Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Pakistan

সত্যি বলার শাস্তি! বিদেশের হোটেলে বাসন মাজার কথা ফাঁস করতেই নির্বাসিত পাক অধিনায়ক

Pakistan Captain Controversy: বিদেশে গিয়ে দলের বেহাল দশা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। সেই সত্যি কথা বলার 'শাস্তি' পেলেন পাক অধিনায়ক। পাক প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত শুরু হতেই দীর্ঘদিনের জন্য নির্বাসিত হলেন তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৫:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৫:২৮

options
link
সত্যি বলার শাস্তি! বিদেশের হোটেলে বাসন মাজার কথা ফাঁস করতেই নির্বাসিত পাক অধিনায়ক zoom
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত
Advertisement

বিদেশে গিয়ে দলের বেহাল দশা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। সেই সত্যি কথা বলার ‘শাস্তি’ পেলেন পাক অধিনায়ক। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের জাতীয় হকি দলের অধিনায়ক আম্মাদ বাটকে দুই বছরের জন্য নির্বাসিত করা হয়েছে। বিতর্কের আবহে ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন পাকিস্তানের হকি ফেডারেশনের কর্তা তারিক বুগতি। গোটা বিতর্কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তারপরেই নির্বাসিত করা হল জাতীয় দলের অধিনায়ককে।

ঠিক কী দোষে শাস্তি পেলেন আম্মাদ? আসলে এফআইএইচ প্রো লিগের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচ খেলতে অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিল পাকিস্তানের হকি দল। আয়োজক দেশের কাছে হেরেও যায় পাক বাহিনী। কিন্তু মাঠের বাইরেও বড়সড় লজ্জার মুখে পড়েন পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা। হকি ফেডারেশন টাকা না দেওয়ায় হোটেলের বুকিং ক্যানসেল করে দেয়। তার জেরে ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা অসহায়ের মতো লাগেজ নিয়ে পাক খেলোয়াড়রা রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে হয়। সঙ্গে বাসনও পর্যন্ত মাজতে হয়েছে তাঁদের।

Advertisement

বিদেশ সফর থেকে ফিরেই হকি ফেডারেশনের উপর ক্ষোভ উগরে দেন আম্মাদ। বলেন, “১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা ধরে অসহায় মানুষের মতো ঘুরে বেড়াতে হয়েছিল। কেউ আমাদের দিকে ফিরেও তাকায়নি। হোটেল ছিল না। সময়মতো খাবারও দেওয়া হয়নি।” এরপর ফেডারেশনের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বাট বলেন, “অনেক হয়েছে। ফেডারেশনের এখনকার কর্তাদের সঙ্গে আমাদের কাজ করা অসম্ভব।” আম্মাদ জানান, এই ইস্যুতে মুখ খুললে খেলোয়াড়দের শাস্তি দেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছিল ফেডারেশন।

আম্মাদের আশঙ্কা সত্যি করেই তাঁর উপর খড়্গহস্ত হল পাক হকি ফেডারেশন। বৃহস্পতিবার ফেডারেশন জানিয়েছে, আম্মাদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। সেকারণেই দুই বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হল অধিনায়ককে। হকি ফেডারেশনের সদ্য পদত্যাগ করা কর্তা তারিক বুগতি জানিয়েছেন, দলের সদস্যদের জন্য সমস্ত পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু আর্থিক সমস্যা কেন হল, সেই নিয়ে তদন্ত চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানিয়েছিলেন। তারপরেই শাস্তির কোপ পাক অধিনায়কের উপরে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.