক্রীড়া আধিকারিক নিপন দাসের চোখে পড়ে। এরপর তাঁর কোচিংয়ের দায়িত্ব নেন নিপন। এর পর থেকেই একের পর এক সাফল্য পেতে থাকেন হিমা। স্বাভাবিকভাবেই চরম দারিদ্র্যের মধ্যে থেকে উঠে আসা হিমা আন্তর্জাতিক সার্কিটে প্রথম বড় সাফল্য পেয়ে উচ্ছ্বসিত।

হিমা দাসকে গোমাংস ভক্ষণের পরামর্শ, বিতর্কে গায়ক জুবিন গর্গ ]

সোনা জেতার পর হিমা দাসকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বলেছিলেন, মেডেল জেতার পর তিনি যেভাবে তেরঙ্গার খোঁজ করছিলেন তাতে তিনি অভিভূত। আর যখন জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় তিনি অাবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন, তা দেখে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.