ইস্টবেঙ্গল-১ (আদিলেজা)
থ্রি স্টার নেপাল- ২ (দেবেন্দ্র, বিমল)
স্টাফ রিপোর্টার: অতিরিক্ত সময়ের খেলা চলছে৷ গুয়াহাটিতে তখন বিজয় উৎসবের আমেজ৷ সকলে ধরেই নিয়েছেন আদিলেজার গোলে ইস্টবেঙ্গল জিতছে৷ ঠিক সেই সময় সকলকে অবাক করে গোল দিয়ে গেলেন দেবেন্দ্র তামাং৷ দূরপাল্লার শট ছিল দেবেন্দ্রর৷ গ্রিপ করতে ব্যর্থ হলেন গোলকিপার দিব্যেন্দু৷ সেই বল জড়িয়ে গেল জালে৷ এতক্ষণ শেষ প্রহরী হয়ে বারবার নেপালিদের আক্রমণকে তিনি একাই রুখে গিয়েছেন৷ অথচ আসল সময়ে ব্যর্থ৷ অতিরিক্ত সময়ের খেলায় যখন নেপালের বিমল মগড় গোল করে গেলেন, তখন পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে ইস্টবেঙ্গল৷ শেষ ন’মিনিট তো আবার দু’দল দশজনে খেলে৷ ইস্টবেঙ্গলের সামাদ দেখলেন লালকার্ড৷
অন্যান্য দিনের মতো আশানুরূপ খেলতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল৷ বরং আক্রমণ বেশি শানিয়ে গিয়েছে নেপালিরা৷ শুরু থেকেই তারা লাল-হলুদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে৷ দিব্যেন্দুর ব্যস্ততা ছিল অনেক বেশি৷ সেই তুলনায় নেপাল দলের গোলকিপার অ্যালানকে তেমন কঠিন মোকাবিলা করতে হয়নি৷ যেটুকু ইস্টবেঙ্গল আক্রমণ করেছে তার মাধ্যম ছিল সামাদ-ডং জুটি৷ ইস্টবেঙ্গল প্রথম গোল করে এগিয়ে যায় খেলার গতির বিপরীতে৷ গোলটি করলেন আদিলেজা৷ জিতেনের সেণ্টারে হেডে গোল করে যান তিনি৷ নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হতে তখন খুব বেশি হলে মিনিট ছ’য়েক বাকি৷ অথচ সেই গোলটাই ধরে রাখতে পারল না ইস্টবেঙ্গল রক্ষণ৷ সারা টুর্নামেণ্টে এই একটা দলই ছিল শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী৷ দলে সাতজন ছিল নেপাল জাতীয় দলের ফুটবলার৷ তিনজন বিদেশি৷ অথচ সেই দলটার বিরুদ্ধে নিজেদের মেলে ধরতে পারল না লাল-হলুদ৷ ধারে-ভারে ১২০ মিনিট ধরে প্রমাণ করে গেল কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়নদের থেকে তারাই এগিয়ে৷ তবে এটাও মানতে হবে, ইস্টবেঙ্গল ভাঙা দল নিয়ে গিয়েছিল গুয়াহাটি৷ প্রথম একাদশের অনেকেই ছিলেন না৷ মূলত অ্যাকাডেমির ছেলেদের নিয়ে পুরো টুর্নামেণ্ট লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন কোচ রঞ্জন চৌধুরি৷ ফাইনালেও এমন সময় এগিয়ে গিয়েছিল, যেখান থেকে অভিজ্ঞ দলের হেরে ফিরে আসার কথা নয়৷ এই অভিজ্ঞতারই অভাব ছিল ইস্টবেঙ্গলে৷ ফলে তীরে এসে তরী ডুবে গেল৷ পাঁচবার বরদলুই জেতার রেকর্ড ছিল ইস্টবেঙ্গলের৷ সেই রেকর্ডেই আটকে রইল তারা৷ শেষ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ’৯২-তে৷ ২৩ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ এসছিল৷ সেটা আর হয়ে উঠল না ইস্টবেঙ্গলের৷
সর্বশেষ খবর
-
‘নন্দীগ্রাম-হলদিয়া ব্রিজে প্রথম আমার গাড়ি নিয়ে যাব’, শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্যে কল্পতরু ‘ঘরের ছেলে’ শুভেন্দু
-
‘পথে হোক বা পেটে, তোকে মরতে দেব না’, অনির্বাণকে ভরসা জোগান দেব, ‘হিটলার’ বলে খোঁচা কাকে?
-
ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক মোদির, কথা পুতিনের সঙ্গেও, বিশকেকে আমেরিকাকে ‘তৃতীয় অক্ষে’র বার্তা দিল্লির!
-
ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান একসুর! চাপের মুখে পরিকাঠামো নিয়ে সাফাই দিল এশিয়াড আয়োজকরা
-
‘এই ম্যাচিওরিটি তখন থাকলে আমরা আলাদা হতাম না,’ দেবের কথা শুনেই শুভশ্রী…