সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিরাট কোহলি জানিয়ে দিলেন, তিনি ফিট। শনিবার থেকে শুরু হতে চলা নটিংহ্যাম টেস্ট খেলতে তাঁর কোনও অসুবিধে নেই। দাঁড়ান, আরও আছে। নিজেকে ফিট ঘোষণা করে সমালোচকদের বিরুদ্ধে ফেটে পড়লেন বিরাট কোহলি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি টেস্ট সিরিজে এখনই ০-২ পিছিয়ে ভারত। নটিংহ্যামে হেরে গেলে সিরিজ শেষ হয়ে যাবে। যার পর ইংল্যান্ডের পিচে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের প্রয়োগক্ষমতা নিয়ে তো বটেই, কোহলির ক্যাপ্টেন্সি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বলা হচ্ছে, ভারত অধিনায়ক হিসেবে ৩৭ টেস্টে ৩৭ রকম টিম নামিয়েছেন কোহলি। কখনও এক টিম দু’বার নামেনি। এ রকম নিয়মিত বদলে তাঁর টিমের প্লেয়াররা কি নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ছেন না?
[সাময়িক বিপর্যয় ভুলে ঘুরে দাঁড়াবেন বিরাটরা, বিশ্বাস ছিটকে যাওয়া ঋদ্ধির]
যা শোনামাত্র ফেটে পড়েন ভারত অধিনায়ক। উত্তেজিত ভাবে বলে দেন, “আমার মনে হয় না টিমের কেউ এভাবে ভাবে। আসলে এসব বাইরে বলাবলি চলে। লোকে তিলকে তাল করে। কার কেরিয়ার সংকটে, কার কেরিয়ারের ভবিষ্যৎ কী, সে সব নিয়ে আমরা ভাবি না। আমাদের জন্য জয়টাই আসল,” শুক্রবারের সাংবাদিক সম্মেলনে বলে দেন কোহলি। সঙ্গে যোগ করেন, “সত্যি, ভাবনাটাই অদ্ভুত।” তাঁকে এবার জিজ্ঞাসা করা হয়, অধিনায়ক হিসেবে প্লেয়ারদের যথেষ্ট নিরাপত্তা তিনি দেন কি না? শুনে কোহলি বলে দেন, “শুনুন, এ সব আপনাদের ভাবনা। আমি অন্তত এ রকম ভাবি না। আর তাই কাউকে তার কেরিয়ার নিয়ে নিশ্চয়তা দেওয়ার ব্যাপারও আমার নেই।”
[পেসার বসিয়ে কুলদীপকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল, হারের পর স্বীকারোক্তি শাস্ত্রীর]
তবে ভারত অধিনায়ক একটা ব্যাপার খোলাখুলি জানিয়ে দিয়েছেন। বলে দিয়েছেন যে, লর্ডসে পিঠের যে ব্যথায় তিনি ভুগছিলেন সেটা আর তাঁকে ভোগাচ্ছে না। “একদম ঠিকঠাক লাগছে। আমার এই চোটটা খালি আসছে-যাচ্ছে। ২০১১ সালে প্রথম এই চোটটা লেগেছিল। অতিরিক্ত ওয়ার্কলোডে এটা হয়। এটা সারাতে চাই যথেষ্ট বিশ্রাম। ঠিকঠাক রিহ্যাব,” বলে দেন ভারত অধিনায়ক। পাশাপাশি কোহলি ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন, ট্রেন্টব্রিজে ছয় স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যানে খেলতে পারেন। কিন্তু একটা জিনিস পরিষ্কার। পেসার জসপ্রীত বুমরা ঢুকছেন। যার অর্থ, উমেশ যাদবকে ফের বাইরে থাকতে হচ্ছে। “সিদ্ধান্তটা নির্ভর করছে পিচ কেমন হয় তার উপর। যদি বুঝি পিচ থেকে বোলাররা বেশি সাহায্য পাবে, তা হলে বাড়তি ব্যাটসম্যান খেলাতে পারি। আর যদি মনে হয় পিচ ব্যাটসম্যান-বোলার দু’পক্ষকেই সমান সাহায্য করবে, তা হলে কুড়ি উইকেট নেওয়াটা আমার প্রায়োরিটি হবে,” বলে দিয়েছেন কোহলি। পাশাপাশি বুমরাকে নিয়ে তিনি বলেন, “বুমরা আক্রমণাত্মক বোলার। টেস্ট ক্রিকেটে যে জায়গায় হিট করতে হয়, সেটা করতে পারে। প্লাস, খুব আগ্রাসী মনোভাবের।” আর টিম? তাদের কোনও বার্তা দিলেন না? জবাবে এবার বিরাট বলে দেন, “আমি কথা বলেছি টিমের সঙ্গে। দেখুন, আমাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গিয়েছে। কিন্তু এর একটা ভাল দিকও আছে। এখন আপনার ভাবনা আর অন্য কোনও দিকে যাওয়ার সুযোগ পাবে না। প্লেয়াররা এখন একটা কথাই ভাববে। ভাববে যে, এই মুহূর্তে টিমের কী দরকার। আমাদের কথাবার্তাও তাই হচ্ছে। আমরা এখন শুধু একটাই কথা বলছি। তা হল নটিংহ্যাম টেস্টটা কী ভাবে জেতা যায়।” শুনতে ভাল। কিন্তু ব্যাটসম্যানরা পারবেন তো? ট্রেন্টব্রিজে শুক্রবার সকালের দিকে রোদ উঠেও আবার নাকি মেঘলা হয়ে গিয়েছে। শনিবারও সেটা থাকলে? কী হবে? অ্যাডভান্টেজ অ্যান্ডারসন।
সর্বশেষ খবর
-
বিদেশ সচিব হয়েই দিল্লি সফরে কুপার, ইরান যুদ্ধের জেরে বদলাচ্ছে ভারত-ব্রিটেন কূটনৈতিক অঙ্ক
-
‘ভারত থেকে অনেক কামাচ্ছি’, নতুন শুল্ক ঘোষণার পরই ‘প্রিয় বন্ধু’ মোদির প্রশংসায় ট্রাম্প
-
‘উচ্চতর মেধাকে নিম্ন পদে নয়’, উচ্চশিক্ষা গোপন করা নিয়ে ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট
-
ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের দিনই তৃণমূলের সাংসদ ভাঙন? জল্পনায় আরও চাপে কালীঘাট!
-
‘সিনেমাতেই মনোযোগ দিতে চাই’, ‘ফুলপিসি’তে বিনির চরিত্রে প্রশংসিত হতেই ভবিষ্যৎ ভাবনা শ্যামৌপ্তির