সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে দাবায় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন (World Chess Championship 2024) হয়েছেন ভারতের ডি গুকেশ (D Gukesh)। ১৪ গেমের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে চিনের ডিং লিরেনকে ফাইনালে হারিয়েছেন তিনি। কিন্তু তাঁর সেই গৌরবে কাদা ছেটানোর চেষ্টা রাশিয়ার। সে দেশের দাবা ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেই ফিলাতোভের অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে ম্যাচ হেরেছেন লিরেন। আন্তর্জাতিক দাবা ফেডারেশনকে এই নিয়ে তদন্ত করতে বলছেন তিনি।
কোন ঘটনা নিয়ে অভিযোগ ফিলাতোভের? ১৩টি গেম শেষে গুকেশ ও লিরেনের পয়েন্ট সমান ছিল। সেক্ষেত্রে ফাইনাল ম্যাচে ফল না হলে ম্যাচ গড়াত টাইব্রেকারে। কিন্তু ৫৫তম দানে মারাত্মক ভুল করে ফেলেন লিরেন। যা দেখে কিছুটা অবাক হয়ে যান গুকেশও। কিন্তু যতক্ষণে লিরেন ভুল বোঝেন, ততক্ষণে অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছে।
আর লিরেনের ৫৫তম চালের ভুলটি নিয়েই অভিযোগ ফিলাতোভের। রাশিয়ার একটি সংবাদপত্র অনুযায়ী তাঁর বক্তব্য, “শেষ গেমের ফলাফল দেখে দাবাড়ুরা চমকে গিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চিনা প্লেয়ারের সিদ্ধান্ত রীতিমতো সন্দেহজনক। এটা নিয়ে আন্তর্জাতিক দাবা সংস্থার আলাদা তদন্ত করা উচিত। ডিং লিরেনের থেকে এরকম ভুল আশা করা যায়নি। তাঁর হেরে যাওয়ায় অনেক প্রশ্ন উঠছে। দেখে তো মনে হচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবে হেরেছে।”
লিরেন কিন্তু ভুলের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। ম্যাচের পর তিনি বলেন, “নিজের ভুল দেখে আমিও অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। গুকেশের মুখের অভিব্যক্তি দেখেই বুঝতে পারছিলাম, ও কতটা খুশি হয়েছে। তখনই বুঝতে পারি, কত বড় ভুল করেছি। আমার আরও ভালো করা উচিত ছিল। কিন্তু কোনও আক্ষেপ নেই।” আসলে ফাইনালের প্রতিটি ম্যাচেই আক্রমণাত্মক ভাবে খেলেছেন গুকেশ। অন্যদিকে তুলনায় রক্ষণাত্মক ছিলেন লিরেন। শেষ ম্যাচেও টানা চাপ দিতে থাকেন ভারতীয় দাবাড়ু। ৪০ দানের পর সময়ও কমতে থাকে লিরেনের। আর তাতেই ভুল করেন তিনি। সেখান থেকেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে যান গুকেশ।
সর্বশেষ খবর
-
অবসরের পরই ফের কলকাতায় মেসি, খেলবেন মাঠে নেমেও! খুশির খবর দিলেন উদ্যোক্তা শতদ্রু
-
কলকাতা, হাওড়ার পর এবার দুর্গাপুর, এক ধাক্কায় বাড়ল ১০টি ওয়ার্ড! কী বলছেন বিধায়ক?
-
বাড়িই যেন মৃত্যুপুরী! মিলল পরিবারের ২৩ সদস্যের দেহ, বিধ্বস্ত নেপালে মৃতের সংখ্যা ১০০০ ছুঁইছুঁই
-
নতুন করে বর্ষার মরশুম! সেপ্টেম্বরেও বৃষ্টিতে ভাসবে দেশের একাংশ, পূর্বাভাস মৌসম ভবনের
-
দিল্লির বাসে কিশোরীকে গণধর্ষণ! ক্ষোভ উগরে ভূমির প্রশ্ন, ‘কীভাবে বারবার এমন ঘটনা …!’