Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

মোহনবাগানের আজীবন সদস্যপদ পেয়ে আপ্লুত চুনী-সৌরভরা

প্রয়োজনে ক্লাবকে সাহায্য করতে প্রস্তুত সকলেই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০১৮, ১৩:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০১৮, ১৩:৫৭

options
link
মোহনবাগানের আজীবন সদস্যপদ পেয়ে আপ্লুত চুনী-সৌরভরা zoom

স্টাফ রিপোর্টার: বাড়তি উদ্যোগে পাঁচজনকে আজীবন সদস্যপদ। মোহনবাগান ইতিহাসে প্রথমবার ঘটল এমন ঘটনা। তারপর যেমনটা হওয়া উচিত, তেমনই হল। ভেস পেজ থেকে চুনী গোস্বামী। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় থেকে দেবশংকর হালদার। প্রত্যেকে ভেসে গেলেন আবেগের মহাসাগরে। কারও সঙ্গী বিস্ময়। কেউ অভিভূত। তবে একটা বিষয়ে সবার গলায় এক সুর। এই সদস্যপদকে শুধু অলংকার করে রাখতে নারাজ তাঁরা। ক্লাবের প্রয়োজনে যে কোনও সাহায্য বা কাজ করতে রাজি আজীবন সদস্যরা।

[ জল্পনার অবসান, ঘোষিত হল মোহনবাগান সভাপতির নাম]

Advertisement

যে পাঁচজনকে আগের দিন আজীবন সদস্যপদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে চুনী গোস্বামী পেয়েছেন আরও বড় দায়িত্ব। নতুন কমিটির সহ-সভাপতি তিনি। চুনী বলছিলেন, “আমি ১৯৪৭ থেকে মোহনবাগানের সঙ্গে জড়িত। চুনী গোস্বামী ও মোহনবাগান সমার্থক বলেই মনে করি। তবে ওদের এই সিদ্ধান্ত আনন্দের। সম্মানের। আগেও ফুটবল সচিব, সচিব ছিলাম। ক্লাবের উন্নতিতে যা করার করেছি। এবার সহ-সভাপতি হিসাবে নিজের দায়িত্ব পালন করব।” মোহনবাগান ক্লাবের আর এক আজীবন সদস্য পেয়েছেন অলিম্পিয়ান ভেস পেজ। তিনি এখন মুম্বইয়ের বাড়িতে। ফোনে বলেন, “মোহনবাগানে ১৯৬৭-৬৮ মরশুমে সই করেছিলাম। সেবার ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, টেনিস চারটে টুর্নামেন্টই জিতেছিলাম। শুধু তাই নয়। সেদিন থেকে ১৯৮০ পর্যন্ত লিগ ও বেটন কাপ মিলিয়ে হকিতে ২২টা ট্রফি জিতেছি। তখন হকির জনপ্রিয়তা ছিল ফুটবলের মতোই। ২০-৩০ হাজার দর্শক মাঠে আসতেন। তখন থেকে মোহনবাগানের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক। সেই ক্লাব থেকে এমন সম্মান পাওয়া সৌভাগ্যের। ক্লাবকে সাহায্য করতে পারলে খুশি হব।” মোহনবাগানের পক্ষ থেকে পাওয়া সম্মান প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে চাইলেন না সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। যিনি বেহালার নির্বাচনী প্রচারে ‘সব ভোট টুটু বোস’ স্লোগান তুলেছিলেন। তবে ক্লাবের এই সিদ্ধান্তে অভিভূত, তা জানাতে ভুললেন না স্টার থিয়েটারে সৃঞ্জয় বোসদের হয়ে প্রচার করে যাওয়া প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বলছিলেন, “আমার বাবা ছিলেন মোহনবাগানের অন্ধ ভক্ত। আমিও ফুটবল ভালবাসি। সময়ের অভাবে মাঠে যেতে পারি না। কিন্তু যে সম্মান  টুম্পাইরা দিল, তাতে আমি গর্বিত। চেষ্টা করব ক্লাবের জন্য কিছু করতে।”

ব্যক্তিগত কাজে চেন্নাই গিয়েছেন বর্তমান নাট্য জগতের অন্যতম মুখ দেবশংকর হালদার। তার আগে বলছিলেন, “ঘটি ঘরে জন্মেছি। ছোট থেকে মোহনবাগানকে নিয়ে গর্ব ছিল। যে কোনও অনুষ্ঠানে গিয়ে সবার আগে নিজের পরিচয় এই বলে দিই যে, আমি মোহনবাগানি। তাতে হয়তো অনেকে রাগ করেন। কিন্তু আমি গর্বিত হই। মঞ্চে অভিনয় করার সময় গায়ে যখন সবুজ বা মেরুন রঙের আলো পড়ে, তখন মনে হয়, এইবার অভিনয়টা জমিয়ে হবে। তাহলেই বুঝতে পারছেন মোহনবাগান আমার জীবনে কোন জায়গায়। সেই ক্লাব থেকে এই সম্মান পেয়ে কীভাবে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করব, বুঝতে পারছি না। ক্লাবের স্বার্থে যা করা প্রয়োজন, করব।”

[ এবার লক্ষ্য আই লিগ, বাগান ভোটে জিতে বললেন সচিব টুটু বোস]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.