Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
ক্যানসার

বিশ্বের দরবারে ফের সেরা বাঙালি, ক্যানসারকে হারিয়ে সোনা জয় শ্রীরামপুরের খুদের

মস্কোয় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টেবিল টেনিসে সোনা জয় শ্রীরামপুরের অরণ্যতেশের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৯, ১১:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৯, ১১:২৭

options
link
বিশ্বের দরবারে ফের সেরা বাঙালি, ক্যানসারকে হারিয়ে সোনা জয় শ্রীরামপুরের খুদের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বিশ্বের দরবারে বাংলা তথা দেশের মাথা উঁচু করল এক বাঙালি খুদে। ক্যানসারকে হারিয়ে বিশ্বমঞ্চে টেবিল টেনিসে সোনা জয় শ্রীরামপুরের অরণ্যতেশের। আট বছরের বিস্ময় বালক সম্প্রতি মস্কোতে আয়োজিত ওয়ার্ল্ড চিলড্রেনস উইনার্স গেমসে গোটা দুনিয়াকে তাক লাগিয়ে টেবিল টেনিসে সোনা জিতেছে। কর্কটরোগের সঙ্গে লড়াই করে ইচ্ছাশক্তির অনন্য নজির স্থাপন করেছে অরণ্যতেশ গঙ্গোপাধ্যায়।

সম্প্রতি, জুলাই মাসের ৪-৭ তারিখ পর্যন্ত মস্কোতে আয়োজিত এই গেমসে ক্যানসার যোদ্ধাদের নিয়ে প্রতিযোগিতা হয়। সেখানেই দেশের হয়ে গৌরবগাথা রচনা করেন অরণ্যতেশ। বিস্ময় বালকের মা কাবেরী বলেছেন, ‘প্রতিযোগিতায় খেলতে যাবে বলে খুবই উচ্ছ্বসিত ছিল অরণ্যতেশ। নিজের রোগের কথা ভুলে খেলায় চূড়ান্ত মনোযোগ দিয়েছিল সে। এখন সে বিশ্বজয়ের আনন্দে মাতোয়ারা।’ মস্কোতে এই প্রতিযোগিতায় ছোটদের জন্য খেলাগুলি ছিল সেগুলি হল, ট্র্যাক এন্ড ফিল্ড, ফুটবল, দাবা, টেবিল টেনিস, সাঁতার এবং রাইফেল শুটিং। মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে অরণ্যের চিকিৎসা চলছে। সেখানকারই এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, ভারতের ১০ জন খুদের মধ্যে অরণ্যতেশই এই চমৎকার করে দেখিয়েছে। আর বাংলা থেকে সে একমাত্র প্রতিযোগী ছিল। ছ’টি খেলাই অত্যন্ত পারদর্শিতার সঙ্গে খেলেছে অরণ্যতেশ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: টানা ১১ ম্যাচ জয়, বক্সিং রিংয়ে ফিরেই স্বমহিমায় বিজেন্দর সিং]

২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে লিউকিমিয়া ধরা পড়ে অরণ্যতেশের। মুম্বইতে ১১ মাসের জন্য থাকতে হয়েছিল তাকে। কেমোথেরাপির পর ২০১৮ সালে ক্যানসার যুদ্ধে জয়ী হয় সে। তবে সম্পূর্ণ সেরে এখনও সে ওঠেনি। নিয়মিত চিকিৎসা চলছে তার। গর্বিত মা কাবেরীদেবী বলেছেন, ‘গত দু’মাস ধরে কঠিন কসরত করেছে ছেলে। সকাল সাড়ে পাঁচটা থেকে শুরু হত ওর দিন। ৬টা থেকে দেড় ঘণ্টা চলত ট্র্যাক এবং ফুটবল প্র্যাকটিস। আর তারপরেই সাঁতার, দাবা এবং টেবিল টেনিস খেলত। সন্ধে বেলায় শ্যুটিং ক্লাসে যেত অরণ্য।’ শ্যুটিং ক্লাসে যাওয়ার জন্য প্রতিদিন শ্রীরামপুর থেকে ভদ্রেশ্বর যাওয়া আসা করত সে। তার শ্যুটিং কোচ পঙ্কজ পোদ্দার বলেন, ‘অরণ্যতেশ আসলে ভগবানের উপহার। ও যে ধরনের শান্ত ছেলে আর খেলার প্রতি ওর মনোনিবেশ দেখে মাঝেমধ্যে আমিই অবাক হয়ে যাই। আমরা পরবর্তী কালেও ওকে ট্রেনিং দিয়ে যেতে চাই।’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.