ইন্ডিয়ান অ্যারোজ- ০
ইস্টবেঙ্গল- ২ (আমনা, কাটসুমি)
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শেষ মুহূর্তের ভুলে নেরোকার সঙ্গে পয়েন্ট নষ্ট করার পর ফের একবার জয়ের সরণিতে ফিরল ইস্টবেঙ্গল। দিনকয়েক আগে যে ইন্ডিয়ান অ্যারোজ শক্তিশালী মোহনবাগানকে আটকে দিয়েছিল, সেই তাঁদেরই ২-০ গোলে হারাল খালিদ জামিলের ছেলেরা। লাল-হলুদের হয়ে দুটি গোল আল আমনা এবং কাটসুমির।
[বর্ষবরণে চমক, বন্ধুদের জন্যে ‘শেফ’ হয়ে গেলেন শচীন]
এই ম্যাচের আগে সূচী নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ ছিল ইস্টবেঙ্গল শিবির। কারণ সাতদিনের ব্যবধানে তাঁদের খেলতে হল তিনটি ম্যাচ। যার মধ্যে দু’টি ছিল দেশের দুই প্রান্তে। সঙ্গে রয়েছে রবিবারের যাত্রার ধকল। গোটা বিষয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন লাল-হলুদের অন্যতম শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। এমনকী সোমবার লাল-হলুদের পক্ষ থেকে ফেডারেশনকে সরকারিভাবে চিঠিও পাঠানো হয়। সেই সঙ্গে বলা হয়, ভবিষ্যতে যেন আর এরকম সূচী-সমস্যায় না ফেলা হয় টিমকে। ফেডারেশনের ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রামের দলের বিরুদ্ধে নামার আগে সব কোচের চিন্তা থাকে একটাই। তরুণ দলের অসম্ভব দম। যার জেরে গোটা ম্যাচে গতির ঝড় তোলেন অ্যারোজের ফুটবলাররা। এমন দলের বিরুদ্ধে নামার আগে তাই ফিটনেসের জন্য অতিরিক্ত সময় দিতে হয় সব কোচকে। একই চিন্তা ছিল খালিদ জামিলেরও। এর পাশাপাশি লাল-হলুদ রক্ষণও চিন্তায় রেখেছিল আই লিগ জয়ী কোচকে। তবে লেটার মার্কস না পেলেও এদিনের নব্বই মিনিটের পারফরম্যান্সে মোটামুটি নম্বর পেয়ে পাশ করেই গেলেন অর্ণব-এডুরা। বিশেষ করে শেষদিকে অভিজ্ঞতার অভাবেই হুল ফোটাতে পারল ইন্ডিয়ান অ্যারোজ। উলটোদিকে, ক্লান্তি সত্ত্বেও গতিতে তাঁদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটলেন লাল হলুদের খেলোয়াড়রা।
[রোহিতের স্ত্রী ঋতিকা কি টিম ইন্ডিয়ার ১৭ তম ক্রিকেটার?]
অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপের দলটির অধিকাংশ ছেলেই খেলছে এই দলে। কোচ আবার লুই নর্টন ডি মাতোস। তবে মোহনবাগান ম্যাচের তুলনায় এই ম্যাচে কিছুটা হলেও পিছিয়ে শুরু করেছিলেন তাঁরা। কারণ গোলের নিচে ছিলেন না ধীরাজ। দেশের অন্যতম প্রতিভাবান এই ফুটবলার ইতিমধ্যে আই লিগ খেলবেন না বলে জানিয়েছেন। ফেডারেশনের সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ায় তিনি স্কটল্যান্ডের মাদারওয়েল ক্লাবে পাড়ি দেবেন। সেখানেই একবছর অনুশীলন করবেন। আর এদিন ধীরাজের অভাব তাই বারেবারে টের পেলেন পর্তুগিজ কোচ। প্রথমার্ধে ১৩ এবং ১৬ মিনিটে আমনা ও কাটসুমির গোলের ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও দায়ী থাকবেন অ্যারোজের নয়া গোলকিপার। তবে ম্যাচের সময় যত গড়িয়েছে তিনিও ধীরে ধীরে ছন্দ খুঁজে পেয়েছেন। বাঁচিয়েছেন বেশ কিছু নিশ্চিত গোল।
[দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবল খরা, উইকেটের বাউন্স নিয়ে সংশয়ে পিচ কিউরেটর]
এদিকে, প্লাজার চোট এবং চার্লসের অফ ফর্ম। আর তাই স্ট্রাইকার হিসেবে জবি জস্টিনকে এদিন খেলালেন খালিদ। তিনি গোল না পেলেও ছটফটানি ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, আমনা-কাটসুমি জুটিতে ভর করে অ্যারোজ ম্যাচ পার হয়ে গেলেও আগামিদিনে ভাল স্ট্রাইকার না পেলে দীর্ঘ লিগে সমস্যায় পড়তে পারে ইস্টবেঙ্গল। ধাক্কা খেতে পারে অধরা আই লিগ জয়ের স্বপ্ন। এখন দেখার জানুয়ারির ট্রান্সফার উইন্ডোতে স্ট্রাইকার সমস্যা মেটাতে কতটা উদ্যোগী হন লাল-হলুদ কর্তারা। আপাতত ৮ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার শীর্ষে থাকল ইস্টবেঙ্গল।
সর্বশেষ খবর
-
৩ বছর পেমেন্ট ‘বন্ধ’, বকেয়া না পেলে কাজ নয়! ঠিকাদারদের মনোভাবে চিন্তায় কলকাতা পুরসভা
-
কাশ্মীরে রাতভর সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই! খতম ২ ‘জেহাদি’
-
জন্মদিনের আগেই টার্গেট শ্যামাপ্রসাদ, খাস কলকাতার সুকিয়া স্ট্রিটে ভাঙা হল বেদী!
-
বারাণসীতে উত্তরপাড়ার ডাক্তারি পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু! হোস্টেলের ঘরে উদ্ধার দেহ
-
সংসদের বাদল অধিবেশনের দিন ঘোষণা সরকারের, নজরে দুই সংবিধান সংশোধনী বিল