সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কুস্তিগিরদের আন্দোলনের জন্যই অলিম্পিকের (Paris Olympics 2024) প্রস্তুতি বিঘ্নিত হয়েছে। এবং সেই কারণেই প্যারিসে প্রত্যাশিত ফলাফল পাওয়া যায়নি। আসেনি পদকও। প্যারিস অলিম্পিকের কুস্তিতে আশানুরূপ ফলাফল না হওয়ার পিছনে এই কারণেরই উল্লেখ করেছেন কুস্তি ফেডারেশনের প্রধান সঞ্জয় সিং। ভারত ছজন কুস্তিগিরকে পাঠিয়েছিল অলিম্পিকে।
তাঁদের মধ্যে মাত্র একজনই পদক পান। তিনি আমন শেহরাওয়াত। ৫৭ কেজি বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক পান ভারতীয় কুস্তিগির। প্যারিসে ভারতীয় কুস্তিগিরদের ব্যর্থতার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কুস্তি ফেডারেশনের প্রধান সঞ্জয় সিং বলেছেন, ”১৪-১৫ মাস ধরে কুস্তিগিরদের আন্দোলন চলেছে। গোটা কুস্তি সমাজ এর ফলে বিব্রত ছিল। কোনও একটি বিভাগ নয়, অন্য বিভাগের কুস্তিগিররাও ব্যর্থ হয়েছে। ভালো করে প্রস্তুতিটাও নিতে পারেনি ওরা। এই কারণেই কুস্তিগিররা ভালো পারফরম্যান্স তুলে ধরতে পারেননি প্যারিসে।”
[আরও পড়ুন: আনোয়ারকে লাল-হলুদ উত্তরীয় পরিয়ে দিলেন লিয়েন্ডার, ডার্বি জেতার কথা বললেন ডিফেন্ডার]
কুস্তি ফেডারেশনের প্রাক্তন প্রধান ব্রিজভূষণ শরণ সিংয়ের পরিবর্তে চেয়ারে বসেছেন সঞ্জয় সিং। প্যারিসে আমন শেহরাওয়াত পদক পেলেও দেশের মন জিতে নিয়েছেন ভিনেশ ফোগাট। ৫০ কেজি বিভাগে ভিনেশ ফোগাট তিনজন কুস্তিগিরকে মাটি ধরিয়ে ফাইনালের ছাড়পত্র জোগাড় করেছিলেন। সেই সঙ্গে রুপোর পদক নিশ্চিত করেছিলেন। কিন্তু ফাইনালে নামার আগে দেখা যায় ভিনেশ ফোগাটের ওজন নির্দিষ্ট ওজনের থেকে একশো গ্রাম বেশি। ফলে ফাইনালে নামতে পারেননি তিনি। তাঁর হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হয় রুপোর পদকও। সেই নিয়ে ক্রীড়া আদালতের দ্বারস্থ হন ভিনেশ। রায়দান বিলম্বিত হয়। আগামী শুক্রবার রায় দানের কথা ক্রীড়া আদালতের। গোটা দেশ ভিনেশের রায়ের দিকে তাকিয়ে।
[আরও পড়ুন: রায়দান বিলম্বিত হওয়ায় সুবিধা পাবেন ভিনেশই, জানিয়ে দিলেন তারকা কুস্তিগিরের আইনজীবী]
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে স্বস্তির জয় মেসিহীন আর্জেন্টিনার, জিতলেও চোট চিন্তায় ব্রাজিল
-
বনগাঁ কাণ্ডে বারবার সমনেও গরহাজির! ‘ভুয়ো খবর’-এ আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মিমির
-
মধ্যরাতে মদন মিত্রের গাড়িতে হামলা, ছোঁড়া হল ডিম! বললেন, ‘মৃত্যুকে অনেক কাছ থেকে দেখলাম’
-
তালশাঁস তো ঢের খেয়েছেন, কিন্তু লস্যি থেকে পায়েস, সেরা ৩ সুস্বাদু রেসিপি জানেন?
-
‘বেকার বলে স্ত্রী, সন্তানের দায়িত্ব এড়াতে পারেন না স্বামী’, বলল দিল্লি হাই কোর্ট