অতীতে মনু ভাকেরের মতো অলিম্পিক পদকজয়ী উঠে এসেছেন। কমনওয়েলথ গেমস, এশিয়াড থেকেও পদক এসেছে। সেই খেলো ইন্ডিয়া প্রকল্প নিয়ে বড়সড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। রবিবার বাজেট পেশের সময় তিনি জানান, খেলো ইন্ডিয়া মিশন শুরু করতে চলেছে কেন্দ্র। আগামী ১০ বছর ধরে চলবে এই মিশন। খেলার দুনিয়ায় নতুন তারকা তুলে আনাই শুধু নয়, কর্মসংস্থানও বাড়বে এই মিশনের মাধ্যমে। সেই সঙ্গে ক্রীড়াক্ষেত্রে ৪৪৭৯.৮৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বাজেটে।
এই বিষয়ে আরও খবর
মনু ভাকের, সৌরভ চৌধুরী, অংশু মালিকের মতো অ্যাথলিটরা উঠে এসেছেন কেন্দ্রের খেলো ইন্ডিয়া প্রকল্প থেকে। অলিম্পিকে জোড়া পদক জিতেছেন মনু। সৌরভ-অংশুদের ঝুলিতে রয়েছে কমনওয়েলথ গেমস পদক। বাজেট ভাষণে নির্মলা বলেন, “ভারত এখন কেবল অংশ নেওয়ার জন্য খেলতে যায় না। বরং ক্রীড়াদুনিয়ায় পাওয়ার হাউস হয়ে উঠেছে। এখন খেলার অর্থ স্রেফ পদক জয় নয়, খেলার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আর্থিক বৃদ্ধিও। খেলায় রয়েছে প্রচুর কর্মসংস্থান।”
অর্থমন্ত্রী জানান, “খেলো ইন্ডিয়া প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করা হচ্ছে ইতিমধ্যেই। সেখান থেকেই আমি আগামী ১০ বছরের জন্য খেলো ইন্ডিয়া মিশন চালুর প্রস্তাব করছি। এই মিশনের মাধ্যমে আগামী ১০ বছরে ভারতের ক্রীড়া সংস্কৃতি একেবারে বদলে যাবে।” নির্মলার ইঙ্গিত, এই মিশনের মাধ্যমে বাড়বে বহু কর্মসংস্থান। অ্যাথলিটদের কোচ, চিকিৎসক, স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত গবেষক, ম্যানেজার, ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক-এমন নানা ক্ষেত্রেই বাড়বে বিপুল কর্মসংস্থান।
২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের জন্য বহুদিন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত। ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজিত হবে আহমেদাবাদে। ক্রীড়ামহলের অনুমান, অলিম্পিক আয়োজনের বিডকে মাথায় রেখেই ১০ বছরের মিশন ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। খেলার পরিকাঠামোর উন্নতি থেকে শুরু করে ক্রীড়াক্ষেত্রের মানোয়ন্নন, সমস্ত কিছুই থাকবে এই মিশনের আওতায়। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ক্রীড়া সরঞ্জাম তৈরির ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বের সেরা হয়ে উঠতে পারে। সেজন্যও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। ক্রীড়া সরঞ্জাম শিল্প খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা।



