সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সদ্যসমাপ্ত প্যারিস অলিম্পিকে সোনা জেতা হয়নি নীরজ চোপড়ার। দেশবাসী আশা করেছিলেন টোকিও অলিম্পিকের স্মৃতি ফিরিয়ে আনবেন ‘সোনার ছেলে’। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রুপো পেয়েছিলেন তিনি। অলিম্পিকের ফাইনালে ৮৯.৪৫ মিটার জ্যাভলিন ছুড়েছিলেন নীরজ। তার পরই নতুন লক্ষ্য স্থির করেছিলেন তিনি। কিন্তু লুসানের ডায়মন্ড লিগ মিটে অংশ নিয়ে দ্বিতীয় হলেন ভারতীয় তারকা। মরশুমের সেরা থ্রো ৮৯.৪৯ মিটার ছুড়েও ডায়মন্ড লিগে সেরা হতে পারলেন না তিনি।
প্যারিস অলিম্পিকে রুপো পাওয়ার পর শোনা গিয়েছিল নীরজের চোট রয়েছে। তাঁর অস্ত্রোপচার হতে পারে। চোট থাকলেও ভারতীয় তারকা মরশুমটা ভালোভাবেই শেষ করতে চান। যে কারণে সুইজারল্যান্ডে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানেও প্রথম হতে পারলেন না তিনি। নীরজ সবচেয়ে বেশি ছোড়েন ৮৯.৪৯ মিটার। সেই লড়াইয়ে ছিল বহু চেনা মুখও। যাঁদেরকে অলিম্পিকে জ্যাভলিন ছুড়তে দেখা গিয়েছিল।
[আরও পড়ুন: জর্জিনার সঙ্গে বিয়ে সেরে ফেলেছেন রোনাল্ডো! ইউটিউবে সিআর৭-এর ইঙ্গিতে শুরু নতুন জল্পনা]
তাঁদের মধ্যে ছিলেন গ্রেনাডার অ্যান্ডারসন পিটারস। যিনি প্যারিস অলিম্পিকে ৮৮.৫৪ মিটার জ্যাভলিন ছুড়ে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। ডায়মন্ড লিগে তিনিই প্রথম হলেন। ছুড়লেন ৯০.৬১ মিটার। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন আরেক অলিম্পিয়ান ইয়াকুব ভাদলেচ। তবে এখানে অংশগ্রহণ করেননি পাকিস্তানের সোনাজয়ী জ্যাভলিন থ্রোয়ার আরশাদ নাদিম।
[আরও পড়ুন: প্রথমবার লর্ডসে মহিলাদের টেস্ট, ঐতিহাসিক ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি ভারত]
তবে এখানেই লক্ষ্যপূরণের আশা শেষ হচ্ছে না নীরজের। এর পর সেপ্টেম্বরে ব্রাসেলসে মরশুমের শেষ ডায়মন্ড লিগে নামবেন তিনি। তার পরই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নীরজ। ফলে লুসানের পর দেশবাসীর নজর থাকবে সেখানেই। ব্রাসেলসে নীরজ নতুন কীর্তি গড়তে পারেন কিনা, সেই দিকে তাকিয়ে থাকবে ভক্তরা।
সর্বশেষ খবর
-
‘বাস্তবতা বদলানো যায় না’, এলএসি সংলগ্ন ২৭টি এলাকার নামবদলে চিনকে কড়া বার্তা ভারতের
-
দলের স্ট্র্যাটেজিতে হাত নেই, কাজ শুধু টিকিট বুকিং! ফেডারেশনকে বিঁধে বাজাজ বললেন, ‘শেম অন ইউ’
-
নেতাজির নামে বিধায়ক সেবা কেন্দ্র, বির্তকের মাঝেই বড় ঘোষণায় ‘মাস্টারস্ট্রোক’ মুখ্যমন্ত্রীর
-
জাতীয় সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে সিকিমের একমাত্র মেয়ে, বাইচুং কন্যাই যেন শিবরাত্রির সলতে
-
আন্তর্জাতিক যুব দিবস: সাফল্যের দৌড়ে হাঁপিয়ে উঠছে তরুণ মন! কেন দরকার ‘ইমোশনাল সেফটি’?