২ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

কোহলির ব্যাটে ভর করে প্রোটিয়াদের জবাব ভারতের

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 15, 2018 3:53 pm|    Updated: January 15, 2018 4:02 pm

An Images

তৃতীয় দিনের খেলা শেষ

ভারত: প্রথম ইনিংস ৩০৭

দক্ষিণ আফ্রিকা: দ্বিতীয় ইনিংস ৯০/২ (১১৮ রানের লিড)

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কিং কোহলি। দুরন্ত দেড় শতরান। ফাইটার ডিভিলিয়ার্স। নামের পাশে হাফ সেঞ্চুরি। জোহানসবার্গ টেস্টের তৃতীয় দিনে দুই অর্ধে দুই বিশ্বসেরা ব্যাটসম্যানের টক্কর। যার ফলে টেস্ট ম্যাচের উত্তেজনা একেবারে জমাট।

23

[টেস্টে ২১ তম সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে কটাক্ষের জবাব দিলেন বিরাট]

টি টোয়েন্টির রমরমায় সাদা পাজামার ক্রিকেট এখনও যে ক্লাসিক তা দেখিয়ে দিল সেঞ্চুরিয়ন টেস্ট। কুড়ি-কুড়ির ক্রিকেটে ঝড় তোলা কোহলি, ডি ভিলিয়ার্সরা বুঝিয়ে দিলেন নিজেদের ক্লাস। দুজনেই টিমকে ভরসা দিলেন। প্রথম টেস্টে সেভাবে রান না পাওয়ায় অনেক বাউন্সারই বিরাট কোহলির দিকে ধেয়ে এসেছিল। প্রথম ইনিংসে টিমকে একাই টেনে নিয়ে গেলেন। নতুন বল সামলালেন ঠান্ডা মাথায়। তবে তৃতীয় দিনে হার্দিক পান্ডিয়া যেভাবে স্কুল ক্রিকেটের মতো রান আউট হলেন তাতে মেজাজ বিগড়ে যায় কোহলির। এরপর অশ্বিনকে নিয়ে ভারতকে নিরাপদে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। ৩৪ রানে অশ্বিন ফিরে যাওয়ার পর শেষে অবশ্য টেল এন্ডারদের থেকে ভরসা না পেয়ে চালিয়ে আউট হন বিরাট। ততক্ষণে তাঁর নামের পাশে ১৫৩ রান। ফিলান্ডার, রাবাডা, মর্কেলদের গোলার সামনে তাঁর বুক চিতিয়ে লড়াইয়ে মুগ্ধ ক্রিকেটপ্রেমী থেকে বিশেষজ্ঞরা। দু’প্লেসিদের বিরুদ্ধে বিরাটের একুশতম সেঞ্চুরি আরও একটি মাইলস্টোনে পৌঁছে দিল। শচীন তেণ্ডুলকরকে ছাপিয়ে দুনিয়ায় চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসাবে দ্রুততম একুশটি সেঞ্চুরি করলেন বিরাট। শচীন ১১০টি ইনিংসে এতগুলি শতরান করেছিলেন। একটি ইনিংস কম খেলে এই নয়া শৃঙ্গে পৌঁছলেন ভারতীয় অধিনায়ক। কোহলির শৌর্যে দক্ষিণ আফ্রিকার ৩৩৫ রানের খানিকটা কাছে পৌঁছে যায় টিম ইন্ডিয়া। প্রথম ইনিংসে ভারত থামে ৩০৭ রানে।

22

[ক্রিজে অকথ্য গালিগালিজ বিরাটের, ধরা পড়ল স্টাম্প মাইকে]

২৮ রানে লিড। আকাশ ক্রমশ মেঘলা হচ্ছে। এমন এক পরিবেশে ভারতকে জয়ের গন্ধ এনে দিয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরাহ। প্রথম স্পেলে তাঁর সুইংয়ে ফিরে যান আমলা, মারক্রাম। ৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে তখন রীতিমতো ধুঁকছে দক্ষিণ আফ্রিকা। চার নম্বরে নেমে পালটা রোলার চালান এবি ডিভিলিয়ার্স। উলটো দিকে আর এক ওপেনার এলগার একাধিক সুযোগ দিয়েও বেঁচে যান। এর মধ্যে শুরু হয় বৃষ্টি। দফায় দফায় খেলা বন্ধ থাকে। কঠিন পিচে এবিডির হাফ সেঞ্চুরিতে প্রোটিয়াদের বিপদ কাটে। তারপর বৃষ্টির জন্য খেলায় একেবারে দাঁড়ি পড়ে যায়। কেপটাউনে প্রথম টেস্টে এক দিন কার্যত বৃষ্টিতে ধুয়ে গিয়েছিল। তবে ওই টেস্ট অবশ্য চার দিনে জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহানেসবার্গে অবশ্য লড়াই চলছে সেয়ানে-সেয়ানে। কোনও কোনও সেশনে দক্ষিণ আফ্রিকা দাপট দেখালেও ভারত একেবারে হারিয়ে যায়নি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement