Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

তুমুল চাহিদা সত্ত্বেও ভরল না যুবভারতী, আভাস টিকিট দুর্নীতির

কলকাতার জন্য কি এই পরিস্থিতি ভাল বিজ্ঞাপন হয়ে থাকল?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০১৭, ০৬:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০১৭, ০৬:৫৮

options
link
তুমুল চাহিদা সত্ত্বেও ভরল না যুবভারতী, আভাস টিকিট দুর্নীতির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্লাবে ক্লাবে বিভাজন। কিন্তু বিশ্বকাপের টানে সকলেই এক। গোটা দেশে ফুটবল প্রেমীদের মন্ত্র এখন এটাই। কলকাতাও তার ব্যতিক্রম নয়। বছরভরের বিরোধিতা ভুলে সকলেই ভাল ফুটবল দেখার আশায় বুক বেঁধেছেন। রবিবার ছিল নবরূপে সেজে ওঠা যুবভারতীতে প্রথম ম্যাচ। গ্রুপ পর্যায়ে এখানে ভারতের খেলা না থাকলেও, চিলি বনাম ইংল্যান্ডের সে ম্যাচ দেখার উন্মাদনা কম ছিল না। টিকিটের চাহিদাও ছিল তুঙ্গে। টিকিট না পেয়ে অনেকেই হতাশ হয়ে শেষমেশ টিভিতে চোখ রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন। অথচ খেলার সময় দেখা গেল, মাঠ প্রায় ফাঁকা। সাকুল্যে ৪৬ হাজার দর্শক গলা ফাটাল ফুটবলের জন্য। কেন এই হাল? কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে আভাস মিলছে দুর্নীতির।

 বিরাট কোহলির এই কাজটি অবাক করল মহেন্দ্র সিং ধোনিকেও ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যুব বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হতে পারা নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলের কাছে বড় পাওনা। দেশের বিভিন্ন মাঠের চেহারা যেভাবে বদলে গিয়েছে, তাতেই বোঝা যাচ্ছে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের আয়োজন কতটা জরুরি। সেজে উঠেছে কলকাতার যুবভারতীও। একেবারে যাকে বলে খোলনলচে বদল। মাঠের চেহারা পালটে যাওয়ার পর থেকেই উত্তেজনায় ফুটছে ফুটবলপ্রেমীরা। ভারত থাকুক বা না থাকুক, এরকম গ্যালারিতে বসে আন্তর্জাতিক ম্যাচের সাক্ষী হওয়ার স্বাদই আলাদা। সে কারণেই টিকিটের খোঁজে হন্যে ছিলেন দর্শকরা। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল টিকিট প্রায় নেইই। অনেক চেষ্টা চরিত্র করে টিকিট জোটাতে না পেরে হাল ছেড়ে বহু মানুষ টিভিমুখো হয়েছিলেন। অর্থাৎ বিশ্বকাপ ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে এবং সমস্ত টিকিটই বিক্রি হয়েছে- এই সিদ্ধান্তেই পৌঁছাতে হয়। কিন্তু ধাক্কা লাগে যখন দেখা যায়, মাঠের প্রায় অর্ধেকটাই ফাঁকা। তাহলে কেন এত টিকিটের চাহিদা? কোথায় গেল এত টিকিট? আর এখানেই বড় গাফিলতির সন্ধান মিলছে। অভিযোগ, রাজ্যের একাধিক প্রভাবশালী নেতা ও মন্ত্রী বহু টিকিট কমপ্লিমেন্টারি হিসেবে তুলে রেখেছিলেন। বাকি টিকিট বিক্রি হয়েছিল। কিন্তু এই কমপ্লিমেন্টারি টিকিটের সিংহভাগ স্রেফ পড়ে থেকে নষ্ট হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি আধিকারিক জানাচ্ছেন, তাঁর কাছে এক প্রভাবশালী নেতা প্রায় ২২৩টি টিকিট রাখতে দিয়েছিলেন। কিন্তু খেলা শুরু হওয়ার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত সে টিকিটের কোনও গতি হয়নি। কেউ নিতেও আসেনি। ফলে ছিঁড়ে ফেলা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। এ তো একটা নমুনা মাত্র। হাজারে হাজারে কমপ্লিমেন্টারি টিকিট এভাবেই ছিঁড়ে ফেলতে হয়েছে। অন্যদিকে টিকিট চেয়েও পাননি সাধারণ মানুষ।

 ‘সৌরভের আত্মত্যাগের জন্যই ধোনি আজ এত বড়মাপের ক্রিকেটার’ ]

প্রশ্ন উঠছে, এত কাঠখড় পুড়িয়ে যেখানে বিশ্বকাপের আয়োজন, সেখানে দর্শককেই  বঞ্চিত হতে হল কেন? কেনই বা নেতা-মন্ত্রী তথা প্রভাবশালীদের হাতে শ’য়ে শ’য়ে কমপ্লিমেন্টারি টিকিট তুলে দেওয়া হল। আর তাঁরা যদি নিলেনই তবে তার সদ্বব্যবহার করলেন না কেন? এই টিকিট তরুণদের মধ্যে ভাগ করে দিলে এই প্রজন্মের ভিতর ফুটবল উন্মাদনা যে আরও বেশি ছড়াত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে জহওরলাল নেহরু স্টেডিয়াম দেখেছে ভিড়ের বহর। রাজধানী দিল্লির পক্ষে সে ছবি একরকম স্বস্তির। সেই একই ছবি ফুটবলপাগল কলকাতাও তুলে ধরতে পারত। কিন্তু এই টিকিট দুর্নীতির কারণেই তা আর সম্ভব হল না। শহর কলকাতার জন্য কি এ ছবি ভাল বিজ্ঞাপন হয়ে থাকল? এই প্রশ্নচিহ্ন কিন্তু প্রভাবশালীদের সামনে ঝুলেই থাকল।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.