Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Manika Batra

সৌম্যদীপ ম্যাচ হারতে বলেছিলেন! বাঙালি কোচের বিরুদ্ধে গড়াপেটার অভিযোগ মণিকা বাত্রার

তাঁর কাছে ঘটনার প্রমাণও রয়েছে বলে দাবি মণিকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২১, ২২:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২১, ২২:৪৪

options
link
সৌম্যদীপ ম্যাচ হারতে বলেছিলেন! বাঙালি কোচের বিরুদ্ধে গড়াপেটার অভিযোগ মণিকা বাত্রার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টোকিও অলিম্পিকের (Tokyo Olympics 2020) মঞ্চে নেমে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন টেবিল টেনিস তারকা মণিকা বাত্রা। আর এবার তিনি কাঠগড়ায় তুললেন জাতীয় টেবিল টেনিস দলের বাঙালি কোচ সৌম্যদীপ রায়কে। তাঁর বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার মতো বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন মণিকা।

মণিকার অভিযোগ, চলতি বছর মার্চ মাসে অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন পর্বের একটি ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন সৌম্যদীপ (Soumyadip Roy)। আর ঠিক এই কারণেই টোকিওতে তিনি জাতীয় দলের কোচের তত্ত্বাবধানে খেলতে রাজি হননি। নিজের ব্যক্তিগত কোচকে সঙ্গে নিয়েই প্র্যাকটিস সেরেছিলেন। তবে অলিম্পিকের নিয়ম অনুযায়ী, টিম হিসেবে প্রতিযোগিতায় অংশ নিলে ব্যক্তিগত কোচ ম্যাচের সময় পরামর্শ দিতে পারেন না। তাই সাইড লাইনে কোনও কোচের উপস্থিতি ছাড়া একাই খেলতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। কিন্তু তাঁর নেপথ্যে যে এমন কোনও কারণ লুকিয়ে, এ অভিযোগ এর আগে তোলেননি মণিকা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: Tokyo Paralympics 2020: তিরন্দাজিতে ইতিহাস গড়ে দেশকে পদক এনে দিলেন হরবিন্দর]

কেন সৌম্যদীপের তত্ত্বাবধানে অলিম্পিকে খেলতে চাননি? এই প্রশ্ন তুলে মণিকাকে শোকজ করেছিল জাতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন (TTFI)। তারই উত্তরে মণিকা লেখেন, “এ বছরের মার্চে দোহায় অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জনের প্রতিযোগিতায় আমায় চাপ দিয়ে ওঁর ছাত্রীর বিরুদ্ধে ম্যাচ ছেড়ে দিতে বলেছিলেন জাতীয় কোচ। যাতে ওঁর ছাত্রী অলিম্পিকে খেলা যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। সেই জন্যই অলিম্পিকে যাতে শেষ মুহূর্তে মনোযোগ হারিয়ে না ফেলি, তাই জাতীয় কোচকে ছাড়াই খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।”

তিনি আরও জানান, “আমার কাছে এই অভিযোগের প্রমাণ আছে। যথাসময়ে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তা জমাও দেব। ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার জন্য আমার হোটেলের ঘরে এসে অন্তত ২০ মিনিট কথা বলেছিলেন আমাদের জাতীয় কোচ। অন্যায়ভাবে নিজের ছাত্রীকে তুলে ধরতে চাইছিলেন। এমনকী সে সময় ছাত্রীটিও তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিল। জাতীয় কোচের অ্যাকাডেমিতেই অনুশীলন করে সে। কিন্তু সে প্রস্তাবে আমি রাজি হইনি। ফেডারেশনের এক আধিকারিককে পুরো বিষয়টা জানিয়েছিলাম। কোচের চাপে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছিলাম। সেই কারণেই অলিম্পিকে ওঁকে ছাড়া নামি।” এবার এ নিয়ে সৌম্যদীপ রায় কী প্রতিক্রিয়া দেন, সেদিকেই তাকিয়ে ক্রীড়ামহল।

[আরও পড়ুন: Cristiano Ronaldo: রোনাল্ডোকে ৭ নম্বর জার্সি উপহার দিতে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ ম্যান ইউর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.