BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

রাজ্যে মিড ডে মিলের বরাদ্দ বাড়াল কেন্দ্র

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 23, 2016 9:34 am|    Updated: August 23, 2016 9:34 am

An Images

ছবি: প্রতীকী

শ্রীষিতা ঘোষ: রাজ্যের স্কুলপড়ুয়াদের জন্য মিড ডে মিলের বরাদ্দ বাড়াল কেন্দ্র৷ প্রাথমিক ও উচ্চপ্রাথমিক স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য এই বরাদ্দ যথাক্রমে ২৭ ও ৯৮ পয়সা বাড়ানো হয়েছে৷ ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে পাল্লা দিতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে মত কেন্দ্রের৷ কিন্তু গত এক বছরে যে হারে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে সেখানে এই সামান্য বরাদ্দবৃদ্ধি কোনও কাজেই আসবে না বলে মনে করছে রাজ্যের শিক্ষামহলের একাংশ৷ প্রাথমিকে ৩.৮৬ টাকা থেকে মিড ডে মিলের বরাদ্দ বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪.১৩ টাকা৷ উচ্চপ্রাথমিকে এই বরাদ্দ বেড়ে ৫.২০ টাকা থেকে হয়েছে ৬.১৮ টাকা৷ সম্প্রতি এ সংক্রান্ত নির্দেশিকাও জারি হয়েছে৷ এদিকে ছাত্র প্রতি বরাদ্দ কিছুটা বাড়ালেও প্রতিটি রাজ্যের জন্য মিড ডে মিল প্রকল্পে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ আগে মোট খরচের ৭৫ শতাংশ বহন করত কেন্দ্র৷ বাকি ২৫ শতাংশ খরচের ভার ছিল রাজ্য সরকারের উপর৷ এই অনুপাতে বদল আনা হয়েছে৷ বর্তমানে মোট খরচের ৬০ শতাংশ কেন্দ্র ও ৪০ শতাংশ রাজ্য বহন করে৷ সূত্রের খবর, আগামিদিনে রাজ্যের ঘাড়ে খরচের পরিমাণ আরও বাড়াতে চলেছে কেন্দ্র৷ কিভাবে সেই বিপুল পরিমাণ খরচ রাজ্য বহন করবে তা নিয়ে রীতিমতো চিন্তায় স্কুলশিক্ষা দফতর৷

রাজ্যের সর্বশিক্ষা মিশনের এক আধিকারিক জানাচেছন, মিড ডে মিলের চাল ও ডাল সরকার বিনামূল্যে দেয়৷ এছাড়া রান্নার গ্যাস বা জ্বালানি, রান্না করার জন্য অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বেতনেরও আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে৷ বাকি শাকসবজি, মশলা, ডিম, মাছ মাংসের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৪.১৩ ও ৫.২০ টাকা৷ কিন্তু এখন বাজারে একটা ডিমের দামই পাঁচ টাকা৷ সেটি রান্নার জন্যও তেলমশলার আলাদা খরচ রয়েছে৷ তাই বরাদ্দ বাড়লেও এত কম খরচে কিভাবে শিশুদের পুষ্টিকর খাদ্য দেওয়া হবে তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে৷

বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির রাজ্য সহ-সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডলের কথায়, দেশের প্রতিটি পড়ুয়াকে যথাযথ গুণমানের পুষ্টিকর মিড ডে মিল প্রদান করা বাঞ্ছনীয়৷ তবে তার জন্য কেন্দ্রের বরাদ্দ করা অর্থের পরিমাণ উপযুক্ত নয়৷ ওই বরাদ্দ আরও বাড়ানো উচিত৷ পশ্চিমবঙ্গ প্রধানশিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নীহারেন্দু চৌধুরিও একই মত পোষণ করেছেন৷ তিনিও মনে করছেন, বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ওই টাকায় শিশুদের উপযুক্ত পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করা সম্ভব নয়৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement