২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

দক্ষিণবঙ্গে থাবা বসাচ্ছে ডেঙ্গু, স্বাস্থ্যভবনের কড়া সতর্কতা

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 2, 2016 3:33 pm|    Updated: August 2, 2016 4:01 pm

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: দক্ষিণবঙ্গ জুড়েই বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ৷ ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে বিপজ্জনকভাবে৷ ছড়াচ্ছে মারণ-জ্বর৷ তার মধ্যেই কলকাতার আরও দুই নামী স্কুলে ডেঙ্গুর থাবার খবর মিলেছে৷ এবার ডেঙ্গুর সংক্রমণ যে আরও বাড়তে পারে, সে ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন চিকিৎসকরা৷ উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার দুপুরে নবান্নে স্বাস্থ্য ও পুরসভার কর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন৷

আচমকা যেভাবে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে শুরু করেছে, তাতে যথেষ্ট উদ্বেগের বিষয় রয়েছে৷ তিনদিনেই চারজনের মৃত্যু হয়৷ উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতাজুড়ে ছ’জন আক্রান্ত হয়েছেন৷ সবাই শিশু৷ চারজনই বিধাননগরের বাসিন্দা৷ অন্যদের মধ্যে একজন বেলেঘাটা ও অন্যজন কাঁকুরগাছির বাসিন্দা৷ ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে শহরতলিতেও৷ দমদম, বিধাননগর, ভাটপাড়া বা শ্রীরামপুর পুরসভায় কয়েকজন জ্বরে আক্রান্ত৷ ভাটপাড়ায় এক গৃহবধূর অজানা জ্বরে মৃত্যুর খবর মিলেছে৷ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েই তার মৃত্যু হয়েছে কি না তদন্ত করে দেখা হচ্ছে৷ ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের মানিকপীড় এলাকার বাসিন্দা তিনি৷ আজ সকালে বাড়িতে মারা যান৷

এর মধ্যেই কলকাতার আর এক নামী স্কুল হেরিটেজে ডেঙ্গুতে চার ছাত্রী আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ এদের মধ্যে দু’জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে৷ অন্যদিকে, বিদ্যাভবন স্কুলের আরও এক ছাত্রী ও হরিয়ানা বিদ্যামন্দিরের একজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে বলে খবর৷ যদিও এই খবরের পুরোপুরি সত্যতা মেলেনি৷ রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জেলার পরিদর্শকদের সঙ্গে বৈঠকে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতায় জোর দিতে বলেছেন৷ গাইডলাইন মেনে সবরকম ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি৷

আগেই ডেঙ্গু-নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার গাইডলাইন মেনে কিছু নির্দেশিকা জারি করেছিল রাজ্য সরকার৷ সেই সব নির্দেশিকা সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে কি না তা যেমন খতিয়ে দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী৷ স্কুলগুলির ক্ষেত্রেও নজরদারি বাড়াতে চাইছেন তিনি৷ এদিকে, সকাল থেকেই এদিন স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা ডেঙ্গু মোকাবিলায় বৈঠকে বসেন৷ কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকেও জরুরিভিত্তিতে ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে৷ ডেঙ্গুর নতুন চেহারা দেখে চিকিৎসকরাও উদ্বেগে রয়েছেন৷ জমা জল সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কারণ মশা কমলে রোগের প্রাদুর্ভাবও কমবে৷ তাই প্রথমেই লার্ভা মেরে ফেলার নির্দেশ রয়েছে৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement