Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬

ডার্বির রেশ কাটল না বাগানের, গোলশূন্য ড্র মুম্বই ম্যাচও

বুধবার কুপারেজে একগাদা সুযোগ পেয়েও গোলের মুখ খুলতে পারলেন না কাটসুমি, ডাফিরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৭, ১৫:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৭, ১৫:৫০

options
link
ডার্বির রেশ কাটল না বাগানের, গোলশূন্য ড্র মুম্বই ম্যাচও zoom
Advertisement

মুম্বই এফসি- ০

মোহনবাগান- ০

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাদামাটা দল মুম্বই এফসি। দলে থই সিং আর মেহরাজউদ্দিন ছাড়া চেনা কোনও নাম নেই। কিন্তু তাদের ঘরের মাঠে আটকে গেল মোহনবাগান। গোলশূন্য ড্র করে আই লিগের শীর্ষে থাকা ইস্টবেঙ্গলের থেকে তিন পয়েন্ট পিছনেই থাকল কোচ সঞ্জয় সেনের দল। সেই পুরনো আটকে যাওয়ার রোগ শুরু হল বাগানের। বুধবার কুপারেজে একগাদা সুযোগ পেয়েও গোলের মুখ খুলতে পারলেন না কাটসুমি, ডাফিরা। সোনি প্রচুর চেষ্টা করলেন বটে। একটি জোরাল শটে মুম্বইয়ের গোলকিপার কাট্টিমানিকে প্রায় পরাস্ত করে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু ভাগ্যের ফের। গোল এল না। উপরন্তু মুম্বইয়ের থই সিংয়ের কাঁধে লেগে একটি শট বাগান গোলকিপার দেবজিতকে দাঁড় করিয়ে রেখে গোলে ঢুকে গেলেও অফসাইডের জন্য বাতিল হয়ে যায় তা। এখানেও সেই লাক ফ্যাক্টর। মোটের উপর দুই দলই ভাগ্যবান থাকল ম্যাচের শেষে। কোনও দলই গোল খেল না। কিন্তু গোলের সুযোগ পেয়ে কাজেও লাগাতে পারল না কেউই। শেষপর্যন্ত গোলশূন্য ম্যাচে দুই দলই এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ল।

এদিন আরেক ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল লাজংয়ের কাছে আটকে যাওয়ার খবর নিশ্চয়ই কানে গিয়েছিল বাগান কোচ সঞ্জয় সেনের। ডার্বি ম্যাচ গোলশূন্য শেষ হয়েছিল। তাই এদিন জেতার জন্য মুখিয়ে ছিলেন তিনি। কে জানত, এই ম্যাচও গোলশূন্য ফলেই শেষ হবে। এদিন প্রথম থেকে জেজেকে না খেলিয়ে আজহারউদ্দিন মল্লিককে খেলিয়ে ছিলেন সঞ্জয়। তবে লাভ হয়নি কোনও। বরাবরের মতো এদিনও মাঝমাঠ থেকে প্রচুর বল সাপ্লাই দিলেন জাপানি মিডিও কাটসুমি। সোনি বেশ কয়েকবার মুম্বইয়ের ডিফেন্স ভেঙে আক্রমণ শানালেন। তবে তাও নিষ্ফলা গেল। প্রথমার্ধের ১৯ মিনিটের মাথায় বাগান গোলমুখী একটি শট মুম্বইয়ের থই সিংয়ের কাঁধে লেগে জড়িয়ে যায় জালে। দেবজিতকে নড়তে দেয়নি সেই শট। কিন্তু রেফারি সেই গোল বাতিল করে দেন। সেই শুরু। এরপর বেশ কয়েকবার বাগানের ডিফেন্সে আক্রমণ হানে মুম্বই। একসময় আক্রমণের ঝাঁজে দিশেহারা লাগছিল এডুয়ার্ডোদের। বাগানও পাল্টা আক্রমণ থেকে বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধ ছিল কিন্তু বাগানের দখলে। সবুজ-মেরুন শিবিরের একের পর এক প্রয়াস বিফলে যায়। ৪৮ মিনিটে আজহারউদ্দিনকে তুলে বলবন্তকে নামান সঞ্জয়। তারপর ৭২ মিনিটে মিডিও সৌভিককে তুলে জেজেকে নামাতে বাধ্য হন তিনি। গোল পাওয়ার আশায়। কিন্তু সে গুঁড়ে বালি। গোল আসেনি। ম্যাচের শেষ লগ্নে প্রচুর সুয়োগ তৈরি করে সোনি-কাটসুমি-ডাফি ত্রয়ী। তবুও গোলের মুখ খোলা যায়নি। পরপর দুটি ম্যাচে গোলশূন্যভাবে শেষ করল বাগান। তা বেশ চিন্তায় রাখল সঞ্জয় সেনকে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.