Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

হরমনপ্রীতের প্রশ্নে হাসি আর চেপে রাখতে পারলেন না মোদি

কী জানতে চাইলেন তিনি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০১৭, ১০:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০১৭, ১০:৩৭

options
link
হরমনপ্রীতের প্রশ্নে হাসি আর চেপে রাখতে পারলেন না মোদি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ভারতীয় মহিলা দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারকে আলাদা করে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু শেষমেশ ইংল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বজয়ের সাধ থেকে বঞ্চিতই থাকতে হয়েছে মিতালি রাজদের। তবে ঝুলন-হরমনপ্রীতরা যেভাবে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন, তাতেই দেশবাসীর মন জয় করে নিয়েছেন তাঁরা। আর দেশে ফিরেই তাই গোটা দলকে সংবর্ধনা জানিয়েছেন মোদি। সেই অনুষ্ঠানেই অবশ্য প্রধানমন্ত্রীকে এমন প্রশ্ন করে বসলেন হরমনপ্রীত, যে হাসি আর ধরে রাখতে পারলেন না তিনি।

[জানেন, টেস্ট ম্যাচ জিতে কীভাবে সেলিব্রেট করলেন বিরাটরা?]

গত বৃহস্পতিবার দিল্লিতে ভারতীয় প্রমিলাবাহিনীর সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল। মিনিট বারোর অনুষ্ঠান হাসি, ঠাট্টা, গল্প, পরামর্শের মাধ্যমে গড়াল প্রায় দেড় ঘণ্টায়। মোদির কথায় ঘুরে ফিরে আসে যোগ ব্যায়ামের মাহাত্ম্যের কথা। ভারতীয় ওপেনার পুনম রাউত মোদিকে জিজ্ঞেস করেন, এত কাজের চাপ তিনি কীভাবে সামলান। মোদির উত্তর, ধ্যান আর যোগ সাধনাই তাঁকে চাপ সামলানোর শক্তি জোগায়। মোদি বলেন, বিদেশ সফরের সময়ও যোগ ব্যায়াম বাদ দেন না তিনি। যোগ মানুষকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে বড় ভূমিকা পালন করে। তাই মিতালিদেরও যোগ করার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি মনসংযোগের জন্য দাবা খেলার উপকারিতার কথাও জানান তিনি। তবে হরমনপ্রীত যা প্রশ্ন করলেন, তাতে সেখানে উপস্থিত সকলে হেসেই আটখানা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[দাবা খেলা হারাম! সোশ্যাল মিডিয়ায় হেনস্তার কী জবাব দিলেন কাইফ?]

প্রথম ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে অপরাজিত ১৭১ রানের চোখ ধাঁধানো ইনিংস খেলে ইতিহাস গড়েছিলেন হরমনপ্রীত। সেই ক্রিকেটারই জমিয়ে দিয়েছিলেন সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। মোদিকে তাঁর প্রশ্ন, “আপনার কি কোনও স্পেশ্যাল ডিজাইনার আছেন? যিনি এই সুন্দর পোশাকগুলি বানিয়ে দেন?” উত্তর দেওয়ার আগে হেসে ফেলেন প্রধানমন্ত্রী। তারপর জানান, কোনও স্পেশ্যাল ডিজাইনার নেই। বরং আমেদাবাদের এক দরজির উপরই এখন ভরসা করেন তিনি। তাঁর কাছ থেকে পোশাক বানান। সঙ্গে মজা করে এও জানান, আগে ২০-২৫ টাকার বিনিময়েই পোশাক তৈরি করে দিতেন ওই দরজি। তবে মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে রাতারাতি দাম বাড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এই প্রসঙ্গেই স্মৃতি ঘেঁটে মোদি জানান, ছোটবেলায় তাঁর নিজের জামা-কাপড় নিজেকেই কাচতে হত। আর লম্বা হাতার কুর্তা পরতে ভীষণ অসুবিধা হত তাঁর। তাই ঠিক করে হাতা কাটিয়ে নেবেন। মোদির সেই কুর্তাই এখন স্টাইল স্টেটমেন্টে পরিণত হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.