BREAKING NEWS

১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

বৃষ্টির আশঙ্কা মাথায় নিয়ে ‘২১ জুলাই’-এর প্রস্তুতি তুঙ্গে

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: July 19, 2016 9:19 pm|    Updated: August 21, 2020 12:59 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বৃহস্পতিবার একুশে জুলাইয়ে রেকর্ড সমাবেশ চায় তৃণমূল৷ বৃহস্পতিবার বৃষ্টি হতে পারে, এই আশঙ্কা মাথায় নিয়েই চলছে একুশে জুলাইয়ের শেষ মুহূর্তের৷ তবে বৃষ্টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল নেত্রী৷ বৃষ্টি বরাবরই তাঁর পয়া৷ তিনি বিলক্ষণ জানেন, একুশে জুলাইয়ে মানুষের রেকর্ড ভিড় রুখতে পারবে না বৃষ্টি৷

এদিকে, মঙ্গলবার রাত থেকেই উত্তরবঙ্গ ও দূরের জেলাগুলি থেকে কর্মী-সমর্থকরা আসতে শুরু করেছেন৷ প্রতি বছরের মতো এবারও মঞ্চে বিশিষ্টদের পাশাপাশি শহিদ পরিবারের সদস্যরা থাকবেন৷ একুশে জুলাই নিহত ও আহতদের পরিজনদের পাশাপাশি থাকবেন নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর, নেতাই ও রাজ্যের বহু জায়গায় শোষিত অত্যাচারিত মানুষ৷ দিনটিকে ‘শহিদ দিবস’ হিসাবে পালন করে তৃণমূল কংগ্রেস৷ মূল বক্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ পুলিশের শীর্ষকর্তারা নিয়মিত নির্মীয়মাণ মঞ্চে এসে নিরাপত্তার বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন৷ সমাবেশ উপলক্ষ্যে শহরকে মুড়ে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে|

১৯৯৩ সালে সচিত্র পরিচয়পত্রের দাবিতে তৎকালীন যুব কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাকরণ অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন৷ সেদিন পুলিশকে আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালাতে নির্দেশ দিয়েছিল বামফ্রন্ট সরকার৷ মহানগরীর পথ রক্তে রাঙা হয়েছিল৷ প্রাণ হারান ১৩ নিরীহ যুবক৷ মারাত্মক জখম হয়েছিলেন মমতাও৷ তারপর থেকেই এই দিনটিকে শহিদ দিবস হিসাবে পালন করে আসছেন তিনি৷ তৃণমূল গঠনের পর এটাই মমতার প্রধান বাৎসরিক কর্মসূচি৷ একমাত্র ২০১১ সালে বাংলার ক্ষমতার ঐতিহাসিক পরিবর্তন স্মরণে রাখতে ব্রিগেডে নিয়ে যাওয়া হয় সভা৷ না হলে বরাবরই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেই শহিদ তর্পণ হয়ে আসছে৷ এবারও হবে৷

চলতি বছর মা-মাটি-মানুষের সরকার দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেছে৷ মমতার এই সভায় প্রত্যাশিতভাবেই ব্যাপক ভিড় হবে৷ দলের শীর্ষনেতারা তুমুল ব্যস্ত৷ সুব্রত বক্সি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অন্যরা বিভিন্ন দায়িত্বে আছেন৷ দলের কর্মী-সমর্থকদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় তা নিশ্চিত করছেন তাঁরা৷ ভোটে জেতার পর কেন্দ্রীয়ভাবে কোনও জমায়েত হয়নি৷ তাই বিজয় সমাবেশের প্রস্তুতিও নিচ্ছে দল৷ বিজয়ীদের আরও সংযত, সতর্ক ও বিনয়ী হয়েই এগোনোর বার্তা দিতে পারেন দলনেত্রী৷ নেত্রীর বার্তা, মানুষের স্বার্থ ছাড়া দ্বিতীয় কোনও লক্ষ্য নেই৷ বৃহস্পতিবার ধর্মতলায় এই বার্তাই আবার তুলে ধরতে চলেছেন জননেত্রী৷ ২১১ আসন নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করার পর দল ও প্রশাসনে কার্যত বিধবংসী মেজাজে ব্যাটিং করতে দেখা যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীকে৷ গুড গভর্ন্যান্স-এর স্বার্থে তিনি কাউকেই রেয়াত করছেন না৷ কোনও আপসও নয়৷ দলের মধ্যে বেনোজলদের ছেঁটে ফেলার কাজও শুরু হয়েছে৷ শহিদ দিবসের সভা থেকে তিনি আর কী বার্তা দেন তা শুনতে প্রবল আগ্রহ শুরু হয়েছে জনমানসে৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement