স্টাফ রিপোর্টার: রোদ চশমা৷ তাই চোখের জল দেখা যাচ্ছিল না! কিন্তু দূর থেকে দেখে বলে দেওয়া যাবে কাঁদছেন ম্যাকো৷ সতীর্থরা কোলে তুলে নিতেই কান্না আরও বাড়ল৷ কোনওরকমে হাত দুটো তুলেছেন৷
আবেগকে আর কতক্ষণ বশীভূত করে রাখবেন! জানেন, ইচ্ছে করলেও আর বল হাতে বাইশ গজে ছুটতে পারবেন না৷ আলবিদা ক্রিকেট৷ বিদায় জানালেন ভালবাসাকে৷ ক’দিন আগে সৌরাশিস লাহিড়ী ইডেনের ওই ঘরটাতে বসে অবসর জানিয়েছিলেন৷ এবার সেই চেয়ারে শিবশঙ্কর পাল৷ পাশেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, মনোজ তিওয়ারি, অভিষেক ডালমিয়া, বিশ্বরূপ দে-রা৷ স্মৃতির সরণি বেয়ে কখনও ভারতীয় দলে ক্রিকেটারদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম শেয়ার করার গল্প, কখনও আবার প্রথমবার সৌরভের সঙ্গে খেলার স্মৃতি৷
মোহনবাগানের পক্ষ থেকে স্মারক তুলে দেওয়া হল৷ আরও বেশি নস্ট্যালজিক৷ কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই খেলেছেন মোহনবাগানের হয়ে৷ এমনকী ভারতের জার্সি গায়ে চাপানোও মোহনবাগানের হয়ে খেলার সময়৷ তাই এই ক্লাবের প্রতি আলাদা একটা টান অনুভব করেন ম্যাকো৷ বলছিলেন, “মোহনবাগান আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে৷ একটা কথা প্রচুর শুনতাম, মোহনবাগান থেকে বেশিরভাগ ক্রিকেটার ভারতীয় দলে৷ আমার ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছিল৷”
জ্বর, ড্রেসিংরুমে শুয়ে রয়েছেন৷ পরশ মামরে হঠাৎ এসে বসেছিলেন, “আরে তুমি আমার প্রধান পেসার৷ তোমাকে খেলতেই হবে৷” মাঠে বমি করছেন৷ তারপরও পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন৷ সেইসব কথা মনে আসে৷ পরক্ষণেই সামনে রূঢ় বাস্তব৷ কাল থেকে সকালে উঠে আর মাঠে আসার তাড়া থাকবে না৷ সৌরভ, মনোজরা যখন স্মারক তুলে দিচ্ছেন, চোখের কোণায় আবারও জল৷ দূরে দাঁড়িয়ে স্ত্রী দেবিশ্রী৷ কোলে মেয়ে৷ হাতে সেই ম্যাচ বল৷ না, আজ থেকে আর বল হাতে দৌড়বেন না শিবশঙ্কর পাল৷
সর্বশেষ খবর
-
২৫ হাজার ‘ঘুষে’র দাবি, না পেয়ে নাবালিকার জোড়া লাগা পা ভাঙলেন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক!
-
তৃণমূলের ভাঙনে মোদির স্বপ্নপূরণ! ২৯-এর আগেই আসন পুনর্বিন্যাস কার্যকরে আসরে কেন্দ্র
-
প্রেম ফিকে হলেও বন্ধুত্ব চির-অমলিন, সম্পর্কের নয়া রসায়ন বাতলালেন তৃপ্তি দিমরি
-
মুখ্যমন্ত্রীর পদক্ষেপ, গতি পেল সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের কাজ, জুড়ছে শিলিগুড়ি-সিকিম
-
বাতাসে বিষ! পরিবেশ বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর দেখানো পথে হাঁটছেন শুভেন্দু