BREAKING NEWS

১ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

কাশ্মীরিদের ভুল বোঝাচ্ছে পাকিস্তান, দাবি রাজনাথের

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: July 19, 2016 8:50 am|    Updated: July 19, 2016 12:49 pm

An Images

জ্যোতির্ময় কর্মকার: পাকিস্তানের ইন্ধনেই অশান্তির আগুন জ্বলছে কাশ্মীরে৷ রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে এ কথা সাফ জানিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং৷ একইসঙ্গে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না গলানোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “মুসলিমদের রক্ষাকর্তা সাজার কোনও প্রয়োজন নেই পাকিস্তানের৷ কাশ্মীরিরা আমাদের দেশেরই মানুষ৷ তাঁদের ভুল বোঝানো হচ্ছে৷”

সোমবার বিরোধীদের দাবি মেনে বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনই রাজ্যসভায় কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়৷ মূলত বিক্ষোভ ঠেকাতে প্রশাসনের আক্রমণাত্মক ভূমিকা নিয়েই সমস্বরে প্রশ্ন তোলে বিরোধীরা৷ সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সরকারের অনমনীয় অবস্থানকে সকলে এক বাক্যে সমর্থন করলেও, যে ভাবে ক্রমশ গুরুতর আহতের সংখ্যা বাড়ছে তা নিয়েই তীব্র ক্ষোভ উঠে আসে বিরোধী শিবিরে৷ পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে আলোচনার পাশাপাশি সর্বদল বৈঠকেরও দাবি জানায় বিরোধীরা৷ আহতদের মধ্যে প্রতিদিন যে ভাবে মহিলা ও শিশুর সংখ্যা বাড়ছে তা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা গুলাম নবি আজাদ৷ যদিও সরকারের তরফে পাকিস্তানকে কাঠগড়ায় তুলেই বিরোধীদের যাবতীয় সমালোচনার মোকাবিলা করা হয়৷ জবাবি বক্তৃতায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তান দায়িত্ব-জ্ঞানহীনের মতো আচরণ করছে৷ যা কিছু ঘটছে তা পুরোটাই পাকিস্তানের মদতে হচ্ছে৷”

এমনকী, বিক্ষোভ মোকাবিলায় পুলিশ, আধা সামরিক বাহিনী চূড়ান্ত আক্রমণাত্মক অবস্থান নিচ্ছে বলেও মানতে চাননি তিনি৷ বরং রাজনাথের দাবি, “বিক্ষোভকারীদের ঠেকাতে যতদূর সম্ভব সহনশীলতা দেখানোর জন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র৷ সংঘর্ষ থামাতে ‘নন লেদাল’ অস্ত্র ব্যবহারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷” প্রসঙ্গত কাশ্মীরে বিক্ষুব্ধ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তা বাহিনীর ‘পেলেট গান’ ব্যবহার নিয়ে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠে গিয়েছে৷ চোখে-মুখে ভয়ংকর ক্ষত নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শয়ে শয়ে মানুষ৷ রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মহিলা ও শিশুরাও  নিরাপত্তা বাহিনীর এহেন রক্ষণাত্মক অভিযান থেকে রক্ষা পায়নি৷ স্বাভাবিকভাবেই এই পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহনশীলতার বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল৷

 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement