‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর জন্য আইপিএলের বিশেষ কলাম লিখছেন ভারতীয় ক্রিকেটের কর্নেল দিলীপ বেঙ্গসরকর। লিখছেন সোমবার ইডেনের দুই অধিনায়ককে নিয়ে।
সোজা কথায় একদম সোজাসুজি ঢুকছি। সোমবারের ইডেনে ম্যাচের আগে কলকাতার ক্রিকেট সমর্থকরা যে প্রশ্নের উত্তরটা জানতে চান।
সোমবারের ইডেনে গৌতম গম্ভীর বনাম দীনেশ কার্তিক যুদ্ধে কে জিতবে? কারই বা অ্যাডভান্টেজ?
আমার পূর্বাভাস – অ্যাডভান্টেজ গম্ভীর। বলছি না, পুরো মিলে যাবে। আসলে টি টোয়েন্টি এমন একটা ফরম্যাট যেখানে কোনও হান্ড্রেড পার্সেন্ট প্রেডিকশন চলে না। কখনও একটা ওভার, কখনও একটা বল খেলা পুরো ঘুরিয়ে দিতে পারে। কিন্তু তবু ম্যাচ প্রিভিউয়ে কাউকে যদি এগিয়ে রাখতে হয়, কেকেআরকে নয়। দিল্লিকে রাখব। কার্তিক নয়। গম্ভীরকে রাখব।
যুক্তিতে ঢুকি। দিল্লি রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারিয়ে ইডেনে খেলতে নামবে। কেকেআর সেখানে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে বিশ্রী হারের পর নামবে। তাই দু’টো টিমের আত্মবিশ্বাসে একটা তফাত হয়ে যাবে। দেখুন, মুম্বইকে হারানোর কনফিডেন্সটা আলাদা। দিল্লি বাড়তি মনোবল নিয়ে নামবে ইডেনে। কেকেআর যেটা পাবে না। প্লাস, ওদের খেলাটেলা দেখে যতদূর যা মনে হল, টিমটার ব্যাটিং অর্ডারে ভাল রকম গন্ডগোল আছে।
[আইপিএল উৎসবে লোভনীয় অফারেই হোক পেটপুজো, চলে আসুন শহরের এই সব রেস্তরাঁয়]
কেকেআরকে কী করতে হবে না হবে, পরে বলছি। আগে বলি, গম্ভীর বনাম কার্তিকের যুদ্ধ নিয়ে। দেখুন, একটা জিনিস বুঝতে হবে। গম্ভীর সাত বছর কেকেআরের ক্যাপ্টেন ছিল। প্রত্যেকটা প্লেয়ারকে ও ধরে ধরে জানে। সুনীল নারিন থেকে আন্দ্রে রাসেল। রবিন উথাপ্পা থেকে কুলদীপ যাদব। কে কী করতে পারে না পারে, কী ভাবে পারে, তাদের থামানোর রাস্তা – সমস্ত গম্ভীর জানে। নিঃসন্দেহে সেটা একটা বিশাল অ্যাডভান্টেজ। প্লাস ইডেনের উইকেটে এত দিন ধরে ও খেলেছে। মাঠ, পিচ, পরিবেশ-সব কিছুই ওর জানা।
তা ছাড়া আরও একটা বড় ব্যাপার হল অভিজ্ঞতা। গম্ভীর এখন ছত্রিশ। এত দিন সমস্ত ধরনের ফর্ম্যাট খেলে খেলে প্রাক্তন কেকেআর ক্যাপ্টেনের যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, তা কিন্তু দোকানে কিনতে পাওয়া যাবে না। উল্টো দিকে কার্তিককে দেখুন। নিঃসন্দেহে ও ভাল ক্যাপ্টেন। ভাল মোটিভেটর। কিন্তু সানরাইজার্স ম্যাচে ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে যা গণ্ডগোল ও করেছে, দেখে হতাশ হয়েছি। সুনীল নারিন ওর আগে যাবে ব্যাট করতে? শুভমান গিল সাত নম্বরে যাবে? যে কি না অনূর্ধ্ব ১৯ টিমের হয়ে বরাবর তিন নম্বর খেলেছে? এটা হয়? কেকেআর-কে যত দ্রুত সম্ভব নিজেদের ব্যাটিং অর্ডার ঠিক করতে হবে। ইনিংসের শেষ পাঁচ ওভারে ব্যাটিং অর্ডার একটু পালটালেও কোনও অসুবিধে নেই। কিন্তু প্রথম পনেরো ওভারে করার কোনও মানে নেই। সেখানে সেট ব্যাটিং অর্ডারে যেতে হবে। আসলে ব্যাটিং অর্ডার এ ভাবে বদলালে ক্রিকেটাররাও প্রবলেমে পড়ে যায়। একরকম ভেবে সে মাঠে যাচ্ছে। গিয়ে দেখছে পালটে গিয়েছে ব্যাটি অর্ডার। এতে তো ব্যাটসম্যানের কনফিডেন্স কেঁপে যাবে।
কেকেআরের উচিত যত দ্রুত সম্ভব এগুলো শুধরে ফেলা। মনে রাখা দরকার, এ সব ভুলভ্রান্তির জন্য সানরাইজার্স ছাড়েনি। গম্ভীরও কিন্তু ছাড়বে না!
.@IamSandeep25‘s been training hard and here’s a look at it in slow-motion! 😉#DilDilli #Dhadkega pic.twitter.com/zKGlyn13oJ
— Delhi Daredevils (@DelhiDaredevils) April 16, 2018
[বৃষ্টিই কাল হল! ঘরের মাঠে হায়দরাবাদের কাছে হার নাইটদের]
সর্বশেষ খবর
-
‘যৌন হেনস্তার অভিযোগ মিথ্যা ও আরোপিত’, ব্রিজভূষণের ঢাল হয়ে জানাল দিল্লির আদালত
-
‘খাঁটি পেট্রল কি তোমার বাবার বাড়ি থেকে আসবে?’ ইথানল ইস্যুতে বিজেপি সাংসদের মন্তব্যে বিতর্ক
-
‘মেয়েরা ধর্ষণ উপভোগ করে’, মন্তব্যে বিতর্কের ঝড় তুলে পুলিশের জালে ডানপন্থী নেতা
-
বিধ্বংসী ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপ ‘লগান’-এর শুটিং স্পট, আমিরের ছবির এই অজানা গল্প জানেন?
-
আইপিএলের মতোই টি-টোয়েন্টি লিগ, মার্কি প্লেয়ার শুভমান-অভিষেকরা, তুঙ্গে উন্মাদনা