Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Boxing

নাবালিকা বক্সারকে যৌন হেনস্তা! কাঠগড়ায় জাতীয় বক্সিং অ্যাকাডেমির মহিলা কোচ

নিগৃহীতার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মানসিক ও শারীরিক হেনস্তায় তাঁদের মেয়ে ভেঙে পড়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৫, ১৩:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৫, ১৩:৪০

options
link
নাবালিকা বক্সারকে যৌন হেনস্তা! কাঠগড়ায় জাতীয় বক্সিং অ্যাকাডেমির মহিলা কোচ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যৌন হেনস্তার অভিযোগ স্পোর্টস অথোরিটি অফ ইন্ডিয়ার জাতীয় বক্সিং অ্যাকাডেমির এক মহিলা কোচের বিরুদ্ধে। অভিযোগটি এনেছে রোহতাকের ওই অ্যাকাডেমিরই এক নাবালিকা বক্সার। নিগৃহীতার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মানসিক ও শারীরিক হেনস্তার ফলে তাঁদের মেয়ে ভেঙে পড়েছে।

বক্সিং ফেডারেশন ও সাইয়ের তরফ থেকে নিশ্চিত করা হিয়েছে, ১৭ বছর বয়সি ওই নাবালিকাকে ভয় দেখানো ও শারীরিকভাবে হেনস্তার অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তবে তাদের বক্তব্য, এফআইআরে যৌন নির্যাতনের কথা নেই। তবে দুই সংস্থারই বক্তব্য, অন্তর্বর্তী তদন্তে কোচের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জাতীয় ক্যাম্পে তিনি এখনও উঠতি বক্সারদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।

Advertisement

তবে রোহতাক পুলিশ স্টেশনে যে এফআইআর করা হয়েছে, তাতে ওই কোচের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আছে। জোর করে নাবালিকা বক্সারের পোশাক খুলে দেওয়া, চড় মারা, কেরিয়ার শেষ করে দেওয়ার হুমকি ও সকলের সামনে ‘দুশ্চরিত্র’ বলে আক্রমণ করার অভিযোগ রয়েছে। ভারতীয় ন্যায়সংহিতার ১১৫ ও ৩৫১ (৩) ধারা ও পকসো আইনের ১০ নং ধারা অনুযায়ী অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সাইয়ের তরফ থেকে বলা হয়েছে, তারা তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন। তবে তারা জানিয়েছে, আয়ারল্যান্ডে একটি টুর্নামেন্ট চলাকালীন এই অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু এই অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই। আবার, সাইয়ের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট ওই নাবালিকার পরিবার। তাঁদের তরফ থেকে বলা হয়েছে, “ছেলেদের সঙ্গে কথা বলায় আমাদের মেয়েকে সবার সামনে অপমান করা হয়। আমাদের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। পরে ওর ঘরে ঢুকে হেনস্তা করা হয়।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.