Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

কালিয়াচকে ধর্মীয় জলসায় গুলি চালানোর জের, ২ দুষ্কৃতীকে পিটিয়ে মারল জনতা

নিহত দু’জনের বিরুদ্ধেই চুরি, ছিনতাই, অস্ত্র পাচারের অভিযোগ বলে পুলিশ জানিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯, ১৪:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯, ১৪:৫৬

options
link
কালিয়াচকে ধর্মীয় জলসায় গুলি চালানোর জের, ২ দুষ্কৃতীকে পিটিয়ে মারল জনতা zoom

বাবুল হক, মালদহ: শীতের রাতে রাস্তার ধারে ম্যারাপ বেঁধে চলছিল ধর্মীয় জলসা। উপস্থিত ভক্তরা মশগুল তাতে। হঠাৎ গুলির আওয়াজে ছন্দপতন। চমকে উঠলেন দর্শকরা। দেখা গেল গেটের কাছে দাঁড়িয়ে মদের বোতল হাতে এক যুবক শূন্যে গুলি চালিয়ে হাসছে। ওই যুবকের জলসা ভণ্ড করার মতলব বুঝে ক্ষিপ্ত দর্শক ধেয়ে গেল তার দিকে। চলল এলোপাথাড়ি কিল-চড়-ঘুসি। একজন কেড়ে নিলেন ওই যুবকের হাতে থাকা বন্দুকটি। এরই মাঝে ওই মদ্যপ যুবককে বাঁচাতে এল তার দাদা। জনতার রোষ গিয়ে পড়ল তার উপরও। তাকেও বেধড়ক মারধর করল জনতা। ততক্ষণে নাক, মুখ ফেটে গলগল করে রক্ত ধরছে দুই যুবকেরই। কিন্তু তাতেও রাগ কমেনি ক্ষুব্ধ জনতার। এদিন আশপাশে বাড়িঘরেও ভাঙচুর চালায় ক্ষুব্ধ জনতা। আগুন ধরিয়ে দিল রাস্তার ধারে থাকা খাবারের দোকানগুলিতেও। এমনকী পিটিয়ে ওই দুই যুবককে মারার পরও তাদের গায়েও আগুন ধরিয়ে দেয় ক্ষুব্ধ জনতা। খবর যায় থানায়। অবশেষে পুলিশ এসে উদ্ধার করল দু’টি রক্তাক্ত নিথর দেহ।

[আফরাজুল খুনে ‘লাভ জেহাদের’ তত্ত্ব ভিত্তিহীন, দাবি রাজস্থানের তরুণীর]

ঘটনাস্থল মালদহের কালিয়াচক থানার সুজাপুর ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের হাসপাতালের মোড়। শুক্রবার রাতে জনরোষে সেখানেই মৃত্যু হয় দুই দুষ্কৃতীর বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। মৃতদের নাম ছোটা সাদিকুল (৩৫) ও তার দাদা সরিফুল (৩৮)। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের। নিহত দু’জনের বিরুদ্ধেই চুরি, ছিনতাই, অস্ত্র পাচারের অভিযোগ বলে পুলিশ জানিয়েছে। শুক্রবার রাতের ঘটনার রেশ চলে শনিবার সকাল পর্যন্ত। এদিন ছোটা সাদিকুল ও সরিফুলকে মারার প্রতিবাদ করতে ঘটনাস্থলে আসে খাদিম শেখ ও তার দলবল। স্থানীয় বাসিন্দাদের মারধরও করে তারা। তখন ক্ষুব্ধ জনতা চড়াও হয় তাদের উপর। ব্যাপক মারধর করা হয় খাদিম ও তার সঙ্গীদের। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কোনওরকমে ক্ষুব্ধ জনতার চোখে ধুলো দিয়ে পালায় খাদিম। তবে তার সঙ্গীরা গুরুতর জখম বলে জানা গিয়েছে। এরপর ক্ষুব্ধ জনতা এলাকার গাঁজা, মদের ঠেকে ভাঙচুর চালায়। বেশ কয়েকটি চোলাই মদের ঠেক ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়।

Advertisement

[তোলাবাজি রুখতে চেয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত খোদ তৃণমূল নেতা]

ফাইল চিত্র

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.