Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬

পদকের রং সোনালি করে ইতিহাস গড়তে বদ্ধপরিকর সিন্ধু

এবারের মতো তাই ব্রোঞ্জ পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল সাইনাকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১৮:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১৮:০৮

options
link
পদকের রং সোনালি করে ইতিহাস গড়তে বদ্ধপরিকর সিন্ধু zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার গ্লাসগোর কোর্টে কি ফিরবে রিওর স্মৃতি, নাকি তৈরি হবে নয়া ইতিহাস? এর উত্তর পাওয়ার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন পিভি সিন্ধুর ভক্তরা। অলিম্পিকে রুপো পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল হায়দরাবাদি তারকাকে। কিন্তু বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা ছাড়া কিছুই ভাবছেন না সিন্ধু।

 

Advertisement

ভারতীয় সময় গভীর রাতে খেলা শেষ হয়। আর তারপর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছার বন্যা। ভারতীয় রুপোলি কন্যার পাশে যে রয়েছেন, তা আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন তাঁর অগুনতি সমর্থক। বিশ্ব ব্যাডমিন্টন মঞ্চে দুবারের ব্রোঞ্জজয়ী সিন্ধু এবারের চ্যাম্পিয়নশিপ শুরুর আগে জানিয়েছিলেন, এ বছর পদকের রং বদলে ফেলতে মরিয়া তিনি। তাঁর উপর ভরসা করে ছিলেন দেশবাসীও। শনিবার সেমিফাইনালে চিনা প্রতিদ্বন্দ্বী সেন উফেইকে স্ট্রেট গেমে উড়িয়ে দিয়ে সত্যিই নিজের কথা রাখলেন বিশ্বের চার নম্বর সিন্ধু। তাঁর পক্ষে ম্যাচের ফল ২১-১৩, ২১- ১০। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা শাটলার ম্যাচ জয়ের পর বলছেন, “ম্যাচটা একেবারেই সহজ ছিল না। সেন খুবই ভাল খেলছিল। কিন্তু ওর শটের পালটা দিতে নিজেকে প্রস্তুত রেখেছিলাম। দ্বিতীয় গেমে তিন পেয়ন্ট বাঁচাতে ঝাঁপিয়েছিল সেন। তা সত্ত্বেও ম্যাচ বের করতে সফল হই। আর পরিস্থিতি নিজের পক্ষে গেলে স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।” এই নিয়ে ষষ্ঠবার চিনা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিজের দাপট বজায় রাখলেন তিনি।

[ঘোষিত হল ইস্ট-মোহন ডার্বির দিন, জেনে নিন কবে কোথায় খেলা]

রবিবার চূড়ান্ত লড়াই। প্রতিপক্ষ জাপানি নোজোমি ওকুহারা। যাঁকে রিও অলিম্পিকের শেষ চারে পরাস্ত করেছিলেন সিন্ধু। পরিসংখ্যান বলছে, টক্কর সেয়ানে-সেয়ানে। কারণ দুজনেই পরস্পরের সঙ্গে সাক্ষাতে তিনটি করে ম্যাচ জিতেছেন। সোনালি না রুপোলি? সিন্ধুর মনের অবস্থাটা এখন ঠিক কেমন? ভারতীয় শাটলার নির্দ্বিধায় বলে দিচ্ছেন, “এমন বড় মঞ্চে দেশের জন্য পদক জিততে পারলে দারুণ একটা অনুভূতি হয়। আর ফাইনালে পৌঁছে গেলে সোনা জয় ছাড়া কিছু ভাবাই যায় না। নিজের সর্বোস্ব দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ারই চেষ্টা করব।” তবে রিওর সঙ্গে এই মঞ্চকে গুলিয়ে ফেলে ওকুহারার বিরুদ্ধে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে চান না তিনি। ফাইনাল ম্যাচকে তাই অগ্নিপরীক্ষা হিসেবেই দেখছেন সিন্ধু।

[OMG! রিয়াল মাদ্রিদে সই করছেন মেসি?]

এদিকে সিন্ধুর নজির গড়ার দিন জাপানি তারকার কাছে মুখ থুবড়ে পড়লেন আরেক হায়দরাবাদি সাইনা নেহওয়াল। ফাইনালে সিন্ধুর প্রতিপক্ষ ওকুহারাই সাইনাকে শেষ চারে মাটি ধরান। এবারের মতো তাই ব্রোঞ্জ পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল সাইনাকে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.