তারাতলায় যাওয়ার দিন বাবা স্বপন মণ্ডলকে স্টেশনে পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন মেয়ে দীপ্তি। কাজ শুরুর আগে বাড়িতে ফোন করেছিলেন স্বপনবাবু। সেই শেষবার, তারপর ফের বাবাকে যখন দেখতে পেলেন দীপ্তি তখন তিনি প্লাস্টিকে মোড়া মৃত দেহ! উথালপাথাল কান্না নয়, বাবার মৃত্যুকে কেমন যেন স্থানু হয়েগেছেন দীপ্তি চৌধুরী। দৃঢ় গলায় বলছেন, ‘ক্ষতিপূরণ নিয়ে কী হবে, আমার বাবাকে চাই’!
সকাল থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে বসে ছিলেন দীপ্তি চৌধুরী। বাবাকে শেষবারের মতো বাড়ি নিয়ে যাবেন মেয়ে। রাতেই এসেছিল দুঃসংবাদ। তারাতলার ঘটনায় কাজে ভুল যে ছিল তা নিয়ে নিঃসংশয় দীপ্তি চৌধুরী। দোষীদের শাস্তি চান মৃত ঢালাই কর্মীর মেয়ে।
আরও ভিডিও
ইতিমধ্যেই তারাতলা বিপর্যয়ে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। বাবাকে হারিয়ে সেই সহয়তার দিকেও যেন নজর নেই দীপ্তির। টাকা তো খরচ হয়ে যাবে, বাবা থাকলে অল্প টাকাতেও ঠিক সংসার চালিয়ে নিতে পারতেন তাঁরা, আবেগে একটু যেন কেঁপে গেল দীপ্তির স্বর! দোষীদের নিয়ম মেনে শাস্তি দিক সরকার, এমনটাই চান তারাতলা বিপর্যয়ে মৃত স্বপন মণ্ডলের মেয়ে।
সর্বশেষ খবর
-
কলকাতায় নয়, প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে স্বাধীনতা দিবসে বাংলার এই গ্রামে তেরঙ্গা ওড়াবেন শুভেন্দু
-
মোসাদের শক্তিতে ‘পরাস্ত’ ইরান! কীভাবে ট্রাম্পের উপর হামলা বানচাল ‘বন্ধু’ ইজরায়েলের?
-
স্বাধীনতার উৎসবে দেশের ঐতিহ্য সন্ধান, ঘুরে আসুন ইউনেস্কো স্বীকৃত ৫ অসাধারণ জায়গায়
-
‘মুসলমানকে বিয়ে করে বউদি হয়ে গিয়েছ’, নিন্দুকের মুখে ছাই দিয়ে স্বরা বললেন…
-
অভয়া কাণ্ডে নির্মল ঘোষের গ্রেপ্তারিতে উৎসব পানিহাটিতে! ঢোল বাজিয়ে নাচ, চলল মিষ্টিমুখ