BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

নরসিংয়ের ‘ষড়যন্ত্রকারী’কে চিহ্নিত করল ফেডারেশন

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: July 27, 2016 12:53 pm|    Updated: July 27, 2016 1:39 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিনেমার স্ক্রিপ্টের মতো প্লট পরিবর্তন হচ্ছিল প্রতিদিন৷ যে আশঙ্কাটা করা হচ্ছিল, সেটাই সত্যি হয়ে দাঁড়াল৷ রিও ওলিম্পিকে যাওয়ার আশা একপ্রকার শেষ হয়ে গেল কুস্তিগির নরসিং যাদবের৷ তাঁর বদলি হিসেবে ৭৪ কেজি বিভাগে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য বেছে নেওয়া হল প্রবীণ রানাকে৷ তবে ওলিম্পিক শুরুর আগে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারলে নরসিংয়ের উপর থেকে সবরকম শাস্তি তুলে নেওয়া হবে৷

ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের (ডব্লিউএফআই) চাঞ্চল্যকর তথ্যে এদিন ডোপ কেলেঙ্কারি নয়া মোড় নিল৷ ডব্লিউএফআই-এর তরফে জানানো হয়েছে, সাইয়ে থাকাকালীন কোনও অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি নংসিংয়ের খাবারে নিষিদ্ধ পাউডার মিশিয়েছিল৷ সাইয়ের রাঁধুনিরা তাঁকে চিহ্নিত করতে পেরেছেন৷ তিনিও নাকি একজন কুস্তিগির এবং নামজাদা আন্তর্জাতিক কুস্তিগিরের ভাই৷ এমনকী সে নিজেও দোষ স্বীকার করেছে বলে খবর৷ যদিও এখনও পর্যন্ত তার নাম প্রকাশ্যে আনেনি ফেডারেশন৷ তার বিরুদ্ধে বুধবার এফআইআর করলেন নরসিং৷

কয়েকটি চ্যানেল স্টিং অপারেশন করে জানতে পেরেছে, সাইয়ের সেই মেসে যাঁরা রান্নার কাজ করেন, তাঁরা জানিয়েছেন, সেদিন দুপুরে রাঁধুনি চলে যাওয়ার পর অজ্ঞাতপরিচয় একজন রান্নাঘরে ঢুকেছিল৷ সেই ব্যক্তিকে ডালে পাউডার জাতীয় কিছু একটা মেশাতেও দেখেছেন তাঁরা৷ এখানেই শেষ নয়৷ কাহানি মে টুইস্ট হল এই যে, ঘটনাটি ঘটেছিল ৫ জুন৷ সেদিন সুশীল কুমার ও নরসিংয়ের মামলার শুনানির শেষদিন ছিল৷ সেদিনই ঠিক হয়েছিল, ওলিম্পিকে ৭৪ কেজি কুস্তির বিভাগে ভারতীয় হিসাবে সুশীল নয়, অংশ নেবেন নরসিংহ৷ সোনপত সাইয়ের তরফে ডিরেক্টর জেনারেল ইনজেতি শ্রীনিবাস আবার বলছেন, এসব অভিযোগ মিথ্যে৷ সাইয়ে এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি তাঁর৷

নরসিং ডোপ টেস্টে ফেল করার পর থেকেই দাবি তুলেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে৷ সেই দাবিই যেন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে৷ ফেডারেশন প্রধান ব্রিজভূষণ শরণ সিং অবশ্য প্রথম থেকেই নরসিংয়ের পাশে রয়েছেন৷ তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, নরসিং কখনওই এমন কিছু করতে পারেন না৷ তিনি কারও নাম বলছেন না৷ তবে এটুকু জানাচ্ছেন, নরসিংহের বিরু‌দ্ধে এই ষড়যন্ত্রে সাইয়ের কয়েকজন অফিসার, কুস্তিগির ও একজন কোচও জড়িত রয়েছেন৷ সিং বলছিলেন, “সাইয়ের মেসের রান্নাঘরে কী করে একজন অচেনা লোক ঢুকে পড়তে পারে? কেউ তাঁকে আটকাল না? অবাক লাগছে এসব শুনে৷”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement