Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

ঘানার কাছে হেরে যুব বিশ্বকাপের স্বপ্ন শেষ ভারতের

হারলেও চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের ক্ষমতা প্রমাণ করে দিল মাতোসের ছেলেরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০১৭, ১৬:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০১৭, ১৬:১৫

options
link
ঘানার কাছে হেরে যুব বিশ্বকাপের স্বপ্ন শেষ ভারতের zoom

ঘানা- ৪(এরিক আয়াহ-২,  ডানসো, টোকু) 

ভারত- ০

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বড় ব্যবধানে কি জিততে পারবে ভারতের খুদে ফুটবলাররা? পারবে কি প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলেই নক আউটে পৌঁছে ইতিহাস সৃষ্টি করতে? দিল্লির জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামের উদ্দেশে হাঁটতে থাকা আম-জনতার মধ্যে তখন সেই প্রশ্নই যেন ঘুরপাক খাচ্ছিল। শুধু তাঁদের নয়, বৃহস্পতিবার প্রত্যেক ভারতবাসীর মনেই যেন একই প্রশ্ন ছিল। চিন্তায় হাতের নখ হয়ত অনেকেরই হাওয়া হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু রূপকথার তুলনায় বাস্তব যে বড্ড নিষ্ঠুর। তাই ৯০ মিনিটের ম্যাচে প্রতিপক্ষকে কড়া চ্যালেঞ্জে ছুড়েও হারতে হল বরিস-জিকসন-ধীরাজদের। অধিনায়ক এরিক আয়াহর জোড়া গোল এবং ডানসো ও টোকুর গোলে টিম ইন্ডিয়াকে ৪-০ গোলে হারিয়ে নক আউট পর্বে চলে গেল ঘানা।

[অবসরের সিদ্ধান্ত জানানোর পরই আবেগময় টুইট নেহরাকে ঘিরে]

দু’বার অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ জিতেছে ঘানা। দু’বার হয়েছে রানার্স আপ। অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ জিতেছে ঘানা। সেখানে আয়োজক দেশ হিসেবে প্রথমবার বিশ্ব ফুটবল মঞ্চে আগমণ ধীরাজ, বরিসদের। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ভারতের কোচ মাতোস বলেছিলেন গ্রুপের অন্যতম শক্তিশালী দেশ হল ঘানা। তাঁরা চেয়েছিলেন গ্রুপে যেন আফ্রিকার কোনও দেশ না পড়ে। পারবে কী এহেন শক্তিশালী ঘানার মতো দেশকে হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করতে ভারতীয় খেলোয়াড়রা? আমেরিকা এবং কলম্বিয়ার মতো দেশের বিরুদ্ধে হারলেও লড়াই করেছিল ভারত। সেই বিশ্বাসে এদিনও জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়াম ভরিয়েছিলেন দর্শকরা। যাঁরা যেতে পারেননি তাঁরা বসেছিলেন টিভির সামনে। জিকসনদের সঙ্গেই হয়তো সুর মিলিয়েছিলেন জাতীয় সঙ্গীতে। আর মনে ছিল বিশ্বাস। পারলে এই ছোটরাই পারবে ফুটবল বিশ্বে ঘুমন্ত দৈত্য নামে পরিচিত ভারতের ঘুম ভাঙাতে। আর ম্যাচের শুরু থেকে প্রতিপক্ষকে পালটা চাপে ফেলে দিয়ে সেই বিশ্বাসেরই যেন মান রাখছিল মাতোসের ছেলেরা। সময় যত গড়িয়েছে গতির বদলে পালটা গতি, আক্রমণের বদলে পালটা আক্রমণে খেলা এগিয়েছে। কোথাও মনে হয়নি এই ভারত ফিফা ক্রমতালিকায় ঘানার তুলনায় অনেক পিছিয়ে। আক্রমণ করলেও পালটা আক্রমণে মাঝেমধ্যে চাপে পড়ছিল শক্তিশালী ঘানার রক্ষণভাগও। তবে বেশিক্ষণ নয়, প্রথমার্ধের শেষদিকে ঘানার এরিক আয়াহ ভেঙে দেয় ভারতের প্রতিরোধ। ৪৩ মিনিটে ডানদিক থেকে আক্রমণে ওঠে আফ্রিকার দেশটি, সেন্টার করে দলের এক খেলোয়াড়। ফিস্ট করে ভারতীয় গোলকিপার ধীরাজ। কিন্তু ঘানার অধিনায়কের চলতি বলে শট খুঁজে নেয় ভারতের গোল।

প্রথমার্ধে ১-০ এগিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আরও একটি গোল পেয়ে যায় ঘানা। সৌজন্যে সেই অধিনায়ক এরিক। বাঁ-দিক থেকে সেন্টার থেকে ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা খেলোয়াড়টি গোল করে যায়। এরপরও ভারতীয় খেলোয়াড়রা হাল ছাড়েনি। চেষ্টা করে গিয়েছিল গোল পরিশোধ করার। কিন্তু কোনওভাবেই সেই গোল শোধ করা আর হয়ে ওঠেনি। উলটে ৮৬ মিনিটে ডানসো ৩-০ গোলে এগিয়ে দেয় ঘানাকে। এরপর ৮৮ মিনিটে টোকু ভারতের কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন। ফলে আমেরিকার সঙ্গে নক আউটে চলে গেল আফ্রিকার দেশটি।

[ফের একবার রণবীর-অভিষেকদের মুখোমুখি হতে চলেছেন বিরাট-ধোনিরা]

প্রশ্ন উঠতেই পারে, গ্রুপ পর্যায়ে তো একটিও ম্যাচ জিতল না ভারত তাহলে কীভাবে আর উন্নতি হবে? এর উত্তরে কেবল একটাই কথা বলা যায়, অন্তত শুরুটা হল। বিশ্ব ফুটবল জানল ভারতেও ফুটবল খেলা হয়, ভারতীয়রাও ফুটবল খেলতে জানে। এখানকার জনগণও ফুটবলকে ভালবাসে। শুধু ক্রিকেট নয়, ফুটবলটাও একটা প্যাশন। যতই তিন ম্যাচের তিনটিতে হেরে আয়োজক দেশ বিদায় নিক, চোখে চোখ রেখে লড়াই করতে যে তারাও পারে, এটা কিন্তু প্রমাণ করেই ছাড়ল মাতোসের ছেলেরা।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.