পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর ও বীরভূমের মাও উপদ্রুত থানা, ফাঁড়ি, ক্যাম্পে হাই অ্যালার্ট জারি হয়েছে। পাশাপাশি যৌথ বাহিনীর অপারেশনের নিখুঁত তথ্য পেতে মরিয়া গোয়েন্দা দপ্তরও। এদিকে বছর ১৪ পর মাও ব্রিগেডের সদস্য়রা রাজ্যে এসেছেন শুনে, তাদের সমাজের মূল স্রোতে ফেরার আশায় দিন গুনছেন পরিবারের সদস্যরা।
তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর যৌথ বাহিনীর গুলিতে নিহত হন কিষাণজি। এরপর একাধিক মাও নেতার মৃত্যু, গ্রেপ্তার, আত্মসমর্পণে বাংলা থেকে সশস্ত্র অতি বামপন্থীরা জমি হারান। এরপরই অবশিষ্ট মাও সদস্যরা সারান্ডার জঙ্গলে ঘাঁটি গাড়েন বলে সূত্রের খবর ।
এ রাজ্যের গোয়েন্দাদের কাছে খবর, মাস খানেক আগে সারান্ডা ছেড়ে বেরিয়েছিল অসীম মণ্ডলের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জনের একটি সশস্ত্র দল। ঝাড়খন্ডের সরাইকেল্লা-খুঁটির জঙ্গলে তারা কয়েকদিন কাটানোর পর দুটি দলে ভাগ হয়ে যান। স্থানীয় এলাকায় তাদের দেখা গিয়েছে বলেও দাবি করেন অনেকে। টাকার জন্য এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছে তাঁরা বার্তাও পাঠিয়েছেন বলে খবর। আর তাতেই সতর্ক রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকার প্রশাসন।
আরও ভিডিও
সর্বশেষ খবর
-
জটিল রক্তরোগের চিকিৎসায় বোন ম্যারো প্রতিস্থাপন, বিশেষ সম্মান ডা. রজত ভট্টাচার্যকে
-
বিপদকালে স্বামীকে যোগ্য সঙ্গত স্ত্রীর! স্মিতের সহধর্মিণীর মানসিক দৃঢ়তা প্রশংসিত নেটদুনিয়ায়
-
‘জঙ্গি’ পাইলটকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ! ফ্লাইদুবাইয়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ যাত্রীদের
-
ভর্তি নেয়নি সরকারি হাসপাতাল! রাস্তাতেই সন্তান প্রসব দলিত তরুণীর, তারপর…
-
শুটিং সেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, অভিনেত্রীর জামায় আগুন, তারপর…