BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

মুসাকে জেরা করতে শহরে আসছেন ‘ব়্যাব’-এর গোয়েন্দারা

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: July 10, 2016 9:56 am|    Updated: July 10, 2016 9:56 am

An Images

সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়: ‘ইসলামিক স্টেট’ বা আইএস-এর ধৃত জঙ্গিনেতা মহম্মদ মসিউদ্দিন মিয়া ওরফে মুসাকে জেরা করতে এবার কলকাতায় আসছেন বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা ‘ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন’ বা ‘ব়্যাব’-এর কর্তারা৷ ইতিমধ্যেই ব়্যাব-এর গোয়েন্দারা ভবানীভবনে সিআইডি-র কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মুসা এবং এ রাজ্যে ছড়িয়ে থাকা আইএস-এর নেটওয়ার্ক সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন৷

তাঁরা খোঁজখবর নিয়েছেন বাংলাদেশের জামাতের শীর্ষনেতা মহম্মদ সুলেমন এবং আরও এক জঙ্গি সংগঠন ‘আনসার-উল-তৌহিদ’-এর নেতা মৌলানা ইউসুফের নেটওয়ার্কের সম্পর্কেও৷ সুলেমন এবং ইউসুফের মাধ্যমেই মুসা সম্পর্ক গড়ে তোলে সিরিয়ার আইএস জঙ্গিনেতা সফি আরমারের সঙ্গে৷ ওই তিন জঙ্গিনেতার নির্দেশেই এ-রাজ্যে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়তে চেয়েছিল মুসা৷ সেই কারণেই সন্ত্রাসবাদীদের নেটওয়ার্ক সম্পর্কে তথ্য জানতে চান ব়্যাব-এর গোয়েন্দারাও৷ তাই তাঁরাও ভবানীভবনে এসে মুসাকে জেরা করতে চান বলে সিআইডি-র গোয়েন্দাদের কাছে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন৷

বাংলাদেশের গুলশানে হামলার পর জঙ্গিদের মোবাইল ঘেঁটে যে অ্যাপের সন্ধান মিলেছিল এবার এ রাজ্যে ধৃত জঙ্গি মুসার মোবাইলেও সেই একই ধরনের অ্যাপ মিলল৷ ওই মোবাইল অ্যাপ ডিকোড করতে এবার ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ও এবিষয়ে পারদর্শীদের সাহায্য নেওয়া হবে৷ অ্যাপটি ডিকোড করতে পারলে একাধিক তথ্য উঠে আসবে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা৷

অন্যদিকে, গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন গ্রেফতারি এড়াতে সীমান্ত পেরিয়ে ১০ জন বাংলাদেশি জঙ্গি ইতিমধ্যেই মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ার বিভিন্ন এলাকায় লুকিয়ে রয়েছে৷ তাদের সন্ধানে ওই সমস্ত এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছে বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাবাহিনী৷ জানা গিয়েছে, রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকায় ৮০ জন আইএস জঙ্গিকে শনাক্ত করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাবাহিনী৷ তাদের মধ্যে ৫০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা চলছে৷ বাকি ৩০ জন রয়েছে গোয়েন্দা-নজরে৷ বাংলাদেশের মতোই এ-রাজ্যে সন্ত্রাস চালিয়ে ‘বৃহত্তর বাংলাদেশ’ গড়তে চায় তারা৷ এমনকী, অসমকেও টার্গেট করেছে তারা৷

অন্যদিকে, মুসাকে জেরা করে ইতিমধ্যেই গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন মগজধোলাই করার এই বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমেই সে বিভিন্ন যুবকদের প্রাথমিক জঙ্গি প্রশিক্ষণ দিত৷ ইতিমধ্যেই মুসার মোবাইলে ওই বিশেষ অ্যাপ ডিকোড করার চেষ্টা করেছেন গোয়েন্দারা৷ কিন্তু সূত্রের খবর, মোবাইলটিতে বিশেষ একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে৷ যেটির নিয়ন্ত্রণ সম্ভবত বিদেশে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement