Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬

ফাইনালে ট্র্যাজিক হিরো, আত্মঘাতী গোল করে দুঃস্বপ্নের রেকর্ড মান্ডজুকিচের

এ রেকর্ড হয়তো ভুলতেই চাইবেন ক্রোট স্ট্রাইকার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৮, ২২:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৮, ২২:৫২

options
link
ফাইনালে ট্র্যাজিক হিরো, আত্মঘাতী গোল করে দুঃস্বপ্নের রেকর্ড মান্ডজুকিচের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একটা ম্যাচের দূরত্বে। নায়ক থেকে রীতিমতো ভিলেন বনে গেলেন মান্ডজুকিচ। রাশিয়ার বিরুদ্ধে নাছোড় জেদে দলকে জিতিয়েছিলেন। গোল করেছিলেন। গোলে সাহায্য করেছিলেন। একের পর এক আক্রমণ শানিয়েছিলেন। চোট পেয়েও এমন খেলা খেলছিলেন, যাতে মনে হচ্ছিল একটা গোটা জাতির স্বপ্নপূরণের জন্যই খেলছেন। সেই মান্ডজুকিচ ফাইনালে একটা ছোট্ট ভুলে ভিলেন হয়ে গেলেন। রেকর্ডও গড়লেন। বিশ্বকাপ ফাইনালে এই প্রথম কোনও খেলোয়াড় আত্মঘাতী গোল করলেন। তবে এ রেকর্ড বোধহয় দুঃস্বপ্নেও মনে রাখতে চান না ক্রোট স্ট্রাইকার।

[  ক্রোয়েশিয়ার স্বপ্নভঙ্গ, দ্বিতীয়বার বিশ্বজয়ী ফ্রান্স ]

Advertisement

এবারের বিশ্বকাপ যেন আত্মঘাতী গোলের বোমাবর্ষণ। ব্রাজিল থেকে রাশিয়া সবার স্বপ্নভঙ্গের পিছনে থেকে গিয়েছে এই আত্মঘাতী গোল। দেশের ডিফেন্স রক্ষা করার বাড়তি তাগিদেই এই ভুল হয়ে যায় খেলোয়াড়রদের। এদিন মান্ডজুকিচের অবশ্য তেমন কোনও দোষ ছিল না। গ্রিজম্যানের ফ্রি-কিক আটকাতে লাফিয়েছিলেন। বল তাঁর মাথায় লেগে সোজা গোলে ঢুকে যায়। লাফিয়েও হাত ছোঁয়াতে পারেননি ক্রোট কিপার সুবাসিচ। যে মান্ডজুকিচ দলকে ফাইনালে টেনে তুলেছিলেন, তার ভুলেই এদিন গোড়ায় গোল খেয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া। পরে ফ্রান্স কিপারের ভুলে সে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করেন বটে, কিন্তু ততক্ষণে ইতিহাসে তাঁর নাম ঢুকে গিয়েছে। এই প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে কেউ আত্মঘাতী গোল করলেন।

[  বিপর্যয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিল এমবাপের ফ্রান্স, সমর্থনে ঋণ শোধ সুন্দরবনের ]

সেমিফাইনালের অপর ক্রোট নায়ক পেরিসিচিও এদিন দলকে ডুবিয়েছেন। সেদিন তিনিও রাশিয়ার গোলে বল জড়িয়েছিলেন। মান্ডজুকিচের গোলও এসেছিল তাঁর পাস থেকেই। এদিন তিনিই হ্যান্ডবল করে ফেললেন। ভার-এ নিশ্চিত হয়ে পেনাল্টি দিলেন আর্জেন্টিনার রেফারি। জালে বল জড়াতে ভুল করেননি গ্রিজম্যান। সেমির দুই নায়কই আজ ভাগ্যের ফেরে ভিলেন হয়ে গেলেন। স্বপ্নভঙ্গ হল ক্রোয়েশিয়ার। দ্বিতীয়বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হল ফ্রান্স। তবে যে লড়াইয়ের নমুনা এই বিশ্বকাপে ক্রোটরা দেখিয়ে গেলেন, তা স্বপ্ন দেখাবে বহু ছোট ছোট দেশকে। জনসংখ্যা নয়, পরিকল্পনা-আবেগ আর লড়াই থাকলে যে সোনার পরি একদিন না একদিন হাতে আসার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, তাই-ই যেন দেখিয়ে দিল ক্রোয়েশিয়া।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.