Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

রফিকের বিশ্বমানের গোলে গোকুলামকে হারাল ইস্টবেঙ্গল

পরপর চার ম্যাচ জিতে লিগ তালিকার শীর্ষে খালিদ জামিলের ছেলেরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৭, ২০১৭, ১৭:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৭, ২০১৭, ১৭:১৭

options
link
রফিকের বিশ্বমানের গোলে গোকুলামকে হারাল ইস্টবেঙ্গল zoom

ইস্টবেঙ্গল-১ (রফিক)

গোকুলাম এফসি-০

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডার্বিতে হারের পর অনেকেই ভেবেছিলেন এবারেও হল না। ১৪ বছর ধরে আই লিগ জয়ের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে। কিন্তু এই ইস্টবেঙ্গল সত্যিই যেন অন্য ধাতুতে গড়া। লাজং, চার্চিল, চেন্নাইয়ের পর এবার ঘরের মাঠে গোকুলাম এফসিকেও হারালেন খালিদ জামিলের ছেলেরা। প্রথমার্ধের একদম শেষ মুহূর্তে মহম্মদ রফিকের বিশ্বমানের গোল ইস্টবেঙ্গলকে মূল্যবান তিন পয়েন্ট এনে দিল। আর টানা চার ম্যাচে জয়ের ফলে মিনার্ভাকে সরিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে উঠে এলেন খালিদ জামিলের ছেলেরা।

 

[‘ওয়ানডে পারফরম্যান্সে বিরাটের থেকে এগিয়ে রোহিতই’]

এদিন শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে খেলা গড়াতে থাকে। একদিকে যেমন ইস্টবেঙ্গল গোলের লক্ষ্যে ঝাঁপায়, অপরদিকে অ্যাওয়ে ম্যাচ হলেও আক্রমণের ঝাঁঝ বজায় রাখে আই লিগে নতুন আসা কেরলের দলটি। এর মধ্যে ১৩ মিনিটে গোকুলামের গোলকিপার দুর্দান্ত একটি সেভ করেন, নাহলে ওই সময়ই প্রথম গোলটি পেয়ে যেতে পারত ইস্টবেঙ্গল। কিছু সময় পর এর পালটা দেয় গোকুলামও। ১৬ মিনিটে দুর্দান্ত একটি ফ্রি-কিক নেন গোকুলামের ফ্রান্সিস, যিনি প্রথমার্ধে পরিবর্ত হিসেবে নেমেছিলেন। লাল হলুদ গোলকিপার লুই ব্যারেটোকে বোকা বানালেও বারে লেগে ফিরে আসে বলটি। এরপর দু’দলই আক্রমণ করলেও গোলের দেখা মেলেনি। শেষপর্যন্ত ৪৪ মিনিটে গোলের খাতা খোলে খালিদের ছেলেরা। সৌজন্য মহম্মদ রফিক। আমনার কর্নার গোকুলামের রক্ষণ প্রাথমিকভাবে ফেরালেও ফিরতি বলে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া রফিকের দুর্দান্ত ভলি ঠেকাতে পারেননি গোকুলামের গোলরক্ষক বিলাল।

[ইতিহাসের দোরগোড়ায় মোহনবাগান, সাজসাজ রব ময়দানে]

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই লাল-হলুদের আক্রমণের ঝড় উঠতে থাকে। আর এর মধ্যেই ৫৩ মিনিটে লালকার্ড দেখেন গোকুলামের রোহিত মির্জা। কাটসুমিকে বিপজ্জনক ভাবে ফাউল করায় তাঁকে সরাসরি লালকার্ড দেখান রেফারি। পরের মিনিটেই বিলালকে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন লাল হলুদের ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার চার্লস ডি’সুজা। এরপর দশ জনের গোকুলামের বিরুদ্ধে একের পর এক আক্রমণ তুলে আনেন আমনা-রফিকরা। কিন্তু অ্যাটাকিং থার্ডে বারবার সেই আক্রমণ থেমে যেতে থাকে। না হলে আরও দু’তিনটি গোল অনায়াসেই হয়ে যেতে পারত। আর ম্যাচের একদম শেষদিকে এসে কিছুটা হয়ত ইচ্ছে করেই খেলার গতি কমিয়ে দেন খালিদ জামিলের ছেলেরা। এই সময় বেশ কয়েকবার গোল শোধের মরিয়া চেষ্টা করে গোকুলাম। কিন্তু দশ জন হয়ে যাওয়া কেরলের দলটির পক্ষে লাল হলুদ রক্ষণকে টপকে যাওয়াটা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।

[এবার সিন্ধু সঙ্গে কথা বলতে পারবেন আপনিও, জানেন কীভাবে?]

এই জয়ের ফলে মিনার্ভা পাঞ্জাবকে হারিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল। আর খালিদ জামিলের কোচিংয়ে ১৪ বছর ধরে অধরা আই লিগ জয়ের স্বপ্ন ফের একবার দেখতে শুরু করেছেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা। যদিও এখনও অনেকটা পথ যেতে হবে আমনা-কাটসুমিদের, তবুও স্বপ্ন দেখাই যায়।

[তারকাখচিত রিসেপশনে প্রতিবন্ধী ফ্যানকে নিমন্ত্রণ, বিরুষ্কাকে কুর্নিশ নেটিজেনদের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.