Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

নিলামে উঠছে ব্যক্তিগত ইভেন্টে জেতা ভারতের প্রথম অলিম্পিক পদক

মনে আছে কে জিতেছিলেন পদক?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০১৭, ০৩:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০১৭, ০৩:৫১

options
link
নিলামে উঠছে ব্যক্তিগত ইভেন্টে জেতা ভারতের প্রথম অলিম্পিক পদক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে কুস্তিগির কাশব যাদবের নাম অনেকের স্মৃতিতেই আজ ফ্যাকাসে। কিন্তু ব্যক্তিগত ইভেন্টে তিনিই প্রথম ভারতীয় হিসেবে অলিম্পিকে পদক ঘরে তুলেছিলেন। আর সেই পদকই এবার নিলামে তোলা হচ্ছে। দেশকে আরও একবার গর্বিত করার উদ্দেশ্য নিয়ে।

১৯৫২ হেলসিঙ্কি অলিম্পিক। তখন কাশবের বয়স ২৭ বছর। প্রথম ভারতীয় হিসেবে কুস্তিতে ব্রোঞ্জ পদক জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন তিনি। সেই যাদব পরিবারের ইচ্ছে কিংবদন্তি কুস্তিগিরের নামে একটি কুস্তি অ্যাকাডেমি গড়ে তোলার। অনেক অনুরোধের পর সরকারের তরফে প্রতিশ্রুতি মিলেছিল। কিন্তু বাস্তবে আর্থিক সাহায্য মেলেনি। তাই অ্যাকামেডি তৈরির খরচ জোগাতে দীর্ঘনিঃশ্বাস চেপে রেখেও পদক নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রয়াত কাশবের পরিবার। বিখ্যাত কুস্তিগিরের ছেলে রঞ্জিত যাদব বলছেন, “এমন সিদ্ধান্ত নেওয়াটা খুব কঠিন ছিল। এই পদকের সঙ্গে বাবার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। কিন্তু আমাদের হাত-পা বাঁধা। সরকারের তরফে সাহায্যের কথা শোনানো হলেও অ্যাকাডেমির জন্য কোনও অর্থই পাইনি আমরা। তাই ঠিক করি পদক নিলামে তুলেই অর্থের ব্যবস্থা করব।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

the-story-of-kd-jadhav-a-k-a-pocket-dynamo-who-won-indias-first-individual-olympic-medal-652x400-2-1465305216

[এখনই মহিলাদের আইপিএল নয়, ইঙ্গিত বিসিসিআইয়ের]

ভারতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের উপেক্ষিত হওয়ার উপাখ্যান বহুকাল ধরেই চলে আসছে। তারই শিকার হয়েছিলেন কাশবও। ২০০৯ সালে জলগাঁওয়ে এক কুস্তির ইভেন্টে পৌঁছে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী দিলীপ দেশমুখ ঘোষণা করেছিলেন, সাতারা জেলায় কাশব যাদবের নামে একটি জাতীয় স্তরের কুস্তি অ্যাকামেডি গড়বে প্রশাসন। হাততালি পড়েছিল দর্শকদের। কিন্তু প্রতিশ্রুতিই সার। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে ১.৫৮ কোটি টাকা অ্যাকাডেমি তৈরির খাতে বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু তারপরও সেই প্রজেক্ট দিনের আলো দেখেনি। আট বছর অপেক্ষা করেছে যাদব পরিবার। অবশেষে আগামীর কথা ভেবে নিলামের সিদ্ধান্ত নিয়েই নিলেন তাঁরা। রঞ্জিতের গলায় আক্ষেপের সুর। বলছেন, “বাবা অন্তত্য চাপা মনের মানুষ ছিলেন। নিজের বরাই করতেন না। আর সেই কারণেই হয়তো মৃত্যুর ১৬ বছর পর অর্জুন সম্মান পেয়েছিলেন বাবা। জীবিত অবস্থায় তাঁর সেই স্বীকৃতি আর দেখে যাওয়া হল না।” ১৯৮৪ সালে ইহলোক ত্যাগ করেন কিংবদন্তি কুস্তিগির। ছেলের প্রশ্ন,
কেন এ দেশের বিখ্যাত মানুষদের সঠিক সময়ে সম্মানিত করা হয় না। যদিও উত্তরের খোঁজ মেলে না।

[ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিশ্ব বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.