সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুরু হয়ে গিয়েছে ভারত-শ্রীলঙ্কা দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজ। নয়া হেডস্যর শাস্ত্রীর অধীনে দ্বীপরাষ্ট্রে ময়দানে নেমে পড়েছে কোহলি অ্যান্ড কোম্পানি। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট টিমের কোচ নির্বাচন নিয়ে এতদিন মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন বোর্ডের উপদেষ্টা কমিটির অন্যতম সদস্য তথা প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। এতদিন প্রশ্ন করা হলে উত্তর না দিয়ে প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়েছিলেন মহারাজ। তবে মঙ্গলবার মৌনব্রত ভাঙলেন দাদা। বললেন, কোচ নির্বাচনের সময় ক্যাপ্টেন কোহলির পছন্দেই সিলমোহর দিয়েছিল কমিটি। কোচ হিসাবে যে শাস্ত্রীই যে ভারত অধিনায়কের মনপসন্দ ছিলেন তা এতদিনে খোলসা করলেন সৌরভ।
[এখনই মহিলাদের আইপিএল নয়, ইঙ্গিত বিসিসিআইয়ের]
শুধু কোহলিই নয়, ভারতীয় ক্রিকেটারদেরই অধিকাংশই নাকি শাস্ত্রীকেই হেডস্যার হিসাবে দেখতে চেয়েছিলেন। কুম্বলের সঙ্গে ভারতীয় দলের মধুচন্দ্রিমা যখন ইতি হব হব করছে তখনই নাকি ড্রেসিং রুমে শাস্ত্রীর নাম ঘোরাফেরা করছিল কিছু ক্রিকেটারদের মুখে। সৌরভ জানিয়েছেন, ‘এটাই বিরাট কোহলি চেয়েছিল। এবার শাস্ত্রীকে পেয়ে ও নিশ্চয়ই খুশি। দুজনকেই অনেক শুভকামনা। বিশ্বকাপের আগে ওরা দুবছর হাতে পাবে। আশা করব ওরা ভাল ফলই করবে।’ প্রসঙ্গত, টিম ইন্ডিয়ার ‘হেডস্যার’ হিসেবে রবি শাস্ত্রীর নিয়োগের দিনই জাহির খানকে বিরাটদের বোলিং কোচ নিযুক্ত করেছিল ক্রিকেট উপদেষ্টা কমিটি। কিন্তু কোচের নাম ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সংঘাতে জড়ান শাস্ত্রী। জাহির নন, বিরাটদের বোলিং কোচ হিসেবে ভরত অরুণের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন রবি। আর এতেই বেজায় চটে যায় ক্রিকেট উপদেষ্টা কমিটি। শাস্ত্রীর নামে অভিযোগ জানিয়ে সরাসরি বোর্ডকে চিঠি পাঠান কমিটির সদস্যরা। এর আগেও শাস্ত্রী টিম ডিরেক্টর থাকাকালীন ভরত অরুণই বিরাটদের বোলিং কোচ হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। তাছাড়া শাস্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও বরাবরই ভাল। আর তাই জন্যই ভরত অরুণের নাম সুপারিশ করেন শাস্ত্রী। কিন্তু উপদেষ্টা কমিটি, বিশেষ করে সৌরভের পছন্দ ছিল জাহির খান। আর এতেই তৈরি হয় বিতর্ক। শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে কমিটির কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলা হয়।
[‘মিতালির আউট দেখে মনে হল ফাইনাল ম্যাচে গড়াপেটা হয়েছে’]
বলে রাখা ভাল, রবি শাস্ত্রীর সঙ্গে সৌরভের সম্পর্কের তিক্ততার কথা এখন আর অজানা নেই। কুম্বলের আগেই কোচ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন শাস্ত্রী। কিন্তু গত বছর ইন্টারভিউর পর উপদেষ্টা কমিটি বিরাটদের কোচ হিসেবে বেছে নেয় কুম্বলেকে। এরপরই রবি শাস্ত্রী অভিযোগ তোলেন, তাঁর ইন্টারভিউ দেওয়ার সময় ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন সৌরভ। এর পালটা হিসেবে সৌরভ জানান, ছুটি কাটাতে কাটাতে কখনও ইন্টারভিউ দেওয়া যায় না। এরপর থেকেই দুই প্রাক্তন ক্রিকেটারের সম্পর্ক দাঁড়ায় আদায়-কাঁচকলায়। এরমধ্যেই কুম্বলে বিতর্কের পর মূলত বিরাটের পছন্দের কথা মাথায় রেখেই শাস্ত্রীকে কোচ করে উপদেষ্টা কমিটি। কিন্তু সৌরভ-শাস্ত্রীর সেই ঠোকাঠুকির কথা সবারই মাথায় রয়েছে। কোচ নির্বাচনের পর এই প্রসঙ্গে মৌনব্রত পালন করেছিলেন দাদা। তবে মঙ্গলবার কোহলির দিকে বল ঠেলে দিলেন তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
হোয়াটসঅ্যাপের পরে টেলিগ্রাম, সিগন্যাল! ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে নোটিস কেন্দ্রের
-
ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে কেন্দ্র ও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মতান্তর! বৈঠকে প্রশ্ন একাধিক সাংসদের
-
অ্যাসিড হামলায় কড়া আইনের দাবি, সরব মহিলাদের ক্ষমতায়ন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি
-
নীতি আয়োগের বৈঠককে সামনে রেখে বাংলার শিক্ষা খাতে বড়সড় রূপরেখা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু
-
তৃণমূলের আসল দাবিকার কে? মমতা ও ঋতব্রতদের চিঠি কমিশনের, সোমবারের মধ্যেই জবাব তলব