সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গ্যাভিন প্যাকার্ড। নামটা বললে হয়তো চেনা দুষ্কর। কিন্তু ছবিটি নিশ্চয়ই এতক্ষণে অনেককে নয়ের দশকের স্মৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। যখন ভিলেন মানেই পরিচিত মুখ ছিলেন এই বিদেশি। বলিউডকে ভালবেসেই একদিন শাহরুখ খান, সলমন খান, সঞ্জয় দত্ত, সুনীল শেট্টি, অক্ষয় কুমারদের হাতে ক্যামেরার সামনে মার খেয়েছেন গ্যাভিন। আবার ক্যামেরার নেপথ্যে দিয়েছেন ট্রেনিং। কিন্তু কোথায় গেলেন মানুষটা? আজ তো আর পর্দায় দেখা যায় না তাঁকে?
[হলুদ বিকিনিতে নেটদুনিয়ায় উত্তেজনার পারদ চড়ালেন এই নায়িকা]
গ্ল্যামার জগতের গ্লানিকে চিরতরে বিদায় জানিয়েছেন বলিউডের এই ভিলেন। বিদায় জানিয়েছেন ইহজগৎকেও। হ্যাঁ, ২০১২ সালে মৃত্যু হয়েছে বলিউডের এই চরিত্রাভিনেতার। এতদিন মিডিয়ায় উঠে আসেনি সে খবর। মৃত্যুকালে অভিনেতার পাশেও দাঁড়াতে দেখা যায়নি কোনও বলিউড তারকাকে। শেষ জীবনটা অভাবেই কেটেছে বলিউডের এই বিদেশি ভিলেনের। বি-টাউনে যখন তাঁর কদর ফুরিয়ে আসে, দক্ষিণী সিনেমায় ভাগ্য পরীক্ষা করতে গিয়েছিলেন গ্যাভিন। কিন্তু ভাগ্য কোনওদিনই তাঁর প্রতি সদয় হয়নি। কেবল কয়েকটি দৃশ্যের জন্য ঠাঁই মিলত ক্যামেরার সামনে। হতাশা ধীরে ধীরে গ্রাস করে অভিনেতাকে। ছেড়ে চলে যান স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাও। কেবল অযাচিত সঙ্গী হয়ে ওঠে মদের নেশা।
[প্রসেনজিতের ‘ইয়েতি অভিযান’ ট্রেলার দেখে কী বললেন আমির?]
এই নেশার ঘোরেই একদিন বাইক চালাচ্ছিলেন। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘটিয়ে বসেন দুর্ঘটনা। এর পর থেকেই শুরু হয় শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা। শেষে ২০১২ সালে জীবনকে চিরতরে বিদায় জানান গ্যাভিন। অভিনেতার শেষকৃত্যের সময় না ছিল কোনও মিডিয়ার ক্যামেরা, ছিল না বলিউডের কোনও চেনা মুখ। এমনকী আত্মীয়-পরিজনও ছিল না বললেই চলে। ছিল কেবল নিঃসঙ্গতা। যা আজীবন বয়ে বেড়িয়েছিলেন বলিউডের এই চেনা মুখটি। মৃত্যুর পরও তাই ছিল তাঁর একমাত্র সঙ্গী।

[জানেন, কীভাবে বলিউডে পা রেখেছিলেন ‘মস্তানি’ দীপিকা?]
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক