২ শ্রাবণ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ

২ শ্রাবণ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০১৯ 

BREAKING NEWS

মোহনবাগান- ১ (সোনি)
নেরোকা এফসি- ০

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খেলবেন তিনি। গোল করবেন তিনি। ম্যাচ বাঁচাবেনও তিনিই। শনিবাসরীয় দুপুরে যুবভারতীতে মোহনবাগান বনাম নেরোকা ম্যাচের সারাংশ মোটামুটিই এরকমই। কারণ, গোটা ৯০ মিনিট পার্কে (পড়ুন মাঠে) ঘুরে বেড়ানো ফুটবলারদের মধ্যে তাঁরই তাগিদ বেশি নজরে পড়ল। আই লিগে প্রায় ডুবন্ত মোহন-তরীকে যে একমাত্র তিনিই ভাসিয়ে রাখতে পারবেন তা এদিন ফের প্রমাণ করলেন সোনি নর্ডি। হাইতিয়ান ফুটবলারকেই এদিন প্রকৃত অর্থে খেলতে দেখা গেল। আর বাকিদের! ওই যে আগেই বললাম, ঘুরে বেড়ানো আর বল ওয়াচিং ছাড়া আর কিছুই নজরে এল না তাঁদের থেকে। মোহনবাগানে নয়া ইনিংসে দ্বিতীয় ম্যাচেও উতরে গেলেন কোচ খালিদ জামিল। সৌজন্যে সোনির বুদ্ধিদীপ্ত গোল। ১-০ গোলে মোহনবাগান জিতল বটে, কিন্তু ফুটবলারদের এই ‘শ্মশানযাত্রী’ মনোভাব চলতে থাকলে কপালে দুঃখ আছে।

এদিন দুই অর্ধ মিলিয়ে শুধু সোনিময় বাগানের ফুটবল। বাকিরা তথৈবচ। মাঝমাঠ ও রক্ষণভাগের মধ্যে কোনও বোঝাপড়া নেই, একাধিকবার নেরোকার কাটসুমি-সুভাষরা বল নিয়ে স্প্রিন্ট করে মোহনবাগানের বক্সে ঢুকে পড়ছেন। কে তাঁদের ব্লক করবে বুঝতেই পারছেন না কিমকিমা, গুরজিন্দররা। প্রথমার্ধে বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করে নেরোকা। ভাগ্য সহায় থাকলে গোলও পেয়ে যেত তারা। মাঝমাঠে ড্যারেন কালডেরা সত্যি অচল। শংকরলাল পরবর্তী সময়েও ভাগ্য বদলাল না মেহতাবের। তাঁকে সেই বেঞ্চেই বসে থাকতে হচ্ছে। খালিদ সেই কালডেরার উপরই ভরসা রাখছেন। সতীর্থদের উপর ভরসা না করে এদিন সোনিই বল নিয়ে উঠলেন-নামলেন। বিরতির পরও সেই ছবিই দেখা গেল। ডিকার মধ্যে গোল খিদে আর নেই, তা তাঁর খেলাতে স্পষ্ট। মোহনবাগানের আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ে আজহারউদ্দিনের বদলে ফৈয়াজ নামায়। প্রশ্ন উঠছে, রোজই যখন আজহার ব্যর্থ হচ্ছে তাহলে শুরু থেকে কেন ফৈয়াজকে খেলানো হয় না? এই ক্ষেত্রেও শংকরলালের পথেই হাঁটছেন খালিদ।

[ঘরের মাঠে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে খালিদের ভরসা ‘মেন্টাল গেম’]

ফৈয়াজ নামার পর কিছুটা স্বস্তি পান সোনি। ফলাফল, দুর্ধর্ষ প্লে-মেকারের ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে। গোলও আসে তাঁর পা থেকে। চলতি লিগে ৪ নম্বর গোল করলেন তিনি। ম্যাচের শেষদিকে আরও একটা সুযোগ পেয়েছিলেন সোনি। কিন্তু অল্পের জন্য গোল মিস হয়। সবমিলিয়ে এদিন তিনিই দ্রষ্টব্য ছিলেন। এত কিছু করবেন, তারপর চোট পেলেই অতি উৎসাহী সমর্থকরা তাঁর মুণ্ডপাত করবেন। এসব গা-সওয়া হয়ে গিয়েছে তাঁর। যাঁরা কটাক্ষ করেন তাঁরাও জানেন, সোনি ছাড়া এই দল কতটা সফল হবে তা নিয়ে সন্দেহ আছে। এদিন জিতে ফের পাঁচ নম্বরে উঠে এল মোহনবাগান। 

[সহজ জয় দিয়ে বাগানের ইনিংস শুরু খালিদ জামিলের]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং